Dhaka ০৩:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

করোনার টিকার জন্য মারা গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন!

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৮ Time View

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের এক বিলাসবহুল ভিলায় অবসরযাপনে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তী লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের। তার এই বিদায় ছিল একেবারেই আকস্মিক। তবে তার এই মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও এবার বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছেন ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন। তিনি দাবি করেন, সরকারি নির্দেশে নেওয়া কোভিড-১৯ টিকার কারণেই মারা গেছেন তার বাবা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এই মন্তব্য করেন তিনি। ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ পডকাস্টে সাবেক সেনাসদস্য স্যাম ব্যামফোর্ডের সঙ্গে আলাপচারিতায় এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন জ্যাকসন। সেখানে তাকে ওয়ার্নের মৃত্যুর পেছনে কোভিড টিকার কোনো ভূমিকা ছিল কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে জবাবে জ্যাকসন নির্দ্বিধায় বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবে মনে করি, টিকা এতে জড়িত ছিল। এখন এটা বলা মোটেও বিতর্কিত কোনো বিষয় নয়।’ জ্যাকসন আরও যোগ করেন, ‘বাবার যদি আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা থেকেও থাকে, আমার ধারণা টিকা সেটাকে সরাসরি সামনে নিয়ে এসেছে। যেদিন খবরটা পেলাম, ফোন রাখার পরপরই প্রথম আমার মাথায় এসেছিল, এর জন্য সরকার দায়ী, এর জন্য কোভিড আর টিকা দায়ী।’ ২০২২ সালে থাইল্যান্ডের মৃত্যুর পর বেশকিছু ওষুধ থাই পুলিশ তার ঘর থেকে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি তাঁর শরীরে ভায়াগ্রার (যৌন উত্তেজক ওষুধ) উপস্থিতিও মিলেছিল। তবে ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন মনে করেন, মৃত্যুর জন্য মূল দায়ী কোভিডের টিকা। তার মতে, সরকারি নিয়মের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই তিন-চারটি টিকা নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই কিংবদন্তি স্পিনার। ওয়ার্নের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় হয়েছিল ভিক্টোরিয়া সরকারের অর্থায়নে। সেখানে খুবই অস্বস্তিতে ছিলেন জ্যাকসন। ক্ষোভ ও কষ্ট চেপে রেখে তিনি বলেন, ‘রাজ্য স্মরণসভায় আমার বলতে ইচ্ছে করছিল, আমি এই সরকারকে দায়ী করি, আমি কোভিডকে দায়ী করি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলিনি, সম্ভবত চুপ থাকাই তখন বুদ্ধিমানের কাজ ছিল। তবে আমার মনের অবস্থা তেমনই ছিল।’ ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন এখন ‘শেন ওয়ার্ন লিগ্যাসি’র মাধ্যমে মানুষের হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে কাজ করছেন। উল্লেখ্য, ১৪৫ টেস্টে ৭০৮ উইকেট উইকেট শিকার করেছেন শেন ওয়ার্ন। শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরনের পর তিনি টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।

Tag :
About Author Information

করোনার টিকার জন্য মারা গিয়েছিলেন শেন ওয়ার্ন!

Update Time : ১২:২৩:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

২০২২ সালে থাইল্যান্ডের এক বিলাসবহুল ভিলায় অবসরযাপনে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যু হয় অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তী লেগ স্পিনার শেন ওয়ার্নের। তার এই বিদায় ছিল একেবারেই আকস্মিক। তবে তার এই মৃত্যু স্বাভাবিক হলেও এবার বিস্ফোরক এক মন্তব্য করেছেন ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন। তিনি দাবি করেন, সরকারি নির্দেশে নেওয়া কোভিড-১৯ টিকার কারণেই মারা গেছেন তার বাবা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে এই মন্তব্য করেন তিনি। ‘টু ওয়ার্ল্ডস কোলাইড’ পডকাস্টে সাবেক সেনাসদস্য স্যাম ব্যামফোর্ডের সঙ্গে আলাপচারিতায় এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন জ্যাকসন। সেখানে তাকে ওয়ার্নের মৃত্যুর পেছনে কোভিড টিকার কোনো ভূমিকা ছিল কিনা এমন প্রশ্ন করা হলে জবাবে জ্যাকসন নির্দ্বিধায় বলেন, ‘আমি নিশ্চিতভাবে মনে করি, টিকা এতে জড়িত ছিল। এখন এটা বলা মোটেও বিতর্কিত কোনো বিষয় নয়।’ জ্যাকসন আরও যোগ করেন, ‘বাবার যদি আগে থেকে কোনো শারীরিক সমস্যা থেকেও থাকে, আমার ধারণা টিকা সেটাকে সরাসরি সামনে নিয়ে এসেছে। যেদিন খবরটা পেলাম, ফোন রাখার পরপরই প্রথম আমার মাথায় এসেছিল, এর জন্য সরকার দায়ী, এর জন্য কোভিড আর টিকা দায়ী।’ ২০২২ সালে থাইল্যান্ডের মৃত্যুর পর বেশকিছু ওষুধ থাই পুলিশ তার ঘর থেকে সরিয়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছিল। এমনকি তাঁর শরীরে ভায়াগ্রার (যৌন উত্তেজক ওষুধ) উপস্থিতিও মিলেছিল। তবে ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন মনে করেন, মৃত্যুর জন্য মূল দায়ী কোভিডের টিকা। তার মতে, সরকারি নিয়মের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই তিন-চারটি টিকা নিয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার এই কিংবদন্তি স্পিনার। ওয়ার্নের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় হয়েছিল ভিক্টোরিয়া সরকারের অর্থায়নে। সেখানে খুবই অস্বস্তিতে ছিলেন জ্যাকসন। ক্ষোভ ও কষ্ট চেপে রেখে তিনি বলেন, ‘রাজ্য স্মরণসভায় আমার বলতে ইচ্ছে করছিল, আমি এই সরকারকে দায়ী করি, আমি কোভিডকে দায়ী করি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলিনি, সম্ভবত চুপ থাকাই তখন বুদ্ধিমানের কাজ ছিল। তবে আমার মনের অবস্থা তেমনই ছিল।’ ওয়ার্নের ছেলে জ্যাকসন এখন ‘শেন ওয়ার্ন লিগ্যাসি’র মাধ্যমে মানুষের হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি করতে কাজ করছেন। উল্লেখ্য, ১৪৫ টেস্টে ৭০৮ উইকেট উইকেট শিকার করেছেন শেন ওয়ার্ন। শ্রীলঙ্কার মুত্তিয়া মুরালিধরনের পর তিনি টেস্ট ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি।