ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সোমবার দাবি করেছে, তারা তেল আবিবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয়কে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। এই দাবির পর নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। তবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি জনসমক্ষে উপস্থিত হন।
আইআরজিসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘ইহুদি শাসনের অপরাধী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সরকারের বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তর লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।’ শনিবার মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কথা উল্লেখ করে গার্ডরা আরও জানিয়েছে, ইসরাইলি বিমান বাহিনীর কমান্ডারের সদর দপ্তরকেও লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
তবে এর কয়েক ঘণ্টা পরে নেতানিয়াহুকে বেইত শেমেশে দেখা যায়। সেখানে তিনি বলেন, এটি অপারেশন রোরিং লায়নের তৃতীয় দিন, যা ইসরাইলি সেনাবাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে একযোগে শুরু করেছে। তিনি যোগ করেন, ‘আমরা পার্থক্যটি দেখতে পাচ্ছি—তেহরানের স্বৈরশাসকরা নিরীহ বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্যবস্তু বানায়, আমরা তাদের রক্ষা করতে তাদের স্বৈরশাসকদের লক্ষ্যবস্তু করি।’
নেতানিয়াহু আরও সতর্ক করে বলেন, ‘যদি এই সন্ত্রাসী শাসন, যা পারমাণবিক অস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র অর্জন করে, সমগ্র মানবজাতির জন্য হুমকি হয়ে ওঠে। তাই আমরা নিজেদের এবং বিশ্বকে রক্ষা করতে পদক্ষেপ নিয়েছি।’ তিনি বিশ্বনেতা ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘বিশ্বকে রক্ষা করার প্রচেষ্টায় আমাদের সঙ্গে থাকার জন্য বিশেষ কৃতজ্ঞতা।’