Dhaka ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের ১৫ দিনের কর্মসূচি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ Time View

জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও গণভোটের ফল কার্যকরের দাবিতে টানা ১৫ দিনের দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ১১ দল। ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে গণমিছিল, সেমিনার ও সমাবেশ আয়োজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, নির্ধারিত দিনে শুনানি না হওয়ায় আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল বিভাগীয় শহরগুলোতে এবং ২ মে দেশের সব জেলা সদরে একই ধরনের কর্মসূচি পালিত হবে। পাশাপাশি ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে লিফলেট বিতরণ এবং রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সেমিনার আয়োজন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, “জনগণ নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর আশায় ভোট দিলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না। বরং নানা অজুহাতে গণরায়ের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদে প্রতিশ্রুত সংস্কারগুলো উপেক্ষিত রয়ে গেছে।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও সরকার তা অস্বীকার করছে। পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, সার সংকটে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।” একই সঙ্গে প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন তিনি।

তিনি জানান, এই কর্মসূচির পরবর্তী ধাপে ১২টি সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় শহরে বড় সমাবেশ আয়োজন করা হবে। সবশেষে রাজধানীতে একটি জাতীয় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা মামুনুল হক। এ সময় বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
About Author Information

গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের ১৫ দিনের কর্মসূচি

Update Time : ১২:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

জুলাই সনদের পূর্ণ বাস্তবায়ন ও গণভোটের ফল কার্যকরের দাবিতে টানা ১৫ দিনের দেশব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা ১১ দল। ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত এই কর্মসূচির আওতায় সারা দেশে গণমিছিল, সেমিনার ও সমাবেশ আয়োজন করা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারের আল-ফালাহ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে কর্মসূচির ঘোষণা দেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি জানান, নির্ধারিত দিনে শুনানি না হওয়ায় আন্দোলনের দ্বিতীয় ধাপে এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ১৮ এপ্রিল ঢাকায় গণমিছিল অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২৫ এপ্রিল বিভাগীয় শহরগুলোতে এবং ২ মে দেশের সব জেলা সদরে একই ধরনের কর্মসূচি পালিত হবে। পাশাপাশি ১৮ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত বিভিন্ন জেলা ও বিভাগীয় শহরে লিফলেট বিতরণ এবং রাজনৈতিক সংকট নিরসনে সেমিনার আয়োজন করা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, “জনগণ নতুন রাষ্ট্র কাঠামোর আশায় ভোট দিলেও সরকার তা বাস্তবায়ন করছে না। বরং নানা অজুহাতে গণরায়ের ভিন্ন ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই সনদে প্রতিশ্রুত সংস্কারগুলো উপেক্ষিত রয়ে গেছে।”

দেশের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, “জ্বালানি সংকট তীব্র হলেও সরকার তা অস্বীকার করছে। পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, সার সংকটে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে, স্বাস্থ্যব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।” একই সঙ্গে প্রশাসনে দলীয়করণের অভিযোগও তোলেন তিনি।

তিনি জানান, এই কর্মসূচির পরবর্তী ধাপে ১২টি সিটি করপোরেশন ও বিভাগীয় শহরে বড় সমাবেশ আয়োজন করা হবে। সবশেষে রাজধানীতে একটি জাতীয় মহাসমাবেশ করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আল্লামা মামুনুল হক। এ সময় বিভিন্ন দলের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।