সর্বশেষ :
সাবেক ছাত্রনেতা নাজমুল হুদা মিন্টুর বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ  পাইকগাছার আদর্শ শিশু বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ শীতকালীন ঝড়ে নিহত ২৩ ইসলামবিরোধী প্রচারণা চালানোয় ইসরায়েলি নাগরিকের ভিসা বাতিল করলো অস্ট্রেলিয়া ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিধসে ২৩ সেনাসদস্যের মৃত্যু রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২, অনেকেই আহত নথিপত্রহীন ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করার ঘোষণা স্পেনের ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে যুদ্ধরত সেনাদের পরিদর্শনে রাশিয়ার সেনা প্রধান হাইব্রিড গাড়ি ২০২৫ সালে ইউরোপে গ্রাহক পছন্দের শীর্ষে ফ্রান্সে ১৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম নিষিদ্ধে বিল পাস
বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নথিপত্রহীন ৫ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করার ঘোষণা স্পেনের

প্রতিনিধি: / ৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ : ইউরোপের অন্যান্য দেশ যখন অভিবাসন নীতি কঠোর করছে, তখন সম্পূর্ণ বিপরীত এক মানবিক ও দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছে স্পেনের বামপন্থী জোট সরকার। দেশটিতে নথিপত্রহীনভাবে বসবাসকারী প্রায় ৫ লাখ অনিয়মিত অভিবাসীকে বৈধতা দেওয়ার জন্য একটি বিশেষ অধ্যাদেশ অনুমোদন করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার স্পেনের অভিবাসন মন্ত্রী এলমা সাইজ এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের কথা নিশ্চিত করেছেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপির। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বৈধতা পাওয়া অভিবাসীরা স্পেনের যেকোনো প্রান্তে ও যেকোনো খাতে আইনগতভাবে কাজ করার সুযোগ পাবেন। মূলত স্পেনের শ্রমবাজারের সংকট মোকাবিলা ও বয়োবৃদ্ধ জনসংখ্যার বিপরীতে অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখতেই প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের সরকার এই অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ বেছে নিয়েছে। অভিবাসন মন্ত্রী এলমা সাইজ রাষ্ট্রীয় প্রচারমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জানান, বর্তমান হিসেব অনুযায়ী প্রায় ৫ লাখ মানুষ এই ডিক্রির সুফল পাবেন। নতুন এই আইনের ফলে অভিবাসীরা কেবল বসবাসের অনুমতিই পাবেন না, বরং তারা জাতীয় বীমা ও কর প্রদানের মাধ্যমে স্পেনের অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখতে পারবেন। উল্লেখ্য, এর আগে দেশটিতে বৈধতা পেতে তিন বছর বসবাসের শর্ত থাকলেও নতুন নিয়মে তা কমিয়ে দুই বছর করা হয়েছে। এছাড়া পারিবারিক পুনর্মিলন এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ভিসা পদ্ধতিগুলোকেও অনেক বেশি সহজ ও আধুনিকায়ন করা হয়েছে। স্পেনের অর্থনীতি বর্তমানে ইউরোপের মধ্যে দ্রুত বর্ধনশীল। এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে প্রতি বছর প্রায় আড়াই লাখ নিবন্ধিত বিদেশি শ্রমিকের প্রয়োজন বলে মনে করছে দেশটির সরকার। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা স্পেনের এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপের অভিবাসন রাজনীতিতে একটি বড় ধরনের মোড় হিসেবে দেখছেন। জার্মানি, হাঙ্গেরি বা ইতালির মতো দেশগুলো কঠোর সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও বহিষ্কারের নীতি অনুসরণ করছে। সেখানে স্পেন বৈধকরণের মাধ্যমে অভিবাসীদের মূলধারার সমাজ ও অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করছে। এই উদ্যোগের ফলে স্পেনে থাকা কয়েক হাজার বাংলাদেশি অভিবাসীরও বৈধ হওয়ার পথ সুগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই মানবিক পদক্ষেপের মাধ্যমে মানবাধিকার রক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি—উভয় লক্ষ্য অর্জনই স্পেনের মূল উদ্দেশ্য।


এই বিভাগের আরো খবর