বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...
/ সাহিত্য
জিয়া সাঈদ পালক পতাকা দেখো উড্ডীনেই উজ্জ্বল হে অনুগামী – তোমাকে তো আমি ঔজ্জ্বল্যের মর্ম , মর্যাদার কথা বলেছি ; বলেছি নদী নাবিক আর জিগীষু যোদ্ধার উদ্যম দেখো – দেখে আরো....
জিয়া সাঈদ কত পুরনো চোখের সাথে আচানক হয়ে যায় আলো বিনিময় এমনও তো হয়েছে কোনো নিখোঁজ স্বরে আবার বেজে ভিজে উঠেছে রাত্তির এমনও তো হয় কবেকার প্রিয় মাঠ মঞ্চ –
মোশতাক আল মেহেদী যদি দূরে যাই বলে যাবো আপাতত কিছুদিন নিজের ভিতরে, দিনের শুরুতে আলোটা
জিয়া সাঈদ বাবা বাড়ি নেই ছায়া আছে ঘরে সেই যে এক ঘোর রাতকে ঘোরতর করে চলে গেল তারপর থেকে মেঘে মেঘে আমাদের দিন যায় শিশিরে শিশিরে ঝরে রাত্রি রাতভর জায়নামাজে
হাসান জামান কোনো কোনো দিন জেগে উঠে নদী পাড়ভাঙা ঢেউ হাকালুকি হাওরে জলের প্রপাত গলে যায় নক্ষত্র বিষন্ন রাত রক্ত গড়িয়ে পড়ে পাথরে তবু বেশ ভালো আছি! প্রিয় কারা যেন
আতাউর রাহমান নাটোর জেলার এক অজপাড়া গ্রাম বিলাশপুর। এই গ্রামে বাস করতেন আব্দুল মতিন, এক সাধারণ কৃষক, কিন্তু এক অসাধারণ পিতা। তাঁর পরিবারে স্ত্রী রহিমা বেগম, বড় ছেলে রাসেল এবং
হাসান হাফিজ নিঃসঙ্গতা জ্বেলে জ্বেলে অন্ধকারে পথ চলে কবি নৈঃসঙ্গ্যই তার ধ্যান আরাধনা সাধনার সিদ্ধি ও সুন্দর! একাকিত্ব, নিঝুম রোদন শিল্পতৃষ্ণা একবুক হাহাকার অতৃপ্তি ও অপমান কাঁটাগুল্ম তার অম্লজান ও
মোশতাক আল মেহেদী লাল ডাকবাক্স নেই ডাক পিয়নের হাতে সুন্দর খামের প্রেমপত্র নেই, তবু সুকান্তর কবিতা আছে গগন হরকরার বাউল গান