শিরোনাম :
চেনা মুখগুলো আর
জিয়া সাঈদ ঘোলাটে শহরে শিকারির চোখ দেখি সিঁড়ি খোঁজা পা দেখি কোথাও আর কোনো ধ্রুবের দৃষ্টান্ত দেখি না কোনো সংশপ্তক
একাকী জীবন একাকী সবার থাকা!
মোশতাক আল মেহেদী এখন এখানে সাদা কালো খুব মাখামাখি জানি না কখন রোদে ফর্সা হবে পুরণো ধাঁচেই মাঝেমধ্যে বলি অসুখে
আহারে মানুষ
জিয়া সাঈদ যেতে যেতে সামনের সারি ফাঁকা হতে থাকে পাশ থেকেও হঠাৎ কেউ পড়ে যায় খাদে সঙ্গীসাথী কাঁদে বিমূঢ় বিথান
ধূলা নিয়ে খেলা করে বায়ু
মোশতাক আল মেহেদী ধূলা নিয়ে খেলা করে বায়ু তাকে ছোটবেলা মনে করে দেখি আঁকিবুকি ছায়া এলোমেলো বালক বালিকা সব চখা
রাত্রি ভোর নির্জনতা
জিয়া সাঈদ নিজ্ঝুমে মৃত্যু এসে শুয়েছিল পাশে জেগে উঠে আর তাকে দেখছি না আলো বুঝি সহ্য হয় না তার শুধু
জীন্দা পীর
মাহফুজ রেজা নিয়ামতের এই মাসে পূণ্যের ডালা পূর্ণ কর, গরীব দুঃখীর কথা ভাবিস নিজের ভাবিস অতঃপর। পাপের বোঝা হবে খালি
সব মনে আছে
মোশতাক আল মেহেদী সব মনে আছে সুলেখা কালিতে লেখা জীবনের প্রথম অক্ষর, ভাসমান কর্কিনা মাছের সাথে প্রথম সাঁতার, তারপরে যুগল
গল্প; হরবোলা
সন্তোষ ঢালী ঘেউ ঘেউ ঘেউ, মিয়াঁও মিয়াঁও মিয়াঁও, কিঁউ কিঁউ কিঁউ কিচ্ কিচ্ চক্ এরকম ডাকাডাকির শব্দ। ডাক্তারের চেম্বারের সামনে
কবিতা; শিল্প ও বাস্তবতা
হুমায়ূন মালিক মা যখন হাসপাতালে যেত তখনো প্রতিবারই আমাকে বলে যেত অথচ যখন ও একেবারেই গেল তখন আমাকে যে কিছুই
গল্প; তিনি ও ভিখারি
জন সুমিত দেউরি চোখ থেকে চশমাটি নামিয়ে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকেন তিনি চশমার দিকে। তারপর পাঞ্জাবির পকেট থেকে নরম কাপড়টি বের



















