Dhaka ০৯:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন সাইফ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:২৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৩ Time View

ভারতের ভোপালে সাড়ে ১৬ একর জমি নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছরের আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও তার পরিবার। সম্প্রতি ভোপালের জেলা আদালত জমিটির মালিকানা সংক্রান্ত একটি মামলা খারিজ করে সাইফদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এর ফলে ১৬.৬২ একর বিতর্কিত ওই জমির মালিকানা সাইফ আলি খান, তার মা শর্মিলা ঠাকুর এবং দুই বোনের হাতেই থাকল। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভোপালের নয়া পুরা এলাকায় অবস্থিত এই জমিটি নিয়ে ১৯৯৮ সালে আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে একটি মামলা করেন। তাদের দাবি ছিল, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিটি দান করেছিলেন। সেই থেকে তারা এই জমির ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করে আসছিলেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, মামলাকারীরা তাদের দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো দলিল বা সরকারি রেকর্ড পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া ঘটনার প্রায় ৬০ বছর পর এই মামলা দায়ের করাকেও অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচনা করেছেন বিচারক। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবেই আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। এই রায়ের মাধ্যমে ভোপালের প্রাক্তন রাজপরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই বিশাল সম্পত্তির ওপর পাতৌদি পরিবারের উত্তরাধিকার স্বীকৃত হলো। দীর্ঘদিন আইনি জটিলতার কারণে সাইফ আলি খান ও তার পরিবার এই জমিতে কোনো কাজ করতে পারছিলেন না। আদালতের এই রায়ে তারা বড় ধরনের স্বস্তি পেলেন। তবে রায় ঘোষণার পর সাইফ বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন সাইফ

Update Time : ০৭:২৩:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

ভারতের ভোপালে সাড়ে ১৬ একর জমি নিয়ে দীর্ঘ ২৫ বছরের আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান ও তার পরিবার। সম্প্রতি ভোপালের জেলা আদালত জমিটির মালিকানা সংক্রান্ত একটি মামলা খারিজ করে সাইফদের পক্ষে রায় দিয়েছেন। এর ফলে ১৬.৬২ একর বিতর্কিত ওই জমির মালিকানা সাইফ আলি খান, তার মা শর্মিলা ঠাকুর এবং দুই বোনের হাতেই থাকল। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ভোপালের নয়া পুরা এলাকায় অবস্থিত এই জমিটি নিয়ে ১৯৯৮ সালে আকিল আহমেদ ও তার সহযোগীরা আদালতে একটি মামলা করেন। তাদের দাবি ছিল, ১৯৩৬ সালে ভোপালের তৎকালীন নবাব হামিদুল্লাহ খান তাদের পূর্বপুরুষদের এই জমিটি দান করেছিলেন। সেই থেকে তারা এই জমির ওপর নিজেদের অধিকার দাবি করে আসছিলেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত পর্যবেক্ষণে জানায়, মামলাকারীরা তাদের দাবির সপক্ষে নির্ভরযোগ্য কোনো দলিল বা সরকারি রেকর্ড পেশ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এছাড়া ঘটনার প্রায় ৬০ বছর পর এই মামলা দায়ের করাকেও অযৌক্তিক হিসেবে বিবেচনা করেছেন বিচারক। পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবেই আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। এই রায়ের মাধ্যমে ভোপালের প্রাক্তন রাজপরিবারের ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত এই বিশাল সম্পত্তির ওপর পাতৌদি পরিবারের উত্তরাধিকার স্বীকৃত হলো। দীর্ঘদিন আইনি জটিলতার কারণে সাইফ আলি খান ও তার পরিবার এই জমিতে কোনো কাজ করতে পারছিলেন না। আদালতের এই রায়ে তারা বড় ধরনের স্বস্তি পেলেন। তবে রায় ঘোষণার পর সাইফ বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।