Dhaka ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে পা দিলো দ.আফ্রিকা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৭৬ Time View

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতেই সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল প্রোটিয়রা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ক্যারিবীয়রা। জবাবে ৯ উইকেট ও ২৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে মারক্রাম বাহিনী। এ জয়ের ফলে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের গ্রুপে শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। ২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে উইন্ডিজ। তিনে ও চারে অবস্থান ভারত ও জিম্বাবুয়ের। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে জিম্বাবুয়ে হেরে গেলেই সেমি নিশ্চিত হবে প্রোটিয়াদের। ১৭৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৯৫ রান। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ফিফটির থেকে ৩ রান দূরে থাকতে আউট হন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। তার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৭ রান। এরপর রায়ার রিকেলটনকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলনেতা ও ওপেনার এইডেন মারক্রাম। দুজন মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৮২ রানের জুটি। ফিফটি পূরণের পর ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন মারক্রাম। মাত্র ৪৬ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি সাতটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। আর ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন রিকেলটন। এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরও উইকেট পতনের ধারা আটকাতে পারেনি তারা। সময়ের পরিক্রমায় হারাতে থাকে একের পর এক উইকেট। দলীয় ওপেনার সাই হোপ আউট হন ৬ বলে ১৬ রানে। মাত্র ৩ রান আসে আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক শিমরন হেডমায়ারের ব্যাট থেকে। সাত উইকেট হারিয়ে যখন চাপে পড়ে দল, তখনই দারুণ জুটি গড়েন শেফার্ড-হোল্ডার। অষ্টম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৮৯ রানের জুটি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে অষ্টম উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে সবচেয়ে বেশি রানের জুটিটি ছিল নেদারল্যান্ডের প্রেস্টন মোমসেন ও এসএম শরিফের। শেফার্ড-হোল্ডার দুজনই অর্ধশতকের পথে ছিলেন। কিন্তু ইনিংসের শেষ ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে আর ফিফটি করা হয়নি জেসন হোল্ডারের। ৩১ বলে ৪৯ রানে আউট হন তিনি। এদিকে শেষ বলে চার হাঁকিয়ে ফিফটি তুলে নেন রোমিও শেফার্ড। ৩৭ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এছাড়া ব্রেন্ডন কিং ১১ বলে ২১, রোভম্যান পাওয়েল ১১ বলে ৯, রোস্টন চেজ ২ বলে ২ এবং শেরফাইন রাদারফোর্ড ১০ বলে ১২ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিদি। দুটি করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা ও কোরবিন বোচ।

 

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বাগেরহাটে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

উইন্ডিজকে হারিয়ে সেমিতে পা দিলো দ.আফ্রিকা

Update Time : ১১:১৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইটের খেলায় ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। তাতেই সেমিফাইনালে এক পা দিয়ে রাখল প্রোটিয়রা। ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৭৬ রান করে ক্যারিবীয়রা। জবাবে ৯ উইকেট ও ২৩ বল হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে মারক্রাম বাহিনী। এ জয়ের ফলে ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের গ্রুপে শীর্ষে অবস্থান করছে তারা। ২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে উইন্ডিজ। তিনে ও চারে অবস্থান ভারত ও জিম্বাবুয়ের। আজ দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে জিম্বাবুয়ে হেরে গেলেই সেমি নিশ্চিত হবে প্রোটিয়াদের। ১৭৭ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওপেনিং জুটিতে আসে ৯৫ রান। তাতেই জয়ের ভিত পেয়ে যায় প্রোটিয়ারা। ফিফটির থেকে ৩ রান দূরে থাকতে আউট হন ওপেনার কুইন্টন ডি কক। তার ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২৭ রান। এরপর রায়ার রিকেলটনকে সঙ্গে নিয়ে জয় নিশ্চিত করেন দলনেতা ও ওপেনার এইডেন মারক্রাম। দুজন মিলে গড়েন অপ্রতিরোধ্য ৮২ রানের জুটি। ফিফটি পূরণের পর ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন মারক্রাম। মাত্র ৪৬ বলে খেলা তার এই অনবদ্য ইনিংসটি সাতটি চার ও চারটি ছয়ে সাজানো। আর ২৮ বলে ৪৫ রানে অপরাজিত থাকেন রিকেলটন। এর আগে ম্যাচের শুরুতে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার প্লেতেই চার উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এরপরও উইকেট পতনের ধারা আটকাতে পারেনি তারা। সময়ের পরিক্রমায় হারাতে থাকে একের পর এক উইকেট। দলীয় ওপেনার সাই হোপ আউট হন ৬ বলে ১৬ রানে। মাত্র ৩ রান আসে আগের ম্যাচের জয়ের নায়ক শিমরন হেডমায়ারের ব্যাট থেকে। সাত উইকেট হারিয়ে যখন চাপে পড়ে দল, তখনই দারুণ জুটি গড়েন শেফার্ড-হোল্ডার। অষ্টম উইকেটে দুজন মিলে গড়েন ৮৯ রানের জুটি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে অষ্টম উইকেটে এটাই সর্বোচ্চ রানের জুটি। এর আগে সবচেয়ে বেশি রানের জুটিটি ছিল নেদারল্যান্ডের প্রেস্টন মোমসেন ও এসএম শরিফের। শেফার্ড-হোল্ডার দুজনই অর্ধশতকের পথে ছিলেন। কিন্তু ইনিংসের শেষ ওভারের পঞ্চম বলে রান আউট হয়ে সাজঘরে ফিরলে আর ফিফটি করা হয়নি জেসন হোল্ডারের। ৩১ বলে ৪৯ রানে আউট হন তিনি। এদিকে শেষ বলে চার হাঁকিয়ে ফিফটি তুলে নেন রোমিও শেফার্ড। ৩৭ বলে ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। এছাড়া ব্রেন্ডন কিং ১১ বলে ২১, রোভম্যান পাওয়েল ১১ বলে ৯, রোস্টন চেজ ২ বলে ২ এবং শেরফাইন রাদারফোর্ড ১০ বলে ১২ রান করেন। দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নেন লুঙ্গি এনগিদি। দুটি করে উইকেট নেন কাগিসো রাবাদা ও কোরবিন বোচ।