সর্বশেষ :
দেশে মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সিলেট সীমান্ত ৪৭তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ, উত্তীর্ণ ৩৬৩১ গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনাল আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর রিমান্ড ও জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে পাঠানো হলো শিরীন শারমিন চৌধুরীকে হাম ও হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় ১১ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি আরও হাজারো শিশু বিসিবির পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিল এনএসসি, তামিমের নেতৃত্বে অ্যাডহক কমিটি বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস উপলক্ষ্যে বাগেরহাটে  র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে তথ্য অধিকার ও জবাবদিহিতা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকটে সংবাদে ধীরগতি/ তথ্যপ্রবাহে শঙ্কা পাইকগাছায়  কুমখালীর  ভাঙন কবলিত বাঁধ মেরামতে কৃষকের স্বস্তি 
মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

গুম অধ্যাদেশ অপ্রয়োজনীয়, ট্রাইব্যুনাল আইনেই বিচার সম্ভব: চিফ প্রসিকিউটর

প্রতিনিধি: / ২ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৬

গুম সংক্রান্ত অপরাধের বিচারের জন্য আলাদা কোনো অধ্যাদেশ বা নতুন ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজন ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তার মতে, বিদ্যমান ট্রাইব্যুনাল আইনেই এ ধরনের অপরাধের বিচার করার পূর্ণ সুযোগ রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট করেন, গুম অধ্যাদেশে যে অপরাধগুলোর কথা বলা হয়েছিল, সেগুলো আগেই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের আওতায় অন্তর্ভুক্ত ছিল।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, “গুম অধ্যাদেশের আওতাধীন যে অপরাধটি ছিল, সেটি ইতোমধ্যেই ট্রাইব্যুনাল আইনে সংবিধিবদ্ধ ছিল। সেখানে নতুন করে আরেকটি আইন বা আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠনের প্রয়োজনীয়তা আমি দেখি না।”

তিনি আরও বলেন, “যদি গুম অধ্যাদেশ বাতিল করে ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত করা হয়ে থাকে, তাহলে এটি একটি সঠিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। এজন্য আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।”

প্রসঙ্গত, গুমের বিচারের পথ আরও সুগম করতে জাতীয় সংসদে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (সংশোধন) বিল ২০২৬’ পাস হয়েছে। সংশোধনের মাধ্যমে গুমকে ‘মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে বিলটি উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ায় বিচার প্রক্রিয়া আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে বিষয়টি যুক্ত হওয়ায় তদন্ত ও বিচার কার্যক্রম আরও সুসংহতভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

চিফ প্রসিকিউটরও মনে করেন, এই একীভূত উদ্যোগ বিচার প্রক্রিয়াকে সহজ করবে। তার ভাষায়, “ট্রাইব্যুনাল আইনের সঙ্গে একীভূত হওয়াটা ভালো কাজ হয়েছে। এটি সঠিক ও যথার্থ হয়েছে।”


এই বিভাগের আরো খবর