সর্বশেষ :
ঈদের দ্বিতীয় দিনেও ঘরমুখো মানুষের ঢল বৃষ্টি কমতেই বাড়বে তাপমাত্রা, ৩ বিভাগে বজ্রবৃষ্টির আভাস ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ত্রিমুখী সংঘর্ষ, প্রাণ গেল ৩ জনের নিহত ১২ জনেরই পরিচয় শনাক্ত, দুই গেটম্যান বরখাস্ত ওসমান হাদি হত্যা মামলা, দায় অস্বীকার মূল অভিযুক্ত ফয়সালের মোরেলগঞ্জে অটো ভ্যান চুরি: অসহায় চালকের পাশে ড. কাজী মনিরের পরিবার যুক্তরাষ্ট্রের জন্য পারমাণবিক ঝুঁকির তালিকায় পাকিস্তানও: তুলসি গ্যাবার্ড দেশে পৌঁছেছে সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত মোশাররফের মরদেহ বাহরাইন থেকে বিশেষ ফ্লাইটে ফিরছেন ২৮২ প্রবাসী বাংলাদেশি ঈদুল ফিতরের দিন বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বিনিময়
সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৫১ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নতুন রেকর্ড গড়লো বাহুবলী

প্রতিনিধি: / ১০৫ দেখেছেন:
পাবলিশ: বুধবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৫

ঐতিহাসিক কাহিনী ভিত্তিক গল্পে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘বাহুবলী দ্য এপিক’। প্রভাস-আনুশকা শেঠি জুটির ছবিটি তার পুনঃমুক্তির প্রথম সপ্তাহান্তে দর্শক ও বাণিজ্যে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ভারত থেকে প্রায় ২৭ কোটি রুপি আয় করেছে চলচ্চিত্রটি। বিদেশ থেকে এসেছে প্রায় ১০ কোটি রুপি। ফলে বিশ্বব্যাপী প্রথম সপ্তাহান্তে মোট আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩৭ কোটি রুপি। এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে পুনঃমুক্তির ক্ষেত্রে সর্বাধিক আয়ের রেকর্ড। পূর্বের রেকর্ডটি ছিল ‘সানাম তেরি কাসাম’ ছবির। সেটি ভারত থেকে ১৯ কোটি রুপি আয় করেছিল। বাহুবলী চলচ্চিত্রটির অধিকাংশ ব্যবসা এসেছে মূল তেলেগু সংস্করণ থেকে। সেখানে হিন্দি ও তামিল ভাষায় ডাব করা সংস্করণগুলো তুলনামূলকভাবে মাঝারি পারফরম্যান্স করেছে। তেলেগু রাজ্যগুলো থেকে এককভাবে প্রায় ১৫ কোটি ১০ লাখ রুপি আয় হয়েছে। প্রথম দিনের পরে আয় কিছুটা কমে যায়। দ্বিতীয় দিনে ৮ কোটি এবং রবিবারে প্রায় ৩ কোটি রুপি হয়েছে। তবুও, অন্যান্য তেলেগু পুনঃমুক্তির তুলনায় এটি ভালো। কারণ সাধারণত সেগুলো একদিনের জন্য প্রদর্শিত হয়। কিন্তু এখানে পুরো সপ্তাহান্তে আয় হয়েছে। বাণিজ্যে কিছু ধীরগতির কারণে এখন নিশ্চিত নয় যে ‘বাহুবলি দ্য এপিক’ ভারতীয় পুনঃমুক্তির ইতিহাসে সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র ‘সানাম তেরি কাসাম’-কে (৪০ কোটি টাকা) অতিক্রম করতে পারবে কি না। এই ধীরগতির কারণে ‘পুষ্পা ২’ ভারতের সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্রের খেতাব বজায় রাখতে সক্ষম হবে। ‘বাহুবলী দ্য এপিক’ ছবিটি আঞ্চলিক বাজারে এপি/টিএস থেকে ১৫ কোটি ১০ লাখ, নিজাম থেকে ৮ কোটি ৫০ লাখ, সিডেড থেকে ১ কোটি ৬০ লাখ, আন্ধ্রা থেকে ৫ কোটি, কর্ণাটক: ৩ কোটি ৪০ লাখ, তামিলনাডু-কেরালা থেকে ৩ কোটি ও ভারতের অন্যান্য অঞ্চল থেকে আয় করেছে ৫ কোটি ২৫ লাখ রুপি। বিদেশের মধ্যে উত্তর আমেরিকা থেকে ৭৫ লাখ ডলার ও বিশ্বের অন্যান্য অংশ থেকে ৪০ লাখ ডলার আয় করেছে।


এই বিভাগের আরো খবর