তৃণমূল থেকে উঠে আসা লড়াকু নেত্রী খান নাদিরা ইয়াসমিন তুরানী
প্রতিনিধি:
/ ৫
দেখেছেন:
পাবলিশ:
বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬
শেয়ার করুন
শেখ সৈয়দ আলী, ফকিরহাটঃ দক্ষিণবঙ্গের নারী রাজনীতিতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক পরিচিত নাম খান নাদিরা ইয়াসমিন তুরানী। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি বাগেরহাটসহ খুলনা অঞ্চলে একজন নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী ও সমাজসেবিকা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি দলীয় রাজনীতিতে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।
জানা গেছে, খান নাদিরা ইয়াসমিন তুরানীর রাজনৈতিক পথচলা শুরু হয় ফকিরহাট কাজী আজহার আলী কলেজ ছাত্র সংসদ থেকে। ছাত্রদলের রাজনীতির মাধ্যমে তিনি রাজনীতিতে হাতেখড়ি নেন এবং ধীরে ধীরে সংগঠনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৯৮ সালে তিনি ফকিরহাট উপজেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পান। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বাগেরহাট জেলা জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি জেলা মহিলা দলের যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দলীয় আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা রেখে চলেছেন।
রাজনীতির পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ডেও তিনি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। তিনি ‘মায়ের আঁচল মহিলা সমাজ কল্যাণ সমিতি’ প্রতিষ্ঠা করে অসহায় ও অবহেলিত নারীদের কাটিং, এমব্রয়ডারি ও হস্তশিল্প প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী করে তোলার উদ্যোগ নিয়েছেন। পেশাগত জীবনে তিনি সহকারী শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে একজন সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছেন।
আসন্ন সংরক্ষিত মহিলা আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তাঁকে ঘিরে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি ও সামাজিক কার্যক্রমে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে সাধারণ মানুষের কাছেও গ্রহণযোগ্য করে তুলেছে।
এ বিষয়ে খান নাদিরা ইয়াসমিন তুরানী বলেন, “ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের অধিকার, গণতন্ত্র এবং নারীর ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করে আসছি। রাজনীতি আমার কাছে ক্ষমতার বিষয় নয়, এটি মানুষের সেবা করার একটি মাধ্যম। দল যদি আমাকে সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন দেয়, তাহলে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষা, নারীর অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, মানুষের আস্থা ও ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।”