বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩২ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে ফিলিপাইনের আরও এক নাগরিক নিহত

প্রতিনিধি: / ২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৬

বিদেশ : মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধে ফিলিপাইনের আরও এক নাগরিক নিহত হয়েছে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছে দেশটি। ইসরাইলে বসবাসরত ওই ফিলিপাইনের নারীর বাড়িতে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে তিনি নিহত হন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। পররাষ্ট্র দপ্তর জানায়, গত রোববার বন্দরনগরী হাইফাতে ওই নারী তার ইসরাইলি স্বামী ও বৃদ্ধ শ্বশুর-শাশুড়ির সঙ্গে নিহত হন। তবে তাদের নাম প্রকাশ করা হয়নি। ইসরাইলের উদ্ধারকারী সংস্থা গতকাল সোমবার জানায়, আগের দিন ইরানের একটি ক্ষেপণাস্ত্র আবাসিক ভবনে আঘাত হানার পর ধ্বংসস্তূপ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমগুলো নিহত ফিলিপিনো নারীর নাম লুসিল-জিন বলে শনাক্ত করেছে এবং জানিয়েছে যে, কয়েক ঘণ্টার উদ্ধার অভিযানের পর তাকে ও তার পরিবারকে তাদের ধসে পড়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ‘তেল আবিবে অবস্থিত ফিলিপাইন দূতাবাস পরিবারকে বিষয়টি জানিয়েছে এবং এই অঞ্চলের বর্তমানে প্রতিকূল ভ্রমণ পরিস্থিতি সত্ত্বেও যত দ্রুত সম্ভব তার মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থাসহ সব ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করছে।’ ৩২ বছর বয়সী সেবিকা মেরি অ্যান ভেলাসকুয়েজ ডি ভেরা গত ১লা মার্চ তার বয়স্ক রোগীকে একটি ইসরাইলি আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার সময় নিহত হন। তিনি এই যুদ্ধের প্রথম ফিলিপিনো নিহত ব্যক্তি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলা শুরুর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যে বসবাসরত অন্তত ২০ লাখ ফিলিপিনো এই সংঘাতের ঝুঁকিতে পড়েছেন। এদের বেশিরভাগই প্রবাসী শ্রমিক, যারা দেশে থাকা পরিবারের জন্য প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ অর্থ পাঠান। অন্যদিকে, হাজার হাজার ফিলিপিনো নাবিক হরমুজ প্রণালি এলাকায় আটকা পড়েছেন এবং বর্তমানে প্রাণঘাতী এই জাহাজ চলাচলের পথটি দিয়ে নিরাপদ যাত্রার অপেক্ষায় আছেন, যেটিকে ইরান কার্যকরভাবে অবরুদ্ধ করে রেখেছে। ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ এখন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গত সপ্তাহে ফিলিপাইন জানায়, ইরান প্রতিশ্রুতি দিয়েছে যে ফিলিপাইনের পতাকাবাহী জাহাজ, জ্বালানি ও নাবিকদের জন্য এই নৌপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হবে। তবে এই ব্যবস্থাটি কবে থেকে কার্যকর হবে, তা স্পষ্ট করে বলা হয়নি। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ইরানের বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।


এই বিভাগের আরো খবর