শিরোনাম :
রক্তে লেখা জুলাই
রক্তিম জুলাই এলো, শ্বাসরুদ্ধ এক শহর নিঃশব্দে জেগে উঠলো, চোখে আগুন, হাতে প্ল্যাকার্ড-বিপ্লব যেন রাস্তায় ফুটলো। এ শহর চেনে কান্না,
ভাল থাক ভেজা মাটি ভাল থাক ঘাস!
মোশতাক আল মেহেদী প্রয়োজনে মানুষের সাথে কথা হয় ওটা ফুরালেই সব চুপচাপ এই আজব স্বভাব নিয়ে আমাদের বসবাস, ভাল থাক
ঘাসজলে ভিজিয়ে পা ( সাহিদা হাসি-কে)
জিয়া সাঈদ সারাদিন এই মেঘলা মেঘলা স্নেহমুখ শিশুর শাসন নিরুদ্ধ জীবন – আর ভাল্লাগে না ; ঘাসজলে ভিজিয়ে পা আমাকে
লাল চাঁদ
রোমেন রায়হান চাঁদা দেয়া ছাড়া বাঁচবে এদেশে? গোবেচারা লাল চাঁদ! পাথরে শরীর থেঁতলে থেঁতলে মিটল বাঁচার সাধ! বহিষ্কারের ঝুঁকি নিয়ে
তৃষ্ণা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী এক অনন্ত অনুতাপের ভার বহন করছিলাম আমি। পুকুর ঘাট থেকে কয়েক ধাপ সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে এলে যে
টেপিরবাড়ী
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে টেপিরবাড়ী গ্রাম অফুরন্ত ভালবাসা শুভ কামনা অবিরাম, মাটির ঘরে বসতি মাটির মত
বর্ষা
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বর্ষা মানেই তো মেঘ আর বৃষ্টি নব নব উদ্দীপনায় নতুন নতুন সৃষ্টি, আকাশে বাতাসে জলাশয়ে
চোখে গিয়ে থেমে থাকি
জিয়া সাঈদ চুলে তার নীলগিরি মেঘের বিভ্রম ওষ্ঠে তিলের ব্যঞ্জনা তবু কী যে আছে তার চোখে যখন যে ছকে তার
বাবা
রেজাউল করিম রোমেল এই যে আমি এইখানে খুঁজছি আমি সবখানে, খুঁজছি আমি খুঁজছি তোমায় বাবা তুমি কোনখানে। বাঁধা বিপত্তি মাথায়
প্রাণ যেন একা একা বিষাদ তিলক
মোশতাক আল মেহেদী আনন্দের কথা নেই সবখানে শোক, প্রাণ যেন একা একা বিষাদ



















