জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় ঘোষণা থেকে সরিয়ে ফের সাক্ষ্য ও তথ্য প্রমাণ দেবে প্রসিকিঊশন।
এ মামলার পাঁচ আসামি হলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান, একই থানার সাবেক এসআই (উপপরিদর্শক) তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। আসামিদের মধ্যে চঞ্চল সরকার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে গত ৩ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের আইনজীবীরা যুক্তিতর্কের শুনানি করেন।
আজ বুধবার সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম অতিরিক্ত সাক্ষ্য ও তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপনের জন্য রায় পেছানোর আবেদন করলে সেটি মঞ্জুর করেন আদালত। এর আগে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় রায়ের জন্য ৪ মার্চ তারিখ ধার্য করেছিল ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীতে কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি; শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে তার দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরও এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ এই মামলার বিচার চলছে।