বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...
/ সাহিত্য
জিয়া সাঈদ ঘোলাটে শহরে শিকারির চোখ দেখি সিঁড়ি খোঁজা পা দেখি কোথাও আর কোনো ধ্রুবের দৃষ্টান্ত দেখি না কোনো সংশপ্তক দেখি না শুধু সিঁড়ি খোঁজা পা দেখি কচলানো হাত দেখি আরো....
মোশতাক আল মেহেদী ধূলা নিয়ে খেলা করে বায়ু তাকে ছোটবেলা মনে করে দেখি আঁকিবুকি ছায়া এলোমেলো বালক বালিকা সব চখা চখি! কত নাম বুকে রাখে মাটি ছেলেবেলা মেয়েবেলা সব বিকেলের
জিয়া সাঈদ নিজ্ঝুমে মৃত্যু এসে শুয়েছিল পাশে জেগে উঠে আর তাকে দেখছি না আলো বুঝি সহ্য হয় না তার শুধু অন্ধকার শুধু
মাহফুজ রেজা নিয়ামতের এই মাসে পূণ্যের ডালা পূর্ণ কর, গরীব দুঃখীর কথা ভাবিস নিজের ভাবিস অতঃপর। পাপের বোঝা হবে খালি (যারা) সদায় থাকে উপবাস, ওদের জন্য কিছু করিস করিস নে
মোশতাক আল মেহেদী সব মনে আছে সুলেখা কালিতে লেখা জীবনের প্রথম অক্ষর, ভাসমান কর্কিনা মাছের সাথে প্রথম সাঁতার, তারপরে যুগল পাহাড়, অবশেষে নদী আর
সন্তোষ ঢালী ঘেউ ঘেউ ঘেউ, মিয়াঁও মিয়াঁও মিয়াঁও, কিঁউ কিঁউ কিঁউ কিচ্ কিচ্ চক্ এরকম ডাকাডাকির শব্দ। ডাক্তারের চেম্বারের সামনে বসে বেশ কয়েকজন রোগী, রোগীর সঙ্গী। অপেক্ষমাণ। সকলের সঙ্গেই শিশু
হুমায়ূন মালিক মা যখন হাসপাতালে যেত তখনো প্রতিবারই আমাকে বলে যেত অথচ যখন ও একেবারেই গেল তখন আমাকে যে কিছুই বলে গেল না! বলে কী করে – এ-কথা তাকে কী
জন সুমিত দেউরি চোখ থেকে চশমাটি নামিয়ে কিছুক্ষণ চেয়ে থাকেন তিনি চশমার দিকে। তারপর পাঞ্জাবির পকেট থেকে নরম কাপড়টি বের করে খুব যত্ন করে পরম মমতায় চশমার কাচ-দুটি ঘষে ঘষে