Dhaka ০৭:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি তিন শিশুসহ নিহত ৯, আহত ৩১

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৮৭ Time View

বিদেশ : গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তিনজন শিশুসহ মোট নয়জন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর তারা হামলা চালিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। গত মাসে মার্কিন-মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় ধাপ শুরু হলেও গাজা উপত্যকায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইল এবং হামাস একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করছে। গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করার কয়েকদিন পর সর্বশেষ রক্তপাত ঘটে। এটি গাজাবাসীদের জন্য একমাত্র বাহির হওয়ার পথ যা ইসরাইলের মধ্য দিয়ে যায় না। হামাস কর্তৃপক্ষের অধীনে উদ্ধারকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করা বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলায় নয়জন নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে ৩১ জন আহত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ খান ইউনিস এলাকায় তাঁবু এবং বাড়িঘরে ইসরাইলি হামলার পর তিন জনের মৃতদেহ নাসের হাসপাতালে আনা হয়েছে। গাজা শহরের বৃহত্তম নগর কেন্দ্র গাজা শহরে একই ধরণের হামলার পর আরও ছয় জনের মৃতদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীরা সেনাদের ওপর গুলি চালানোর’ পর তারা হামলা চালিয়েছে, এতে একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে মনে করছে। তারা বলেছে, তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ এর কাছে সৈন্যরা আক্রমণের শিকার হয়েছে, যার ওপারে গাজায় ইসরাইলি বাহিনী অবস্থান করছে। যুদ্ধবিরতি বারবার রক্তপাতের রক্তপাতের মাধ্যমে কলুষিত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫২৩ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে একই সময়ে তাদের চারজন সৈন্য নিহত হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গত শনিবার ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ দিনগুলোর মধ্যে একটি। ওই দিন ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছে, যা সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী হামাসের অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে চালানো হয়। গাজায় গণমাধ্যমের বিধিনিষেধ এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এএফপি স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করতে বা অবাধে যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে পারছে না।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি তিন শিশুসহ নিহত ৯, আহত ৩১

Update Time : ১২:১৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদেশ : গাজার বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গতকাল বুধবার ইসরাইলি বিমান হামলায় ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে তিনজন শিশুসহ মোট নয়জন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের সৈন্যদের লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর তারা হামলা চালিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। গত মাসে মার্কিন-মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি দ্বিতীয় ধাপ শুরু হলেও গাজা উপত্যকায় সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইল এবং হামাস একে অপরকে চুক্তি লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করছে। গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফাহ ক্রসিং পুনরায় চালু করার কয়েকদিন পর সর্বশেষ রক্তপাত ঘটে। এটি গাজাবাসীদের জন্য একমাত্র বাহির হওয়ার পথ যা ইসরাইলের মধ্য দিয়ে যায় না। হামাস কর্তৃপক্ষের অধীনে উদ্ধারকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করা বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, ইসরাইলের ধারাবাহিক হামলায় নয়জন নিহত হয়েছে এবং কমপক্ষে ৩১ জন আহত হয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ খান ইউনিস এলাকায় তাঁবু এবং বাড়িঘরে ইসরাইলি হামলার পর তিন জনের মৃতদেহ নাসের হাসপাতালে আনা হয়েছে। গাজা শহরের বৃহত্তম নগর কেন্দ্র গাজা শহরে একই ধরণের হামলার পর আরও ছয় জনের মৃতদেহ আল-শিফা হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ‘সন্ত্রাসীরা সেনাদের ওপর গুলি চালানোর’ পর তারা হামলা চালিয়েছে, এতে একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হন। সেনাবাহিনী আরও বলেছে, তারা এই ঘটনাকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন বলে মনে করছে। তারা বলেছে, তথাকথিত ‘ইয়েলো লাইন’ এর কাছে সৈন্যরা আক্রমণের শিকার হয়েছে, যার ওপারে গাজায় ইসরাইলি বাহিনী অবস্থান করছে। যুদ্ধবিরতি বারবার রক্তপাতের রক্তপাতের মাধ্যমে কলুষিত হয়েছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১০ অক্টোবর কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৫২৩ জন নিহত হয়েছে। অন্যদিকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে একই সময়ে তাদের চারজন সৈন্য নিহত হয়েছে। বেসামরিক প্রতিরক্ষা সংস্থা জানিয়েছে, গত শনিবার ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ দিনগুলোর মধ্যে একটি। ওই দিন ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৩২ জন নিহত হয়েছে, যা সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী হামাসের অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘনের জবাবে চালানো হয়। গাজায় গণমাধ্যমের বিধিনিষেধ এবং সীমিত প্রবেশাধিকারের কারণে এএফপি স্বাধীনভাবে হতাহতের সংখ্যা যাচাই করতে বা অবাধে যুদ্ধের খবর সংগ্রহ করতে পারছে না।