Dhaka ০৮:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গ্রিস উপকূলে নৌকা ও জাহাজের সংঘর্ষ, ১৫ অভিবাসীর মৃত্যু

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫০ Time View

বিদেশ : গ্রিসের এজিয়ান সাগরে উপকূলরক্ষী বাহিনীর (কোস্টগার্ড) একটি জাহাজের সঙ্গে অভিবাসীবাহী নৌকার সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার তুরস্কের উপকূলের কাছে চিওস দ্বীপের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রিসের কোস্টগার্ড জানায়, তারা একটি অভিবাসীবাহী নৌকাকে তুরস্কের দিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু পাচারকারীরা নৌকাটি নিয়ে কোস্টগার্ডের জাহাজের দিকে চলে আসায় এই সংঘর্ষ ঘটে। ২৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পরে একজন নারী মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নৌকাটিতে অন্তত ৩৫ জন আরোহী ছিলেন। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। এই ঘটনায় কোস্টগার্ডের দুই সদস্যও আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে আসা শরণার্থীরা প্রায়ই গ্রিস হয়ে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে সামপ্রতিক বছরগুলোতে গ্রিস সরকার তাদের সীমান্তে পাহারা অনেক বাড়িয়েছে। অভিবাসীদের সঙ্গে গ্রিক কোস্টগার্ডের আচরণ নিয়ে এর আগেও অনেক বিতর্ক ও তদন্ত হয়েছে। ২০২৩ সালেও একটি বড় জাহাজডুবিতে শত শত অভিবাসী মারা গিয়েছিলেন, যেখানে কোস্টগার্ডের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
সূত্র : রয়টার্স

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

গ্রিস উপকূলে নৌকা ও জাহাজের সংঘর্ষ, ১৫ অভিবাসীর মৃত্যু

Update Time : ১২:১৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : গ্রিসের এজিয়ান সাগরে উপকূলরক্ষী বাহিনীর (কোস্টগার্ড) একটি জাহাজের সঙ্গে অভিবাসীবাহী নৌকার সংঘর্ষে অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। গত মঙ্গলবার তুরস্কের উপকূলের কাছে চিওস দ্বীপের কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। গ্রিসের কোস্টগার্ড জানায়, তারা একটি অভিবাসীবাহী নৌকাকে তুরস্কের দিকে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু পাচারকারীরা নৌকাটি নিয়ে কোস্টগার্ডের জাহাজের দিকে চলে আসায় এই সংঘর্ষ ঘটে। ২৫ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হলেও পরে একজন নারী মারা যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, নৌকাটিতে অন্তত ৩৫ জন আরোহী ছিলেন। নিখোঁজদের সন্ধানে এখনো উদ্ধার অভিযান চলছে। এই ঘটনায় কোস্টগার্ডের দুই সদস্যও আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকা থেকে আসা শরণার্থীরা প্রায়ই গ্রিস হয়ে ইউরোপে ঢোকার চেষ্টা করেন। তবে সামপ্রতিক বছরগুলোতে গ্রিস সরকার তাদের সীমান্তে পাহারা অনেক বাড়িয়েছে। অভিবাসীদের সঙ্গে গ্রিক কোস্টগার্ডের আচরণ নিয়ে এর আগেও অনেক বিতর্ক ও তদন্ত হয়েছে। ২০২৩ সালেও একটি বড় জাহাজডুবিতে শত শত অভিবাসী মারা গিয়েছিলেন, যেখানে কোস্টগার্ডের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।
সূত্র : রয়টার্স