সর্বশেষ :
ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি তিন শিশুসহ নিহত ৯, আহত ৩১ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন পতাকাবাহী ট্যাংকারকে ধাওয়া দিলো ইরান ব্রাজিলে ধর্মীয় উৎসব থেকে ফেরার পথে বাস দুর্ঘটনায় নিহত ১৬ কোরিয়ান গেমে আসক্ত: নবম তলা থেকে একে একে লাফিয়ে পড়লো তিন বোন গ্রিস উপকূলে নৌকা ও জাহাজের সংঘর্ষ, ১৫ অভিবাসীর মৃত্যু সৌদি আরবে ৩ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি করছে যুক্তরাষ্ট্র তিন দিনের যুদ্ধ শেষে বেলুচিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী লাগাতার কর্মবিরতিতে অচল চট্টগ্রাম বন্দর, বাড়ছে উদ্বেগ আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলা: সাবেক এমপি সাইফুলসহ ছয়জনের মৃত্যুদণ্ড ২০ ফেব্রুয়ারি শুরু হচ্ছে অমর একুশে বইমেলা
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

বাংলা গানে কণ্ঠ দিলেন ফাতেহ আলী খান

প্রতিনিধি: / ১৩৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: শনিবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

বিশ্বখ্যাত পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী ওস্তাদ রাহাত ফতেহ আলী খান। হৃদয়স্পর্শী কণ্ঠের জন্য বিশ্বজুড়ে সমাদৃত। প্রথমবারের মত বাংলা গানে কণ্ঠ দিয়ে বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের মন জয় করে নিয়েছেন। এই অপ্রত্যাশিত চমক দুই দেশের সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে। বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী রুবাইয়াত জাহানের সঙ্গে জুটি বেঁধে রাহাত ফতেহ আলী খান গেয়েছেন ‘তুমি আমার প্রেম পিয়াসা’ শিরোনামের একটি দ্বৈত গান। এর সুর ও সংগীত করেছেন পাকিস্তানের বিখ্যাত সংগীত পরিচালক রাজা কাশেফ। মূলত তারই অনুপ্রেরণায় এই চ্যালেঞ্জিং কাজটি হাতে নেন রাহাত। গানটি প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শ্রোতারা রাহাতের উচ্চারণশুদ্ধি এবং গানে তার আবেগ প্রকাশের গভীরতায় মুগ্ধ। বিশেষ করে গানের একটি লাইন, ‘এলে তুমি মনের গভীরে, জানবে তোমার আমি কে’, ভক্তদের মাঝে দারুণ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। অনেকেই মন্তব্য করেছেন, রাহাতকে দেখে মনেই হচ্ছিল না তিনি একজন বিদেশি শিল্পী; বরং একজন দক্ষ বাংলাদেশি কণ্ঠশিল্পীর মতোই শোনাচ্ছিল তাকে। পাকিন্তানি গণমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগীত পরিচালক রাজা কাশেফ বলেন, ‘আশা ভোঁসলে এবং আদনান সামির মতো কিংবদন্তিদের সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে, কিন্তু রাহাতের এই পরিবেশনা সত্যিই অসাধারণ এক ছাপ রেখে গেছে। তার মূল্যবান গায়কী আমার এবং পৃথিবীর সব সংগীতপ্রেমীর ওপর এক অসাধারণ প্রভাব ফেলেছে।’ রুবাইয়াত জাহান জানান, রাহাত ফতেহ আলী খান গানটি নিখুঁতভাবে গাওয়ার জন্য বাংলা গানটি উর্দু লিপিতে লিখে নিয়েছিলেন এবং বহুবার অনুশীলন করেন। রুবাইয়াত বলেন, ‘তার মত একজন কিংবদন্তির সঙ্গে গান গাইতে পারা আমার জন্য সত্যিই অনেক বড় সম্মানের।’ প্রসঙ্গত, এই যুগলবন্দী শুধু একটি গান নয়, বরং দক্ষিণ এশীয় সংগীতের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এটি পাকিস্তানের সমৃদ্ধ কাওয়ালি ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের সুরের গভীরতাকে এক সুরে গেঁথে দুই দেশের শিল্প ও সংস্কৃতিতে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।


এই বিভাগের আরো খবর