সর্বশেষ :
মোরেলগঞ্জ ছাত্রদল নেতার পক্ষে জমির মালিকদের মানববন্ধন পাইকগাছায় পাখি শিকার রোধে ‘বনবিবি’র প্রচারণামূলক বিলবোর্ড স্থাপন পাইকগাছায় বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস পালিত পাইকগাছার সোলাদানা খেয়াঘাট-বাজার সড়ক উদ্বোধন ; উপকূলে যোগাযোগে নতুন দিগন্ত দেশে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট সীমান্ত ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৩৬৩১ গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনাল আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানো হলো শিরীন শারমিন চৌধুরীকে হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি আরও হাজারো শিশু বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল এনএসসি, তামিমের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি
বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

‘রাহুল আনন্দের বাসায় আগুন দেওয়া হয়নি, লেগে গেছে’

প্রতিনিধি: / ২৩২ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৪

বিনোদন : গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা দেশত্যাগের পরই ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। তার ঠিক পাশের একটি বাড়িতে থাকতেন জলের গানের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও লিড ভোকালিস্ট সংগীত শিল্পী রাহুল আনন্দ। ওইসময় তার বাড়িতেও হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তদের সেই আগুনে পুড়ে যায় রাহুল আনন্দের নিজের হাতে বানানো তিন শতাধিক বাদ্যযন্ত্র। লুটপাট করা হয় এই সংগীতশিল্পীর বাড়ির মালামালও। বিষয়টি নিয়ে অনেকে অনেক রকম কথা ছড়াচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে কিছুটা হলেও জানা গেছে যখন ফ্যাশন হাউস খুঁতের অন্যতম স্বত্বাধিকারী ফারহানা হামিদ ‘জলের গানের’ (রাহুল আনন্দের ব্যান্ড) অফিশিয়াল পেজ থেকে একটি লেখা শেয়ার করেন। গত ৯ আগস্ট ফারহানা হামিদের পোস্টটি ‘জলের গানের’ (রাহুল আনন্দের ব্যান্ড) অফিশিয়াল পেজ থেকে শেয়ার করে লেখা হয়েছে, ‘প্লিজ, লেখাটা পড়ুন ও সত্যটা জানুন।’ ছাত্র-জনতার রক্তক্ষয়ী অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর দেশজুড়ে বিজয় মিছিল করেছে ছাত্র-জনতা। এদিন বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা ও আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। কিছুকিছু জায়গায় সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার খবরও এসেছে। এর মধ্যেই ‘জলের গান’-এর সংগীতশিল্পী, অভিনয়শিল্পী, বাদ্যযন্ত্রী রাহুল আনন্দ ও খুঁতের অন্যতম স্বত্বাধিকারী ও চিত্রশিল্পী ঊর্মিলা শুক্লার ধানমন্ডি ৩২-এর ভাড়া বাড়িতে আগুনের ঘটনাকে কলকাতা ও ঢাকার কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে ‘সা¤প্রদায়িক হামলা’ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তেমনটাই ছড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার আগুনের ঘটনার আদ্যোপান্ত তুলে ধরে ফ্যাশন ডিজাইনার ফারহানা হামিদ লিখেছেন, ‘রাহুল আনন্দের বাসা উদ্দেশ্য করে আগুন দেয়া, লুটপাট বা ভাঙচুর করা হয়নি। আগুন দেয়ার মূল উদ্দেশ্য ছিলো ৩২ এর বর্তমান বঙ্গবন্ধু মিউজিয়াম ও তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ।’ তিনি আরও লেখেন, ‘রাহুলদা একটা একতলা বাসায় ভাড়া থাকতেন। একপাশে তাদের সংসার, অন্য পাশে জলের গানের স্টুডিও (অনেকের ভিডিওতে এই বাসাটা নিয়ে ভুলভাল কথা বলতে দেখেছি আমি) সেই বাড়িটা ব্যক্তিমালিকানায় ছিল। ৩২-এর সেখানে আরও অনেক এমন বাসা আছে। রাহুলদা ও তার পরিবারের দুর্ভাগ্য এই মায়াময় বাসাটা নতুন মিউজিয়ামের দেয়াল ঘেষে এবং সান্তুরের পিছনে ছিল, তাই তার বাসাতেও আগুন দেয়া হয়।’ তার ভাষায়, ‘রাহুলদাকে উদ্দেশ্য করে আগুন দিলে তারা এই পরিবারকে এভাবে বের হয়ে যাওয়ার সুযোগ দিতো না। আর সুযোগ না দিলে সেই বাসা থেকে বের হওয়া অসম্ভব। রাহুলদার বাসায় আগুনের সাথে রাহুলদার ধর্ম, বর্ণ, জাত, সংস্কৃতি এর কোন সম্পর্ক নেই। তাই এমন গুজব না ছড়ানোর অনুরোধ করছি। দেশের এই পরিস্থিতিতে যে কোনো গুজব ভয়াবহ রুপ নিতে পারে।’
‘আমরা সচেতন হই। একটা সংসার, একটা দলের বহুদিনের সাধনা, একজন বাচ্চার শৈশব এর সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে। আর কারও কোনো কিছু পুড়ে না যাক। ভালোবাসা নেমে আসুক মানুষের মনে, আপনারা তাদের পাশে থাকলে আবার ‘জলের গান’-এর সাথে গলা মিলিয়ে গান গাইবো।’ ফারহানা হামিদের এই পোস্টের সত্যতা রাহুল আনন্দ ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই নিশ্চিত করেছে সংবাদ মাধ্যম। কারণ তারা চাইছেন, এই অগ্নিকাÐের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নতুন কোনো গুজব বা দাঙ্গার সৃষ্টি যেন না হয়।


এই বিভাগের আরো খবর