Dhaka ০৩:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নিউক্যাসলের বিপক্ষেও অসহায় আত্মসমর্পণ ম্যানইউর

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৩৯ Time View
  • ৪৫তম মিনিটেই ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল নিউক্যাসল ইউনাইটেড। পরের ৪৫ মিনিটে ১০ জনের নিউক্যাসলকে হারানোর দারুণ সুযোগ ছিল ম্যানইউর সামনে। কিন্তু তা তো পারেইনি, উল্টো নিউক্যাসলের কাছে নাটকীয়ভাবে হেরে গেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বদলি হিসেবে নেমে ৯০ মিনিটে দুর্দান্ত কার্লিং শটে জয়সূচক গোল করে নায়ক বনে যান ডেনমার্কের ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড উইল ওসুলা। তার গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় পায় নিউক্যাসল, আর কোচ মাইকেল ক্যারিকের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেলো ইউনাইটেড। ২৯ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে ৩য় স্থানেই রইলো রেড ডেভিলরা। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে ১২তম স্থানে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। সেন্ট জেমস’ পার্কে ৫২ হাজার ১৮৪ দর্শকের সামনে ম্যাচটি ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। ৩০ বছর আগে একই দিনে এরিক ক্যান্টোনার গোলে নিউক্যাসলকে হারিয়ে শিরোপা দৌড়ে বড় ধাক্কা দিয়েছিল ম্যানইউ- সেই স্মৃতির দিনেই এবার উল্টো চিত্র দেখা গেল। প্রথমার্ধে দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় জ্যাকব র‌্যামসির লাল কার্ডে। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন নিউক্যাসলের এই ফুটবলার। রেফারি পিটার ব্যাংকস র‌্যামসিকে সিমুলেশনের অভিযোগে সতর্ক করেন, যা নিয়ে নিউক্যাসল শিবিরে ক্ষোভ ছিল। তবে ১০ জনে পরিণত হওয়ার পরও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ব্রুনো ফার্নান্দেসের ফাউলে পেনাল্টি পায় নিউক্যাসল, আর অ্যান্থনি গর্ডন শক্ত শটে বল জালে জড়ান; কিন্তু ব্যবধান বেশিক্ষণ থাকেনি। ফার্নান্দেসের ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো। দ্বিতীয়ার্ধে সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে চেয়েছিল ইউনাইটেড। তবে নিউক্যাসল রক্ষণে ছিল দৃঢ়। অ্যারন রামসডেল (এই ম্যাচে নিক পোপের বদলে একাদশে) কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ভরসা দেন। ৭৫ মিনিটে লেনি ইয়োরোর হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকান তিনি। বদলি জশুয়া জিরকজির শটও আঙুলের ডগায় ছুঁয়ে কর্নারে পাঠান। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আসে নাটকীয়তা। কিরণ ট্রিপিয়ারের লম্বা পাস ধরে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে যান ওসুলা। ডিফেন্ডার টাইলার মালাসিয়াকে কাটিয়ে ভেতরে ঢ়ুকে বাঁকানো শটে বল পাঠান জালে-গোলরক্ষক সেন ল্যামেন্সের কোনো সুযোগ ছিল না। ৯০ মিনিটের সেই গোলেই নিশ্চিত হয় নিউক্যাসলের জয়। এই জয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে হারাল নিউক্যাসল। অন্যদিকে ক্যারিকের অধীনে আট ম্যাচের অপরাজিত যাত্রা থেমে গেল। শিরোপা দৌড়ের হিসাব-নিকাশে এই হার ইউনাইটেডের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এল।
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

হরমুজ প্রণালি কেনো খোলা ‘সম্ভব নয়’, স্পষ্ট করল ইরান

নিউক্যাসলের বিপক্ষেও অসহায় আত্মসমর্পণ ম্যানইউর

Update Time : ১০:৪৫:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪৫তম মিনিটেই ১০ জনের দলে পরিণত হয়েছিল নিউক্যাসল ইউনাইটেড। পরের ৪৫ মিনিটে ১০ জনের নিউক্যাসলকে হারানোর দারুণ সুযোগ ছিল ম্যানইউর সামনে। কিন্তু তা তো পারেইনি, উল্টো নিউক্যাসলের কাছে নাটকীয়ভাবে হেরে গেলো ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড। বদলি হিসেবে নেমে ৯০ মিনিটে দুর্দান্ত কার্লিং শটে জয়সূচক গোল করে নায়ক বনে যান ডেনমার্কের ২২ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড উইল ওসুলা। তার গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় পায় নিউক্যাসল, আর কোচ মাইকেল ক্যারিকের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেলো ইউনাইটেড। ২৯ ম্যাচে ৫১ পয়েন্ট নিয়ে ৩য় স্থানেই রইলো রেড ডেভিলরা। ৩৯ পয়েন্ট নিয়ে ১২তম স্থানে নিউক্যাসল ইউনাইটেড। সেন্ট জেমস’ পার্কে ৫২ হাজার ১৮৪ দর্শকের সামনে ম্যাচটি ছিল দারুণ উত্তেজনাপূর্ণ। ৩০ বছর আগে একই দিনে এরিক ক্যান্টোনার গোলে নিউক্যাসলকে হারিয়ে শিরোপা দৌড়ে বড় ধাক্কা দিয়েছিল ম্যানইউ- সেই স্মৃতির দিনেই এবার উল্টো চিত্র দেখা গেল। প্রথমার্ধে দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ম্যাচের মোড় ঘুরে যায় জ্যাকব র‌্যামসির লাল কার্ডে। দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়েন নিউক্যাসলের এই ফুটবলার। রেফারি পিটার ব্যাংকস র‌্যামসিকে সিমুলেশনের অভিযোগে সতর্ক করেন, যা নিয়ে নিউক্যাসল শিবিরে ক্ষোভ ছিল। তবে ১০ জনে পরিণত হওয়ার পরও প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ব্রুনো ফার্নান্দেসের ফাউলে পেনাল্টি পায় নিউক্যাসল, আর অ্যান্থনি গর্ডন শক্ত শটে বল জালে জড়ান; কিন্তু ব্যবধান বেশিক্ষণ থাকেনি। ফার্নান্দেসের ফ্রি-কিক থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান ক্যাসেমিরো। দ্বিতীয়ার্ধে সংখ্যাগত সুবিধা কাজে লাগাতে চেয়েছিল ইউনাইটেড। তবে নিউক্যাসল রক্ষণে ছিল দৃঢ়। অ্যারন রামসডেল (এই ম্যাচে নিক পোপের বদলে একাদশে) কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ভরসা দেন। ৭৫ মিনিটে লেনি ইয়োরোর হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকান তিনি। বদলি জশুয়া জিরকজির শটও আঙুলের ডগায় ছুঁয়ে কর্নারে পাঠান। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আসে নাটকীয়তা। কিরণ ট্রিপিয়ারের লম্বা পাস ধরে ডান দিক দিয়ে এগিয়ে যান ওসুলা। ডিফেন্ডার টাইলার মালাসিয়াকে কাটিয়ে ভেতরে ঢ়ুকে বাঁকানো শটে বল পাঠান জালে-গোলরক্ষক সেন ল্যামেন্সের কোনো সুযোগ ছিল না। ৯০ মিনিটের সেই গোলেই নিশ্চিত হয় নিউক্যাসলের জয়। এই জয়ে টানা চতুর্থবারের মতো ঘরের মাঠে ইউনাইটেডকে হারাল নিউক্যাসল। অন্যদিকে ক্যারিকের অধীনে আট ম্যাচের অপরাজিত যাত্রা থেমে গেল। শিরোপা দৌড়ের হিসাব-নিকাশে এই হার ইউনাইটেডের জন্য বড় ধাক্কা হয়ে এল।