1. admin@dakshinanchal24.com : admin@dakshinanchal24.com :
বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন

সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক চুক্তি নিয়ে ইরানের প্রতিক্রিয়া

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
🖼️ ফটো কার্ড তৈরি করুন

বিদেশ: সৌদি-পাকিস্তান-তুরস্ক চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটি বলছে, গত সপ্তাহে স্বাক্ষরিত এ চুক্তিকে অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের লক্ষণ হিসেবে দেখা হচ্ছে। গতকাল সোমবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েলের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, গত সপ্তাহে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি এই অঞ্চলের দেশগুলোর দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তনের একটি লক্ষণ। সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই বলেন, এই অঞ্চলের দেশগুলো উপলব্ধি করেছে যে নিরাপত্তা কোনো পণ্য নয়। এটি কোনো ভুয়া দালালের কাছ থেকে কেনার মতো বিষয় নয়। বাঘেই বলেছেন, নিরাপত্তা চুক্তিটি তেহরানকে লক্ষ্য করে করা হয়েছে বলে ইরানের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি বলেন, এই অঞ্চলের ভূ-রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা যেকোনো পরিকল্পনা নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং জায়নবাদী শত্রু ও তার মিত্রদের দ্বারা সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা ও অপব্যবহার প্রতিরোধে সাহায্য করার সম্ভাবনা রাখে। এর আগে গত শুক্রবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ‘মক্কা চুক্তি’তে স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিনটি দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা সবগুলোর ওপর হামলা হিসেবে গণ্য হবে। তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সিকে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, ‘আমরা লিখিতভাবে কোনো যৌথ হুমকি নির্ধারণ করিনি। যে দেশগুলো স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর ওপর হামলা চালাবে না, তাদের লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করা হবে না।’ ফিদান এই চুক্তিকে ন্যাটোর ৫ নম্বর অনুচ্ছেদের সম্মিলিত প্রতিরক্ষা ধারার সঙ্গে ‘কৌশলগতভাবে’ সাদৃশ্যপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছেন। এ ধারার অধীনে কোনো একজন সদস্যের ওপর হামলাকে সব সদস্যের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়। তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেকোনো হামলার প্রতিক্রিয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। তিনি বলেন, আক্রমণের শিকার কোনো দেশকে সহায়তার জন্য অনুরোধ করতে হবে এবং কী ধরনের সহায়তা প্রয়োজন, তা নির্দিষ্ট করে জানাতে হবে। এর মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য ও রসদ সরবরাহ থেকে শুরু করে গোলাবারুদ বা সামরিক ইউনিট মোতায়েন পর্যন্ত অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আরো খবর দেখুন
© All rights reserved © 2018
Design By BDit.com.bd