Dhaka ১২:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ট্রাম্প গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ধৈর্য হারাচ্ছেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৯২ Time View

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন,ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ধৈর্য হারাতে বসেছেন তিনি। তার দাবি, সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ইসরায়েলি বন্দিদের চেহারা দেখে তার মনে হয়েছে তারা নাৎসি হলোকাস্টের শিকারদের মতো দুর্বল ও কৃশকায়। গত রোববার এ মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। শনিবার মুক্তিপ্রাপ্ত তিন ইসরায়েলি বন্দির চেহারার বর্ণনা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদেরকে হলোকাস্টের বেঁচে থাকা মানুষদের মতো দেখাচ্ছে। তাদের অবস্থা ভয়াবহ।’ নিউ অরলিন্সে সুপার বোলের উদ্দেশ্যে এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি আমাদের একটি চুক্তি রয়েছে… তারা ধীরে ধীরে মুক্তি পাচ্ছে… কিন্তু তাদের শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। আমি জানি না আমরা আর কতদিন এটি সহ্য করতে পারব… এক সময় আমাদের ধৈর্য হারিয়ে যাবে।’ শনিবার বন্দুকধারীদের পাহারায় তিন জিম্মিকে এক মঞ্চে হাজির করা হয় এবং পরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই জিম্মি তিন জন হলেন-ওহাদ বেন আমি ও ইলি শরাবি এবং ওর লেভি। এই তিন বন্দির অবস্থা আগের ১৮ জন জিম্মির চেয়ে অনেক বেশি শোচনীয় ছিল। গত ১৫ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এসব বন্দি মুক্তি পেয়েছিলেন। ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক ফিলিস্তিনি বন্দির অবস্থাও ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। ওইদিনই ইসরায়েল মুক্তিপ্রাপ্ত তিন বন্দির বিনিময়ে ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

ট্রাম্প গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ধৈর্য হারাচ্ছেন

Update Time : ০১:২০:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন,ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে ধৈর্য হারাতে বসেছেন তিনি। তার দাবি, সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ইসরায়েলি বন্দিদের চেহারা দেখে তার মনে হয়েছে তারা নাৎসি হলোকাস্টের শিকারদের মতো দুর্বল ও কৃশকায়। গত রোববার এ মন্তব্য করেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। শনিবার মুক্তিপ্রাপ্ত তিন ইসরায়েলি বন্দির চেহারার বর্ণনা দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তাদেরকে হলোকাস্টের বেঁচে থাকা মানুষদের মতো দেখাচ্ছে। তাদের অবস্থা ভয়াবহ।’ নিউ অরলিন্সে সুপার বোলের উদ্দেশ্যে এয়ার ফোর্স ওয়ানে থাকা অবস্থায় সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘আমি জানি আমাদের একটি চুক্তি রয়েছে… তারা ধীরে ধীরে মুক্তি পাচ্ছে… কিন্তু তাদের শারীরিক অবস্থা খুবই খারাপ। আমি জানি না আমরা আর কতদিন এটি সহ্য করতে পারব… এক সময় আমাদের ধৈর্য হারিয়ে যাবে।’ শনিবার বন্দুকধারীদের পাহারায় তিন জিম্মিকে এক মঞ্চে হাজির করা হয় এবং পরে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এই জিম্মি তিন জন হলেন-ওহাদ বেন আমি ও ইলি শরাবি এবং ওর লেভি। এই তিন বন্দির অবস্থা আগের ১৮ জন জিম্মির চেয়ে অনেক বেশি শোচনীয় ছিল। গত ১৫ জানুয়ারি যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় এসব বন্দি মুক্তি পেয়েছিলেন। ইসরায়েলের কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক ফিলিস্তিনি বন্দির অবস্থাও ছিল অত্যন্ত শোচনীয়। ওইদিনই ইসরায়েল মুক্তিপ্রাপ্ত তিন বন্দির বিনিময়ে ১৮৩ জন ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেয়।