Dhaka ০৯:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যত্রতত্র কান পরিষ্কার নয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৭:১৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ২৩৪ Time View

কান দিয়ে অনেকেরই পানি-পুঁজ পড়ে থাকে কিংবা কানপাকা রোগ হয়ে থাকে। কানে তুলনামূলক কম শোনা, মাথা ঘোরানো, কানে শোঁ শোঁ শব্দ ইত্যাদি কারণে পোহাতে হয় নানা রকম দুর্ভোগ। দারিদ্র্য, অপুষ্টি, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্বাস্থ্য-শিক্ষার অভাবসহ বিভিন্ন কারণকে এজন্য দায়ী করা হয়। এই রোগ যে কোনো বয়সে এবং নারী-পুরুষ সবাই আক্রান্ত হতে পারে। তবে শহরবাসীর তুলনায় গ্রামের মানুষের এ রোগ বেশি হয়। কানপাকা রোগটি মূলত দুই ধরনের- সেফ টাইপ বা টিউবোটিমপেনিক টাইপ। সাধারণত এটাতে তেমন কোনো জটিলতা দেখা যায় না। এ ছাড়া আনসেফ টাইপ বা এটিকোএন্ট্রাল টাইপ। এ ধরনের কানপাকা রোগ থেকে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- ব্রেইনঅ্যাবসেস, ম্যানিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ইত্যাদি। কানের সমস্যা থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি। অযথা কান খোঁচাবেন না, ম্যাচের কাঠি, মুরগির পাখনা, ক্লিপ, নখ ইত্যাদি দিয়ে কান চুলকাবেন না। রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করানোর জন্য বসে পড়বেন না। গোসলের সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যাতে কোনোভাবেই কানে পানি প্রবেশ করতে না পারে। প্রয়োজনে ইয়ারপ্লাগ দিয়ে গোসল করবেন। পুকুরে বা নদীতে ডুব দিয়ে গোসল করবেন না। ফ্রিজের পানি, আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয় ইত্যাদি পরিহার করে চলবেন। সর্দি, কাশি, ঠান্ডা, জ্বর, নাক বন্ধ, গলাব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলবেন। কোনো সমস্যা হলে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।

Tag :
About Author Information

Md Shibbir Ahmed

জনপ্রিয়

হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা করলেই জাহাজে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

যত্রতত্র কান পরিষ্কার নয়

Update Time : ০৭:১৫:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কান দিয়ে অনেকেরই পানি-পুঁজ পড়ে থাকে কিংবা কানপাকা রোগ হয়ে থাকে। কানে তুলনামূলক কম শোনা, মাথা ঘোরানো, কানে শোঁ শোঁ শব্দ ইত্যাদি কারণে পোহাতে হয় নানা রকম দুর্ভোগ। দারিদ্র্য, অপুষ্টি, স্বাস্থ্য সচেতনতা ও স্বাস্থ্য-শিক্ষার অভাবসহ বিভিন্ন কারণকে এজন্য দায়ী করা হয়। এই রোগ যে কোনো বয়সে এবং নারী-পুরুষ সবাই আক্রান্ত হতে পারে। তবে শহরবাসীর তুলনায় গ্রামের মানুষের এ রোগ বেশি হয়। কানপাকা রোগটি মূলত দুই ধরনের- সেফ টাইপ বা টিউবোটিমপেনিক টাইপ। সাধারণত এটাতে তেমন কোনো জটিলতা দেখা যায় না। এ ছাড়া আনসেফ টাইপ বা এটিকোএন্ট্রাল টাইপ। এ ধরনের কানপাকা রোগ থেকে মারাত্মক জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। যেমন- ব্রেইনঅ্যাবসেস, ম্যানিনজাইটিস, এনসেফালাইটিস, ফেসিয়াল প্যারালাইসিস ইত্যাদি। কানের সমস্যা থেকে বাঁচতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সচেতনতা জরুরি। অযথা কান খোঁচাবেন না, ম্যাচের কাঠি, মুরগির পাখনা, ক্লিপ, নখ ইত্যাদি দিয়ে কান চুলকাবেন না। রাস্তাঘাটে যেখানে সেখানে কান পরিষ্কার করানোর জন্য বসে পড়বেন না। গোসলের সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, যাতে কোনোভাবেই কানে পানি প্রবেশ করতে না পারে। প্রয়োজনে ইয়ারপ্লাগ দিয়ে গোসল করবেন। পুকুরে বা নদীতে ডুব দিয়ে গোসল করবেন না। ফ্রিজের পানি, আইসক্রিম, ঠান্ডা পানীয় ইত্যাদি পরিহার করে চলবেন। সর্দি, কাশি, ঠান্ডা, জ্বর, নাক বন্ধ, গলাব্যথা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলবেন। কোনো সমস্যা হলে শুরুতেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।