Dhaka ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১০:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪
  • ২৩০ Time View

স্বাস্থ্য: কিডনিতে পাথরের কারণগুলো
কিডনিতে পাথর হওয়া কিডনির একটি অন্যতম সাধারণ রোগ। শতকরা ১০ ভাগ মানুষের সারাজীবনে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ :
কিডনিতে পাথর হওয়ার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে প্রধান কারণগুলো নি¤œরূপ :
১. বয়স ২০-৫০ বছর
২. লিঙ্গ: পুরুষ: মহিলা = ৩:১
৩. জেনেটিক বা বংশগত ২৫%
৪. পরিবেশগত কারণ : গরম পরিবেশ, অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা। অতিরিক্ত পরিমাণে আমিষ জাতীয় খাদ্য ও লবণ গ্রহণ ইত্যাদি। ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার কম গ্রহণ করলেও কিডনিতে পাথর হতে পারে। অপরদিকে কায়িক পরিশ্রম কিডনির জন্য ভালো ফল বয়ে আনে। এছাড়াও শরীরের কিছু রোগ যেমন হাইপার প্যারাথাইরয়েডিজম, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়ার কারণেও পাথর হতে পারে। ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়লেও ইউরিক এসিড স্টোন ও গাউট হয়। ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশনও কিডনিতে পাথরের একটি কারণ।
কিডনিতে পাথর রোগীদের লক্ষণ:
১. কোমরের পাশে ব্যথা ।
২. কোমর থেকে তলপেট হয়ে ব্যথা অনেক সময় অ-কোষ বা পায়ের দিকে যেতে পারে।
৩.প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া ।
৪. বারবার প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া ।
৫. বমি, জ্বর, মাথা ব্যথা ও খাবারে অরুচি ইত্যাদি।
৬.কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া ।
পরীক্ষা নীরিক্ষা
১ কিডনিসহ তল পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম।
২. কোমরের এক্সরে, আই ভি ইউ।
৩. ঈঞ ঝপধহ ড়ভ কটই, ঈঞ ঁৎড়মৎধসসব.
৪. ঝ.পৎবধঃরহরহব .
৫.গজ টৎড়মৎধসসব
চিকিৎসা
কিডনিতে পাথরের চিকিৎসাকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করে থাকি।
১. ব্যথা কমানো, ইনফেকশন কন্ট্রোল
২. কিডনি ও কিডনি নালির পাথর অপসারণ ।
৩. পুনরায় যাতে পাথর না হয়, সেজন্য আমরা রোগীকে কিছু উপদেশ দিয়ে থাকি, যেমন- পরিমিত পানি পান, দেহের অতিরিক্ত ওজন কমানো, নিয়মিত ব্যায়াম, অতিরিক্ত লবণ পরিহার করা এবং কোনো কারণ জানতে পারলে তার সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ। আমাদের দেশে বর্তমানে কিডনি ও কিডনির নালি এবং মূত্র নালির পাথর অপসারণের অত্যাধুনিক পদ্ধতি চালু হয়েছে। প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে লেজারের সাহায্যে, পিঠের দিকে একটি মাত্র ছিদ্র করে (চঈঘখ) কিডনি থেকে পাথর বের করা সম্ভব। এ ছাড়াও অত্যাধুনিক আমেরিকার হোমিও মেডিসিন দিয়েও সম্পূর্ণ নিরাপদ। যাদের কাটা ছিঁড়ার ভয় থাকে। তাই আমরা লক্ষণভেধে সঠিকভাবে রোগ নিরূপণের মাধ্যমে যথাসময়ে চিকিৎসা নিয়ে কিডনি পাথর অপসারণ করে কিডনিকে সুস্থ রাখতে কার্যকর ভ‚মিকা পালন করে আসছি। নিজেকে সুস্থ রাখতে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য উপাত্ত নিয়ে রাখা উচিত।

Tag :
About Author Information

ট্রাম্প চাচ্ছে ২০ বছর, ইরান অনড় ৫ বছরে

কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ

Update Time : ১০:১৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৬ অক্টোবর ২০২৪

স্বাস্থ্য: কিডনিতে পাথরের কারণগুলো
কিডনিতে পাথর হওয়া কিডনির একটি অন্যতম সাধারণ রোগ। শতকরা ১০ ভাগ মানুষের সারাজীবনে কিডনিতে পাথর হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ :
কিডনিতে পাথর হওয়ার অনেক কারণ আছে। তার মধ্যে প্রধান কারণগুলো নি¤œরূপ :
১. বয়স ২০-৫০ বছর
২. লিঙ্গ: পুরুষ: মহিলা = ৩:১
৩. জেনেটিক বা বংশগত ২৫%
৪. পরিবেশগত কারণ : গরম পরিবেশ, অতিরিক্ত ওজন, ব্যায়াম না করা, পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান না করা। অতিরিক্ত পরিমাণে আমিষ জাতীয় খাদ্য ও লবণ গ্রহণ ইত্যাদি। ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার কম গ্রহণ করলেও কিডনিতে পাথর হতে পারে। অপরদিকে কায়িক পরিশ্রম কিডনির জন্য ভালো ফল বয়ে আনে। এছাড়াও শরীরের কিছু রোগ যেমন হাইপার প্যারাথাইরয়েডিজম, রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়ার কারণেও পাথর হতে পারে। ইউরিক এসিডের পরিমাণ বাড়লেও ইউরিক এসিড স্টোন ও গাউট হয়। ঘন ঘন প্রস্রাবে ইনফেকশনও কিডনিতে পাথরের একটি কারণ।
কিডনিতে পাথর রোগীদের লক্ষণ:
১. কোমরের পাশে ব্যথা ।
২. কোমর থেকে তলপেট হয়ে ব্যথা অনেক সময় অ-কোষ বা পায়ের দিকে যেতে পারে।
৩.প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া ।
৪. বারবার প্রস্রাবে ইনফেকশন হওয়া ।
৫. বমি, জ্বর, মাথা ব্যথা ও খাবারে অরুচি ইত্যাদি।
৬.কিডনি বিকল হয়ে যাওয়া ।
পরীক্ষা নীরিক্ষা
১ কিডনিসহ তল পেটের আল্ট্রাসনোগ্রাম।
২. কোমরের এক্সরে, আই ভি ইউ।
৩. ঈঞ ঝপধহ ড়ভ কটই, ঈঞ ঁৎড়মৎধসসব.
৪. ঝ.পৎবধঃরহরহব .
৫.গজ টৎড়মৎধসসব
চিকিৎসা
কিডনিতে পাথরের চিকিৎসাকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করে থাকি।
১. ব্যথা কমানো, ইনফেকশন কন্ট্রোল
২. কিডনি ও কিডনি নালির পাথর অপসারণ ।
৩. পুনরায় যাতে পাথর না হয়, সেজন্য আমরা রোগীকে কিছু উপদেশ দিয়ে থাকি, যেমন- পরিমিত পানি পান, দেহের অতিরিক্ত ওজন কমানো, নিয়মিত ব্যায়াম, অতিরিক্ত লবণ পরিহার করা এবং কোনো কারণ জানতে পারলে তার সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ। আমাদের দেশে বর্তমানে কিডনি ও কিডনির নালি এবং মূত্র নালির পাথর অপসারণের অত্যাধুনিক পদ্ধতি চালু হয়েছে। প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে লেজারের সাহায্যে, পিঠের দিকে একটি মাত্র ছিদ্র করে (চঈঘখ) কিডনি থেকে পাথর বের করা সম্ভব। এ ছাড়াও অত্যাধুনিক আমেরিকার হোমিও মেডিসিন দিয়েও সম্পূর্ণ নিরাপদ। যাদের কাটা ছিঁড়ার ভয় থাকে। তাই আমরা লক্ষণভেধে সঠিকভাবে রোগ নিরূপণের মাধ্যমে যথাসময়ে চিকিৎসা নিয়ে কিডনি পাথর অপসারণ করে কিডনিকে সুস্থ রাখতে কার্যকর ভ‚মিকা পালন করে আসছি। নিজেকে সুস্থ রাখতে সঠিক সময়ে সঠিক তথ্য উপাত্ত নিয়ে রাখা উচিত।