Dhaka ১২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিকেলের নাস্তায় সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ৫ খাবার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:০২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২২৮ Time View

দুপুর আর রাতের খাবারের মধ্যে সময়ের ব্যবধানটা একটু বেশিই হয়ে যায়। যে কারণে বিকেল না গড়াতেই ক্ষুধা অনুভব হতে থাকে। সকাল থেকে খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকলেও, এই সময়ে এসে নিজেকে সামলে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ক্ষুধা কাছে পরাজিত হয়ে ভাজাভুজি, কেক-পেস্ট্রির দিকে হাত বাড়ানো। কিন্তু সেসব খাবার খুব একটা স্বাস্থ্যকর যে নয়, সেকথা তো সবাই জানেন। তাই বিকেলে ক্ষুধা পেলে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। জেনে নিন এমন পাঁচটি খাবারের সন্ধান, যা বিকেলের নাস্তা হিসেবে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর-

সালাদ: সালাদ তৈরি করা যায় ঝটপট। স্বাদে ভরপুর এই স্বাস্থ্যকর খাবারটি আপনি নানাভাবে তৈরি করতে পারেন। হালকা সেদ্ধ করা বিট বা গাজর কুরিয়ে নিয়ে পানি ঝরানো টক দই, চাট মশলা, লবণ-মরিচ মিশিয়ে খেতে বেশ লাগে। ডিম সেদ্ধ, শসা, টমেটো, লেটুস, লবণ-মরিচ-লেবুর রস মিশিয়ে বানানো যায় এগ সালাদ। ডিম বাদ দিয়ে চিনেবাদাম ভাজা বা ছোলা সেদ্ধ মেশালেও চমৎকার লাগবে খেতে। বেশ কয়েক রকম তাজা ফলের কুচি আর সামান্য চাটমশলা দিয়ে ফ্রুট সালাদ বানাতে পারেন।

যেকোনো রকম ফল: বিকেলের নাস্তায় আরেকটি আদর্শ খাবার হতে পারে ফল। আপেল বা শসা সুন্দর করে কেটে নিন। সঙ্গে রাখুন পিনাট বাটার বা পানি ঝরানো দই। এই দুটি খাবার মিশিয়ে খেলে দারুণ লাগে। যেকোনো আস্ত ফলও খেতে পারেন। পেট ভরার পাশাপাশি শরীর পুষ্টিও পাবে সমানভাবে।

বাদামের মিশ্রণ: বাদাম আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী সে বিষয়ে নিশ্চয়ই ধারণা আছে? আখরোট, আমন্ড, সূর্যমুখির বীজ আর ফ্ল্যাঙ্ সিড শুকনো তাওয়ায় ভেজে নিন। ঠান্ডা করুন। তার মধ্যে কালো আঙুর, কিশমিশ মেশান। এইমিশ্রণ একটি বোতলে পুরে রেখে দিন ব্যাগে। বিকেলে ক্ষুধা পেলে এক মুঠো খেলেই পেট ভরে যাবে।

ভুট্টা/ছোলা: সামান্য লবণ-মরিচ-ধনেপাতা-লেবুর রস দিয়ে যদি ভুট্টা বা ছোলা সেদ্ধ মেখে নিলে, তাহলে দারুণ স্বাদ হবে। এর সঙ্গে খুব অল্প করে মুড়ি মিশিয়েও খেতে পারেন। পেট আর মন, দুটিই ভরবে!

মুরগির মাংস/ ডিম: অল্প চিকেন সেদ্ধ করে সামান্য অলিভ অয়েলে একটু রসুন, চিলি ফ্লেঙ্ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। সন্ধ্যাবেলা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকবে। তবে কোনো খাবারেই অতিরিক্ত লবণের ব্যবহার করবেন না। অতিরিক্ত লবণ শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাসের ভাড়া পুনঃনির্ধারণ করা হবে: ডা. জাহেদ

বিকেলের নাস্তায় সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর ৫ খাবার

Update Time : ০১:০২:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

দুপুর আর রাতের খাবারের মধ্যে সময়ের ব্যবধানটা একটু বেশিই হয়ে যায়। যে কারণে বিকেল না গড়াতেই ক্ষুধা অনুভব হতে থাকে। সকাল থেকে খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ থাকলেও, এই সময়ে এসে নিজেকে সামলে রাখা মুশকিল হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ক্ষুধা কাছে পরাজিত হয়ে ভাজাভুজি, কেক-পেস্ট্রির দিকে হাত বাড়ানো। কিন্তু সেসব খাবার খুব একটা স্বাস্থ্যকর যে নয়, সেকথা তো সবাই জানেন। তাই বিকেলে ক্ষুধা পেলে খেতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবার। জেনে নিন এমন পাঁচটি খাবারের সন্ধান, যা বিকেলের নাস্তা হিসেবে সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর-

সালাদ: সালাদ তৈরি করা যায় ঝটপট। স্বাদে ভরপুর এই স্বাস্থ্যকর খাবারটি আপনি নানাভাবে তৈরি করতে পারেন। হালকা সেদ্ধ করা বিট বা গাজর কুরিয়ে নিয়ে পানি ঝরানো টক দই, চাট মশলা, লবণ-মরিচ মিশিয়ে খেতে বেশ লাগে। ডিম সেদ্ধ, শসা, টমেটো, লেটুস, লবণ-মরিচ-লেবুর রস মিশিয়ে বানানো যায় এগ সালাদ। ডিম বাদ দিয়ে চিনেবাদাম ভাজা বা ছোলা সেদ্ধ মেশালেও চমৎকার লাগবে খেতে। বেশ কয়েক রকম তাজা ফলের কুচি আর সামান্য চাটমশলা দিয়ে ফ্রুট সালাদ বানাতে পারেন।

যেকোনো রকম ফল: বিকেলের নাস্তায় আরেকটি আদর্শ খাবার হতে পারে ফল। আপেল বা শসা সুন্দর করে কেটে নিন। সঙ্গে রাখুন পিনাট বাটার বা পানি ঝরানো দই। এই দুটি খাবার মিশিয়ে খেলে দারুণ লাগে। যেকোনো আস্ত ফলও খেতে পারেন। পেট ভরার পাশাপাশি শরীর পুষ্টিও পাবে সমানভাবে।

বাদামের মিশ্রণ: বাদাম আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী সে বিষয়ে নিশ্চয়ই ধারণা আছে? আখরোট, আমন্ড, সূর্যমুখির বীজ আর ফ্ল্যাঙ্ সিড শুকনো তাওয়ায় ভেজে নিন। ঠান্ডা করুন। তার মধ্যে কালো আঙুর, কিশমিশ মেশান। এইমিশ্রণ একটি বোতলে পুরে রেখে দিন ব্যাগে। বিকেলে ক্ষুধা পেলে এক মুঠো খেলেই পেট ভরে যাবে।

ভুট্টা/ছোলা: সামান্য লবণ-মরিচ-ধনেপাতা-লেবুর রস দিয়ে যদি ভুট্টা বা ছোলা সেদ্ধ মেখে নিলে, তাহলে দারুণ স্বাদ হবে। এর সঙ্গে খুব অল্প করে মুড়ি মিশিয়েও খেতে পারেন। পেট আর মন, দুটিই ভরবে!

মুরগির মাংস/ ডিম: অল্প চিকেন সেদ্ধ করে সামান্য অলিভ অয়েলে একটু রসুন, চিলি ফ্লেঙ্ দিয়ে হালকা ভেজে নিন। সন্ধ্যাবেলা খেলে অনেকক্ষণ পেট ভরে থাকবে। তবে কোনো খাবারেই অতিরিক্ত লবণের ব্যবহার করবেন না। অতিরিক্ত লবণ শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর।