Dhaka ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শরীরে পানির ঘাটতি হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • ১৮৪ Time View

গ্রীষ্মের গরম এখন প্রকৃতিজুড়ে। প্রচণ্ড গরমে সারাক্ষণ ঘাম হয়। ফলে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় অনেকটুকু পানি। এতে মারাত্মক পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। সুস্থ থাকতে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান করা ভীষণ জরুরি। তৃষ্ণা লাগার পাশাপাশি আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় যে ডিহাইড্রেশন হয়েছে। জেনে নিন সেগুলো কী কী-

১.অনেক গরমে না ঘামাও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ। ঘামের মাধ্যমে শরীর তার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। না ঘামা তাই খারাপ লক্ষণ।
২.শরীর থেকে পানি কমে গেলে রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হার্টকে কাজ করতে হয় বেশি। এতে পালপিটিশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩.অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত বোধ করা ও মুখের ভেতরের অংশ শুকিয়ে যাওয়া পানি কমে যাওয়ার লক্ষণ।
৪.ডিহাইড্রেশনের কারণে ক্লান্তিবোধ হতে পারে। এছাড়া মাথাব্যথাও শরীর থেকে পানি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ।
৫.শিশুদের ক্ষেত্রে জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া, কাঁদলেও অশ্রু বের না হওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া ও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখলে বুঝবেন শিশু ডিহাইড্রেশনে ভুগছে। মারাত্মক ক্ষেত্রে শিশুর চোখ এবং গাল বসে যাওয়া, দ্রুত শ্বাস নেওয়া ও দুর্বল নাড়ি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় শিশুর মাথার উপরের নরম অংশটি ভেতরের দিকে ঢ়ুকে যায়।
৬.গাঢ় হলুদ ও দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাবও শরীরে পানির ঘাটতি নির্দেশ করে।

Tag :
About Author Information

Md Shibbir Ahmed

ট্রাম্প চাচ্ছে ২০ বছর, ইরান অনড় ৫ বছরে

শরীরে পানির ঘাটতি হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

Update Time : ০১:১৪:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

গ্রীষ্মের গরম এখন প্রকৃতিজুড়ে। প্রচণ্ড গরমে সারাক্ষণ ঘাম হয়। ফলে শরীর থেকে বেরিয়ে যায় অনেকটুকু পানি। এতে মারাত্মক পানিশূন্যতা তৈরি হতে পারে। সুস্থ থাকতে শরীরের চাহিদা অনুযায়ী পানি পান করা ভীষণ জরুরি। তৃষ্ণা লাগার পাশাপাশি আরও কিছু লক্ষণ রয়েছে যেগুলো দেখলে বোঝা যায় যে ডিহাইড্রেশন হয়েছে। জেনে নিন সেগুলো কী কী-

১.অনেক গরমে না ঘামাও ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ। ঘামের মাধ্যমে শরীর তার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। না ঘামা তাই খারাপ লক্ষণ।
২.শরীর থেকে পানি কমে গেলে রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে হার্টকে কাজ করতে হয় বেশি। এতে পালপিটিশনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
৩.অতিরিক্ত তৃষ্ণার্ত বোধ করা ও মুখের ভেতরের অংশ শুকিয়ে যাওয়া পানি কমে যাওয়ার লক্ষণ।
৪.ডিহাইড্রেশনের কারণে ক্লান্তিবোধ হতে পারে। এছাড়া মাথাব্যথাও শরীর থেকে পানি কমে যাওয়ার অন্যতম লক্ষণ।
৫.শিশুদের ক্ষেত্রে জিহ্বা শুকিয়ে যাওয়া, কাঁদলেও অশ্রু বের না হওয়া, প্রস্রাব কমে যাওয়া ও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অস্থিরতা দেখলে বুঝবেন শিশু ডিহাইড্রেশনে ভুগছে। মারাত্মক ক্ষেত্রে শিশুর চোখ এবং গাল বসে যাওয়া, দ্রুত শ্বাস নেওয়া ও দুর্বল নাড়ি দেখা দিতে পারে। অনেক সময় শিশুর মাথার উপরের নরম অংশটি ভেতরের দিকে ঢ়ুকে যায়।
৬.গাঢ় হলুদ ও দুর্গন্ধযুক্ত প্রস্রাবও শরীরে পানির ঘাটতি নির্দেশ করে।