Dhaka ০১:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কচুয়ায় উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানে ঝুঁকছেন চাষিরা বোরো মৌসুমে বীজতলা তৈরীতে ব্যস্তত সময় পার করেছে কৃষক

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১০৪ Time View

শুভংকর দাস বাচ্চু কচুয়া (বাগেরহাট) থেকে
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে জমি প্রস্তুত, বীজতলা
তৈরি ও বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

দুই ফসলি জমিতেও এবার বোরো আবাদ করা সম্ভব হওয়ায় উচ্চ ফলনশীল ও আগাম
জাতের ধান চাষে চাষিদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বেশি ফলন ও বাজারে
ভালো দাম পাওয়ার আশায় এসব জাতের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়
কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার বাধাল, গোপালপুর, রাড়ীপাড়া, এলাকায় ঘুরে দেখা
গেছে—কৃষকরা বীজতলা তৈরির জন্য জমি তৈরি করছেন। বীজের দোকান গুলোতে উচ্চ
ফলনশীল উন্নত জাতের বীজ বেশী বিক্রয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, কচুয়ায় ৭টি ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার ৭৪৫ হেক্টরের
অধিক জমিতে বোরো আবাদ করার ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে
হাইব্রিড জাতের ৬ হাজার ৮৪০ হেকটর, উফসী জাতের ৯০৫ হেক্টর।  প্রায় ৫৫০
হেক্টর জমিতে বীজ তলা প্রস্তুত করা হচ্ছে। বাধাল, গোপালপুর ও রাড়ীপাড়া
ইউনিয়নে সর্বাধিক আবাদ হয়ে থাকে। গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় বাম্পার ফলন
হওয়ায় এবার নতুন জাতের ধান রোপণে উৎসাহী হচ্ছেন কৃষকেরা।

বাধাল ইউনিয়নের মসনী গ্রামের ধুব্র দাস ও জসিম শেখ বলেন, “বীজতলা তৈরির
জন্য জমি বানাচ্ছি। আগের তুলনায় উচ্চ ফলনশীল জাতেই বেশি লাভ হয়—তাই এবারও
সেই ধান বপন করব।” গোপালপুর ইউনিয়নের তাপস মৃধার একই অভিমত—“ভালো ফলনের
জন্য আমরা সবাই এখন উন্নত জাতের বীজের ওপর নির্ভর করছি।” স্থানীয় কৃষকেরা
জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে তারা লাভবান হচ্ছেন। পাশাপাশি কৃষি
অফিসের পরামর্শ ও সরকারি প্রণোদনা পাওয়ায় বোরো আবাদে উৎসাহ আরও বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী বলেন, “উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান
চাষে কৃষকের ফলন ভালো হচ্ছে। বাজারেও দাম পাচ্ছেন সন্তোষজনক। তাই চাষে
আগ্রহ বাড়ছে। বীজতলা তৈরিসহ মাঠ পর্যায়ে সকল কার্যক্রমে  পরিদর্শন সহ
পরামর্শ দিচ্ছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই কম হলে এবারও কৃষকরা
ভালো ফলন পাবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে আগুন, ৩০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই

কচুয়ায় উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানে ঝুঁকছেন চাষিরা বোরো মৌসুমে বীজতলা তৈরীতে ব্যস্তত সময় পার করেছে কৃষক

Update Time : ১২:২৭:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর ২০২৫

শুভংকর দাস বাচ্চু কচুয়া (বাগেরহাট) থেকে
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় বোরো মৌসুমকে সামনে রেখে জমি প্রস্তুত, বীজতলা
তৈরি ও বীজ বপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

দুই ফসলি জমিতেও এবার বোরো আবাদ করা সম্ভব হওয়ায় উচ্চ ফলনশীল ও আগাম
জাতের ধান চাষে চাষিদের আগ্রহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বেশি ফলন ও বাজারে
ভালো দাম পাওয়ার আশায় এসব জাতের প্রতি ঝোঁক বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়
কৃষকরা।

সরেজমিনে উপজেলার বাধাল, গোপালপুর, রাড়ীপাড়া, এলাকায় ঘুরে দেখা
গেছে—কৃষকরা বীজতলা তৈরির জন্য জমি তৈরি করছেন। বীজের দোকান গুলোতে উচ্চ
ফলনশীল উন্নত জাতের বীজ বেশী বিক্রয় হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, কচুয়ায় ৭টি ইউনিয়নে প্রায় ৭ হাজার ৭৪৫ হেক্টরের
অধিক জমিতে বোরো আবাদ করার ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে
হাইব্রিড জাতের ৬ হাজার ৮৪০ হেকটর, উফসী জাতের ৯০৫ হেক্টর।  প্রায় ৫৫০
হেক্টর জমিতে বীজ তলা প্রস্তুত করা হচ্ছে। বাধাল, গোপালপুর ও রাড়ীপাড়া
ইউনিয়নে সর্বাধিক আবাদ হয়ে থাকে। গত বছর অনুকূল আবহাওয়ায় বাম্পার ফলন
হওয়ায় এবার নতুন জাতের ধান রোপণে উৎসাহী হচ্ছেন কৃষকেরা।

বাধাল ইউনিয়নের মসনী গ্রামের ধুব্র দাস ও জসিম শেখ বলেন, “বীজতলা তৈরির
জন্য জমি বানাচ্ছি। আগের তুলনায় উচ্চ ফলনশীল জাতেই বেশি লাভ হয়—তাই এবারও
সেই ধান বপন করব।” গোপালপুর ইউনিয়নের তাপস মৃধার একই অভিমত—“ভালো ফলনের
জন্য আমরা সবাই এখন উন্নত জাতের বীজের ওপর নির্ভর করছি।” স্থানীয় কৃষকেরা
জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে তারা লাভবান হচ্ছেন। পাশাপাশি কৃষি
অফিসের পরামর্শ ও সরকারি প্রণোদনা পাওয়ায় বোরো আবাদে উৎসাহ আরও বেড়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আকাশ বৈরাগী বলেন, “উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান
চাষে কৃষকের ফলন ভালো হচ্ছে। বাজারেও দাম পাচ্ছেন সন্তোষজনক। তাই চাষে
আগ্রহ বাড়ছে। বীজতলা তৈরিসহ মাঠ পর্যায়ে সকল কার্যক্রমে  পরিদর্শন সহ
পরামর্শ দিচ্ছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগবালাই কম হলে এবারও কৃষকরা
ভালো ফলন পাবে।