বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

২০২৫ যাদের হারিয়েছে বিশ্ব

প্রতিনিধি: / ৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ : বিশ্বজুড়ে বহু বরেণ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তির চিরবিদায়ের বছর হয়ে থাকবে ২০২৫ সাল। মানুষগুলো চলে গেলেও তাদের কাজ ও সৃষ্টিশীলতা বেঁচে থাকবে। বিশ্বজুড়ে অনেক বরেণ্য ও প্রভাবশালী ব্যক্তির চিরবিদায়ের বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে ২০২৫ সাল। ধর্মগুরু, অস্কারজয়ী অভিনেতা, নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী ও লেখক থেকে শুরু করে ক্রীড়া ও সংগীত তারকা, অনেকেই এ বছর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন।

ধর্মগুরু : পোপ ফ্রান্সিস (৮৮): গত ২১ এপ্রিলে ভ্যাটিকানে মারা যান ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের প্রথম লাতিন আমেরিকান পোপ ফ্রান্সিস। ২৬ এপ্রিলে তার শেষকৃত্যে যোগ দিয়েছিল আড়াই লাখের বেশি মানুষ। গির্জার উদারনৈতিক সংষ্কারের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।
আগা খান (৮৮): গত ৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান ইসমাইলি মুসলিমদের বংশপরম্পরায় চতুর্থ আধ্যাত্মিক নেতা করিম আল হুসাইনি। ধনকুবের ও সমাজসেবী হিসেবে করিম আগা খান বা চতুর্থ আগা খান ছিলেন বিখ্যাত। মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে পশ্চিমা সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটাতে তিনি কাজ করেছিলেন। বিশ্বে স্থাপত্যের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ‘আগা খান অ্যাওয়ার্ড ফর আর্কিটেকচার’এর সূচনাও করেছিলেন তিনি।
বিজ্ঞান ও পরিবেশ: জেন গুডঅল (৯১): অক্টোবর মাসের প্রথম দিন মারা যান বিশ্বখ্যাত এই শিম্পাঞ্জি বিশেষজ্ঞ ও পরিবেশবাদী। এক নাগাড়ে ৫৫ বছরের বেশি সময় ধরে বন্য শিম্পাঞ্জির সামাজিক ও পারিবারিক প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি গবেষণা করেছিলেন। তিনি একাধারে ‘জেন গুডঅল ইন্সটিটিউট’ এবং ‘দ্য রূটস অ্যান্ড সুটস’ এর প্রতিষ্ঠাতাও ছিলেন।
জেমস ওয়াটসন (৯৭): যুক্তরাষ্ট্রের এই নোবেলজয়ী বিজ্ঞানী এ বছর ৬ নভেম্বর মারা গেছেন। ডিএনএ- এর ডাবল-হেলিঙ্ কাঠামো আবিষ্কার করা বিজ্ঞানীদের অন্যতম ছিলেন তিনি। ডিএনএ- এর গঠন নিয়ে জেমস ওয়াটসনের যৌথ আবিষ্কার তাকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয়। ১৯৬২ সালে মরিস উইলকিন্স ও ফ্রান্সিস ক্রিকের সঙ্গে চিকিৎসাবিজ্ঞানে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন তিনি।
সিনেমা ও বিনোদন: রবার্ট রেডফোর্ড (৮৯): হলিউডের প্রবাদপ্রতীম এই অভিনেতা ও পরিচালক ১৬ সেপ্টেম্বর ৮৯ বছর বয়সে তার উটাহর বাড়িতে মারা যান।
ডায়ান কিটন (৭৯): ‘দ্য গডফাদার’ ও ‘অ্যানি হল’ খ্যাত এই অভিনেত্রী গত ১১ অক্টোবরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। নিউ হলিউড আন্দোলনে তিনি খ্যাতি অর্জন করেছিলেন।
ব্রিজিত বার্দো (৯১): ফরাসি চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেত্রী ব্রিজিত বার্দো ২৮ নভেম্বর চিরবিদায় নেন। এলোমেলো চুল, দুর্দমনীয় উপস্থিতি আর তীব্র সম্মোহনী শক্তিতে তিনি যৌন আবেদনকে পর্দায় তুলে ধরেন, যেমনটা মূলধারার সিনেমায় আগে খুব কম দেখা গেছে। আর এর মধ্য দিয়েই হয়ে ওঠেন বৈশ্বিক আইকন।
জিন হ্যাকম্যান (৯৫): ১৮ ফেব্রুয়ারি নিজের বাড়িতে মারা যান তারকা জিন হ্যাকম্যান। হুসিয়ার্স, দ্য ফ্রেঞ্চ কানেকশন, সুপারম্যান এবং দ্য রয়েল টেনেনবামস-এ কাজের জন্য জনপ্রিয় হ্যাকম্যান দুইবারের অস্কার বিজয়ী অভিনেতা ছিলেন।
ডেভিড লিঞ্চ (৭৮): ১৫ জানুয়ারিতে মারা যান প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ডেভিড লিঞ্চ। তার চলচ্চিত্র নির্মাণ শৈলীকে প্রায়শই পরাবাস্তববাদী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
ভ্যাল কিলমার (৬৫): দীর্ঘদিন কণ্ঠনালীর ক্যান্সারের সঙ্গে লড়ে ১ এপ্রিলে নিউমোনিয়ায় মারা যান এই মার্কিন অভিনেতা। লস অ্যাঞ্জেলেসে নিজের বাড়িতে ঘুমন্ত অবস্থায় মারা গিয়েছিলেন তিনি।
ক্লডিয়া কার্ডিনাল (৮৭): বিখ্যাত ইতালীয় অভিনেত্রী, যিনি ১৯৬০-এর দশকে বিশ্বজুড়ে খ্যাতি অর্জন করেছিলেন এবং ইতালীয় সিনেমার অন্যতম প্রধান তারকা হিসেবে বিবেচিত। গত ২৩ সেপ্টেম্বরে তিনি মারা যান।
ক্রীড়া : জর্জ ফোরম্যান (৭৬): সাবেক হেভিওয়েট বঙ্ংি চ্যাম্পিয়ন ও ‘রাম্বল ইন দ্য জাঙ্গল’ লড়াইয়ের লিজেন্ড এ বছর ২১ মার্চ মারা যান। ফোরম্যান ১৯৬৭ থেকে ১৯৯৭ সালের মধ্যে বঙ্ংিয়ে প্রতিযোগিতা করেছিলেন এবং ‘বিগ জর্জ’ ডাকনাম পেয়েছিলেন। তিনি দুইবারের বিশ্ব হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন এবং অলিম্পিক স্বর্ণপদক বিজয়ী ছিলেন।
হাল্ক হোগান (৭১): পেশাদার রেসলিংয়ের আইকন হাল্ক হোগান ২৪ জুলাইয়ে মারা যান। যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় জন্ম হলেও বেড়ে উঠেছিলেন ফ্লোরিডায়। পেশাদার রেসলিংকে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় করে তোলার অন্যতম কারিগরদের একজন ছিলেন এই হাল্ক হোগান।
দিয়োগো জোতা (২৮): লিভারপুলের এই পর্তুগিজ ফুটবল তারকা ৩ জুলাই মাসে এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। ২০২০ সালে উলভারহ্যাম্পটন থেকে লিভারপুলে যোগ দিয়েছিলেন জোতা। আর সমপ্রতি পর্তুগালের হয়ে উয়েফা নেশন্স লিগ জিতেছিলেন তিনি।
ফেলিঙ্ বামগার্টনার (৫৬): ২০১২ সালে মহাকাশের প্রান্ত থেকে লাফ দিয়ে বিশ্ব রেকর্ড গড়া অস্ট্রিয়ান এই দুঃসাহসী অ্যাথলেট এবছর ১৭ জুলাইয়ে ইতালিতে এক প্যারাগ্লাইডিং দুর্ঘটনায় নিহত হন।
সাহিত্য ও সংস্কৃতি : মারিও ভার্গাস য়োসা (৮৯): সাহিত্যে নোবেলজয়ী পেরুভিয়ান এই লেখক ১৩ এপ্রিলে মারা যান। শীর্ষস্থানীয় লেখক এবং ল্যাটিন আমেরিকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঔপন্যাসিক ও প্রাবন্ধিক, ভার্গাস য়োসা সাহিত্য সমালোচনা এবং সাংবাদিকতা সহ বিভিন্ন সাহিত্য ধারায় লিখতেন।
ঙ্গোগে ওয়া থিয়ঙ’অ (৮৭): কেনিয়ার বরেণ্য এই লেখক ও চিন্তাবিদও এ বছর ২৮ মে পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি ছিলেন আদিবাসী আফ্রিকান ভাষায় সাহিত্যচর্চা করা বিরল লেখকদের একজন। উপনিবেশবাদের জটিল উত্তরাধিকার নিয়ে প্রবন্ধ, নাটক ও উপন্যাস লিখেছিলেন তিনি।
ফ্রেডরিক ফরসাইথ (৮৬): ‘দ্য ডে অফ দ্য জ্যাকেল’ খ্যাত থ্রিলার লেখক ফ্রেডরিক ফরসাইথ এ বছর ৯ জুন মারা যান। তিনি ছিলেন বিখ্যাত ব্রিটিশ থ্রিলার লেখক; পাশাপাশি সাংবাদিক ও বিমান বাহিনীর সাবেক পাইলট, যিনি তার বাস্তবভিত্তিক ও রাজনৈতিক থ্রিলারের জন্য পরিচিত।
ওজি অসবোর্ন (৭৬): গত ২২ জুলাইয়ে যুক্তরাজ্যের বার্মিংহামে মারা যান ইংরেজ গায়ক, গীতিকার ওজি অসবোর্ন। বিখ্যাত ব্যান্ড ব্ল্যাক সাবাথের প্রধান কণ্ঠশিল্পী হিসেবে অসবোর্ন জন্ম দিয়েছিলেন হেভি মেটাল ঘরানার ‘আয়রন ম্যান’ ও ‘প্যারানয়েড’-এর মত গানের।
ব্রায়ান উইলসন (৮২): ‘বিচ বয়েজ’ ব্যান্ডের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও কিংবদন্তি আমেরিকান সংগীতজ্ঞ ও গায়ক ব্রায়ান উইলসন ১১ জুন মারা যান। ব্যান্ডের মূল সৃজনশীল শক্তি হিসেবে তিনি কাজ করেছিলেন। জটিল সুর, ভোকাল হারমোনি এবং গভীর থিমের জন্য উইলসন পরিচিত।
রবার্টা ফ্ল্যাক (৮৮): সত্তরের দশকে জনপ্রিয় পপতারকা, গ্র্যামি বিজয়ী গায়িকা রবার্টা ফ্ল্যাক ২৪ ফেব্রুয়ারি মারা যান। ‘কিলিং মি সফটলি উইথ হিজ সং’ গানটির জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেনন রবার্টা।
ফ্যাশন ও ব্যবসা : জর্জো আরমানি (৯১): ইতালির কিংবদন্তী ফ্যাশন ডিজাইনার জর্জো আরমানি গত ৪ সেপ্টেম্বরে মিলানে মারা যান। তার প্রয়াণে ফ্যাশন জগতে এক যুগের অবসান ঘটে। আরমানি তার স্বতন্ত্র শৈলীর জন্য পরিচিত ছিলেন। মার্জিত পোশাক, আধুনিক নকশা এবং উচ্চ-মানের উপকরণ ব্যবহারের জন্য তিনি পরিচিত।
ফ্রেডেরিক স্মিথ (৮০): তিনি একজন আমেরিকান ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারী ছিলেন। বিশ্বের বৃহত্তম এঙ্প্রেস পরিবহন সংস্থা ফেডেঙ্ কর্পোরেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং চেয়ারম্যান ছিলেন ফ্রেডরিক। গত ২১ জুনে তিনি মারা যান।
রাজনীতি: ডিক চেনি (৮৪): যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং ২০০৩ সালের ইরাক আক্রমণের অন্যতম মূল পরিকল্পনাকারী ডিক চেনি গত ৪ নভেম্বরে মারা যান। ২০০১ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত দুই মেয়াদে তৎকালীন রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের অধীনে চেনি দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
চার্লি কার্ক (৩১): তরুণ ভোটাদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের ভিত্তি তৈরিতে ভূমিকা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী ডানপন্থি রাজনৈতিক এই ব্যক্তিত্ব গত ১০ সেপ্টেম্বরে আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। তার হত্যাকাণ্ড ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল।
জ্যঁ-মারি লে পেন (৯৬): ফ্রান্সের উগ্র ডানপন্থি ন্যাশনাল ফ্রন্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা লে পেন গত ৭ জানুয়ারিতে মারা যান। তিনি একজন ফরাসি রাজনীতিবিদ, আইনজীবী এবং কর্মী ছিলেন। তিনি হলোকাস্ট বিরোধী ছিলেন। তাছাড়া জাতি, লিঙ্গ এবং অভিবাসন বিষয়ে তিনি রক্ষণশীল হিসাবে পরিচিত ছিলেন।
মুহাম্মাদু বুহারি (৮২): নাইজেরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট মুহাম্মাদু বুহারি লন্ডনের একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৩ জুলাই মৃত্যুবরণ করেন। ২০১৫ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত টানা দুই মেয়াদে তিনি নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
রাইলা ওডিঙ্গা (৮০): কেনিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাইলা ওডিঙ্গা ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে ১৫ অক্টোবরে মারা গেছেন। গণতন্ত্র এবং মানবাধিকার রক্ষায় জীবনের শেষ পর্যন্ত তিনি লড়ে গিয়েছিলেন। পশ্চিম কেনিয়ার মানুষের কাছে বিশেষভাবে জনপ্রিয় ছিলেন।
হোসে মুজিকা (৮৯): বিশ্বের ‘সবচেয়ে গরিব প্রেসিডেন্ট’ খ্যাত হোসে মুজিকা এ বছর ১৩ মে মারা যান। ২০১০ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত উরুগুয়ে শাসন করা হোসে মুজিকা তার পরিমিত জীবনযাপনের কারণে বিশ্বের সবচেয়ে ‘গরিব প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
অয়ন ইলিস্কু (৯৫): রোমানিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইলিস্কু, যিনি দেশটির কমিউনিজম পরবর্তী রূপান্তরের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। গত ৫ অগাস্টে তিনি মারা যান। রোমানিয়ার গণতন্ত্রে উত্তরণের পর দেশটির প্রথম ও তৃতীয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন ইলিস্কু।
ভায়োলেটা ব্যারিওস টরেস ডি চামোরো (৯৫): নিকারাগুয়ার প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট চামোরো এ বছর ১৪ জুন মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ছিলেন নিকারাগুয়ার প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং সাংবাদিক। প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
খালেদা জিয়া (৭৯): বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মারা যান ৩০ ডিসেম্বর। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ‘আপসহীন নেত্রী’ হয়ে ওঠা খালেদা জিয়া চার দশকের বেশি সময় বাংলাদেশের অন্যতম বড় দল বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন, তিন দফায় দশ বছরের বেশি সময় দেশ শাসন করেছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের একজন তিনি।
গণমাধ্যমকর্মী : হুসাম আল মাসরি (৪৯): ২৫ অগাস্ট গাজায় ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এই সাংবাদিক। লাইভ ভিডিও সমপ্রচার চালানোর সময় তিনি হামলার শিকার হন। সহকর্মীদের মতে, গাজার পরিস্থিতি বিশ্বকে জানাতে হুসাম ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ, সাহসী ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
অ্যান্টনি গ্রে (৮৭): সাবেক রয়টার্স প্রতিনিধি অ্যান্টনি গ্রে, যিনি ষাটের দশকে চীনে দুই বছরের বেশি সময় বন্দি ছিলেন, এ বছর ৩১ অক্টোবর তিনি মারা যান। রয়টার্সের একজন সংবাদদাতা হিসেবে তিনি বিশ্বে চীনের বিচ্ছিন্নতা এবং এর সাংস্কৃতিক বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট বিদেশি-বিরোধী উগ্রতার প্রতীক হয়ে উঠেছিলেন।
রুথ ওয়েইস (১০১): জার্মান বংশোদ্ভূত প্রখ্যাত সাংবাদিক ও বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনকর্মী রুথ ওয়েইস ৫ সেপ্টেম্বর ১০১ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি জার্মান ও ইংরেজি উভয় ভাষাতেই লিখতেন এবং দ্য গার্ডিয়ানের মতো সংবাদমাধ্যমে কাজ করেছিলেন।


এই বিভাগের আরো খবর