কপিলমুনি (খুলনা) অফিস: ‘জীর্ণ মলিন ঘুচে যাক, শুচি হোক ধরাথ এই বাক্য মনে ধারণ করে কপিলমুনিতে দিনব্যাপী
নানা কর্মসূচীর মধ্যদিয়ে পহেলা বৈশাখ উদ্যাপন করেছে কপিলমুনি সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন
কমিটি। কে কে এস পিথ র ব্যবস্থাপনায় বর্ষবরণ কমিটির আয়োজনে দিনটিতে সকাল থেকে
বিকাল পর্যন্ত সকল অনুষ্ঠানেই জনসমাগম ছিল চোখে পড়ার মত। সকাল ৭ টায় প্রভাতফেরী
অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেয় স্থাণীয় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক সংগঠন, কে কে
এস পি, সিটি প্রেসক্লাব, বণিক সমিতি, পেশাজীবি সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের
সদস্যসহ সর্বস্তরের মানুষ। ৮ টায় কপিলমুনি সহচরী বিদ্যা মন্দির স্কুল এন্ড কলেজ প্রাঙ্গনে
উৎসব মুখর পরিবেশে পান্তাথর আসর বসে। এরপর চেয়ার সিটিং, মোরগ লড়াই, ভারসাম্য দৌঁড়,
নৃত্য প্রতিযোগীতা, সংগীত প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্ব পালন
করেন সম্মিলিত বর্ষবরণ উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক ও কে কেএস পি র আহবায়ক এম আজাদ
হোসেন ও সদস্য সচিব মোঃ মহসীন খান। উপস্থিত ছিলেন, প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) সঞ্জয়
কুমার মন্ডল, প্রধান শিক্ষিকা রহিমা আখতার শম্পা, প্রধান শিক্ষক আঃ রহমান, কেকেএসপিথর
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শেখ আব্দুর রশীদ, হরিঢালী ইউনিয়ন বিএনপিথর সাবেক সাঃ সম্পাদক
সরদার তোফাজ্জেল হোসেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ নূরুজ্জামান, কপিলমুনি
সিটি প্রেসক্লাব সহ সভাপতি ও দীপ্তবাংলাথর সম্পাদক জি এম এমদাদ, সিটি প্রেসক্লাবের
সাঃ সম্পাদক পলাশ কর্মকার, কপিলমুনি প্রেসক্লাবের সাবেক সাঃ সম্পাদক মিলন দাশ,
কেকেএসপিথর উপদেষ্টা অজয় সাধু, আজিজুর রহমান, আঃ জলিল বিশ্বাস প্রমূখ। বিকাল ৩ টায়
ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। হাঁটার সাথী পাইকগাছা একাদশ বনাম চলার সাথী কপিলমুনি
একাদশের মধ্যকার খেলায় হাঁটার সাথী একাদশ বিজয়ী হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার
বিতরণ করা। আহবায়ক এম আজাদ হোসেন বলেন, “এবারের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে জনমানুষের
উপস্থিতি ছিল অন্যান্য বছরের চেয়ে বেশি। কপিলমুনি এলাকার বিভিন্ন সংগঠন, ব্যবসায়ী ও
প্রতিষ্ঠানের একান্ত সহযোগীতায় আমরা অনুষ্ঠানটি সফল করতে পেরে সকলকে অভিনন্দন
জানাচ্ছি। এভাবে সকলের সহযোগীতা পেলে হয়তো ভবিষ্যতে আরো ভাল অনুষ্ঠান উপহার দিতে
পারব।”
Reporter Name 



















