Dhaka ০৩:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিশ্বে তেলের মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে চার দেশ

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৬ Time View

বিদেশ: স্বীকৃত তেলের মজুতের দিক থেকে বর্তমান বিশে অর্ধেকের বেশি তেলের মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র চারটি দেশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল মজুত রয়েছে। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার তেলের মজুত প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল যা একক দেশ হিসেবে বিশ্বে সর্বোচ্চ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি তার তেল রফতানি ও সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরব। সৌদিতে মোট মজুতকৃত তেলের পরিমান ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল। ২০৯ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত থাকা ইরান রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। এরপর চতুর্থ অবস্থানে আছে কানাডা। দেশটিতে মোট মজুত থাকা তেলের পরিমাণ ১৬৩ বিলিয়ন ব্যারেল। এই চার দেশ মিলেই বিশ্বের মোট তেলের অর্ধেকের বেশি মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া তালিকায় পঞ্চম-ষষ্ঠ ও সপ্তম অবস্থানে রয়েছে ইরাক (১৪৫ বিলিয়ন ব্যারেল), সংযুক্ত আরব আমিরাত (১০৭ বিলিয়ন ব্যারেল) এবং কুয়েত (১০২ বিলিয়ন ব্যারেল)। এর পর অষ্টম অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া (৮০ বিলিয়ন ব্যারেল), নবম স্থানে আছে লিবিয়া (৪৮ বিলিয়ন ব্যারেল) এবং ৪৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত নিয়ে দশম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া নাইজেরিয়া তেলের মজুত আছে ৩৭ বিলিয়ন ব্যারেল এবং কাজাখস্তানে আছে ৩০ বিলিয়ন ব্যারেল। বিশ্লেষকদের মতে, প্রমাণিত তেলের মজুত কোনো দেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বড় মজুত থাকা দেশগুলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির দুর্বল হয়ে পড়া তেল শিল্প পুনর্গঠনে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।

Tag :
About Author Information

বিশ্বে তেলের মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে চার দেশ

Update Time : ১২:২১:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিদেশ: স্বীকৃত তেলের মজুতের দিক থেকে বর্তমান বিশে অর্ধেকের বেশি তেলের মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে মাত্র চারটি দেশ। সর্বশেষ ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলায় বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল মজুত রয়েছে। ওপেকের তথ্য অনুযায়ী, ভেনেজুয়েলার তেলের মজুত প্রায় ৩০৩ বিলিয়ন ব্যারেল যা একক দেশ হিসেবে বিশ্বে সর্বোচ্চ। তবে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটি তার তেল রফতানি ও সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক সুবিধা আদায়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়েছে। ভেনেজুয়েলার পর দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে সৌদি আরব। সৌদিতে মোট মজুতকৃত তেলের পরিমান ২৬৭ বিলিয়ন ব্যারেল। ২০৯ বিলিয়ন ব্যারেল তেল মজুত থাকা ইরান রয়েছে তৃতীয় অবস্থানে। এরপর চতুর্থ অবস্থানে আছে কানাডা। দেশটিতে মোট মজুত থাকা তেলের পরিমাণ ১৬৩ বিলিয়ন ব্যারেল। এই চার দেশ মিলেই বিশ্বের মোট তেলের অর্ধেকের বেশি মজুত ও সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ করছে। এছাড়া তালিকায় পঞ্চম-ষষ্ঠ ও সপ্তম অবস্থানে রয়েছে ইরাক (১৪৫ বিলিয়ন ব্যারেল), সংযুক্ত আরব আমিরাত (১০৭ বিলিয়ন ব্যারেল) এবং কুয়েত (১০২ বিলিয়ন ব্যারেল)। এর পর অষ্টম অবস্থানে রয়েছে রাশিয়া (৮০ বিলিয়ন ব্যারেল), নবম স্থানে আছে লিবিয়া (৪৮ বিলিয়ন ব্যারেল) এবং ৪৫ বিলিয়ন ব্যারেল তেলের মজুত নিয়ে দশম স্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া নাইজেরিয়া তেলের মজুত আছে ৩৭ বিলিয়ন ব্যারেল এবং কাজাখস্তানে আছে ৩০ বিলিয়ন ব্যারেল। বিশ্লেষকদের মতে, প্রমাণিত তেলের মজুত কোনো দেশের ভবিষ্যৎ জ্বালানি নিরাপত্তা ও ভূরাজনৈতিক প্রভাব নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বড় মজুত থাকা দেশগুলো আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে কৌশলগত প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদের ওপর পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নেবে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির দুর্বল হয়ে পড়া তেল শিল্প পুনর্গঠনে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে।