Dhaka ০৮:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সম্পর্কে দূরত্ব বাড়লে করনীয়

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪
  • ৩৯৭ Time View

লাইফস্টাইল: আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশেষ দিনটি উদযাপন করতে কমবেশি সবাই মাকে দিচ্ছেন পছন্দের উপহার। কিন্তু আপনি বেশ বিব্রত বোধ করছেন মাকে উপহার দিতে গিয়ে। এর মানে আপনার মায়ের সঙ্গে সহজ সম্পর্কটা হারিয়ে গেছে। নানা কারণে এমনটি হতে পারে। বয়সের গ্যাপের কারণে মায়ের সঙ্গে সন্তানের বিবাদ মা মনোমালিন্য হতে পারে। তখন হঠাৎই মনে হয় চিরচেনা মানুষটি বুঝি অচেনা হয়ে গেল! এভাবে ধীরে ধীরে মায়ের সঙ্গে সহজ সম্পর্কতে চলে আসে দূরত্ব। এমনটা হলে কী করবেন? মায়ের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ হচ্ছে জেনারেশন গ্যাপ বা প্রজন্মের দূরত্ব। দুই প্রজন্মের মধ্যেকার সময় এবং দূরত্বটুকু অনেক সময় চলে আসে আমাদের সম্পর্কের মাঝে। এটা শুধু মায়ের সঙ্গেই নয়, বাবা কিংবা নিজেদের ভাই-বোনের সঙ্গেও তৈরি হতে পারে। যার মূল কারণটিই হলো, প্রজন্মের তফাৎ। কেননা প্রযুক্তি, চলতি রীতিনীতি অনেক কিছুই বদলে দেয় সময় এবং আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি। ফলে দুজনের পছন্দÐঅপছন্দ থেকে শুরু করে জীবনযাপন, চিন্তার জগতটাও হয়ে পড়ে আলাদা। এ ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে মায়ের সঙ্গে শান্তভাবে আলাপ করুন, তাকে নানা উদাহরণ টেনে বোঝান। ব্যক্তি হিসেবে আপনার পছন্দÐঅপছন্দের গুরুত্ব পাওয়াটা কেন জরুরি সেটা মাকে বুঝিয়ে বলুন। চেষ্টা করুন তার পছন্দ ও অপছন্দকেও গুরুত্ব দিতে। অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে যোগাযোগ কমে যায় মায়ের সঙ্গে। মাও অভিমান করে বসেন। ফলে বাড়তে থাকে দূরত্ব। এক্ষেত্রেও পারস্পারিক বোঝাপড়াটা জরুরি। যেকোনো সম্পর্কেই দ্ব›দ্ব বা সমস্যা মেটানোর জন্য প্রয়োজন দু’পক্ষের মধ্যকার যোগাযোগ। নিজেদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আলোচনায় বসুন। হয়তো পরীক্ষায় খারাপ ফল করার জন্য মা একটু বেশিই বকাঝকা করে ফেললেন। কিংবা আপনার কোনো পছন্দের সঙ্গে মায়ের পছন্দ মোটেও মিলছে না। সেসব ক্ষেত্রে কিছুটা সময় নিন। তারপর মাকে বুঝিয়ে বলুন। যোগাযোগই এই দূরত্ব কমিয়ে আনতে পারে। আপনি হয়তো ভাবছে যে ‘মা কেন এই সামান্য বিষয়টা বুঝতে পারছে না?’ হয়তো মাও একই কথা ভাবছেন। আপনাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করেন কিন্তু মা-ই। তাই ধৈর্য্যহারা না হয়ে একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করুন এসব পরিস্থিতিতে। কখনও রাগের মাথায় মাকে অসম্মান করে কিছু বলে বসবেন না। মাঝে মাঝে নীরব থাকার চেষ্টা করাও জরুরি। পরে সুবিধা মতো সময়ে মাকে বুঝিয়ে বলুন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

হরমুজ অতিক্রমের চেষ্টা করলেই জাহাজে হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের

সম্পর্কে দূরত্ব বাড়লে করনীয়

Update Time : ০১:১১:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ মে ২০২৪

লাইফস্টাইল: আজ বিশ্ব মা দিবস। বিশেষ দিনটি উদযাপন করতে কমবেশি সবাই মাকে দিচ্ছেন পছন্দের উপহার। কিন্তু আপনি বেশ বিব্রত বোধ করছেন মাকে উপহার দিতে গিয়ে। এর মানে আপনার মায়ের সঙ্গে সহজ সম্পর্কটা হারিয়ে গেছে। নানা কারণে এমনটি হতে পারে। বয়সের গ্যাপের কারণে মায়ের সঙ্গে সন্তানের বিবাদ মা মনোমালিন্য হতে পারে। তখন হঠাৎই মনে হয় চিরচেনা মানুষটি বুঝি অচেনা হয়ে গেল! এভাবে ধীরে ধীরে মায়ের সঙ্গে সহজ সম্পর্কতে চলে আসে দূরত্ব। এমনটা হলে কী করবেন? মায়ের সঙ্গে দূরত্ব বেড়ে যাওয়ার একটি বড় কারণ হচ্ছে জেনারেশন গ্যাপ বা প্রজন্মের দূরত্ব। দুই প্রজন্মের মধ্যেকার সময় এবং দূরত্বটুকু অনেক সময় চলে আসে আমাদের সম্পর্কের মাঝে। এটা শুধু মায়ের সঙ্গেই নয়, বাবা কিংবা নিজেদের ভাই-বোনের সঙ্গেও তৈরি হতে পারে। যার মূল কারণটিই হলো, প্রজন্মের তফাৎ। কেননা প্রযুক্তি, চলতি রীতিনীতি অনেক কিছুই বদলে দেয় সময় এবং আমাদের পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতি। ফলে দুজনের পছন্দÐঅপছন্দ থেকে শুরু করে জীবনযাপন, চিন্তার জগতটাও হয়ে পড়ে আলাদা। এ ক্ষেত্রে বিষয়টি নিয়ে মায়ের সঙ্গে শান্তভাবে আলাপ করুন, তাকে নানা উদাহরণ টেনে বোঝান। ব্যক্তি হিসেবে আপনার পছন্দÐঅপছন্দের গুরুত্ব পাওয়াটা কেন জরুরি সেটা মাকে বুঝিয়ে বলুন। চেষ্টা করুন তার পছন্দ ও অপছন্দকেও গুরুত্ব দিতে। অনেক সময় ব্যস্ততার কারণে যোগাযোগ কমে যায় মায়ের সঙ্গে। মাও অভিমান করে বসেন। ফলে বাড়তে থাকে দূরত্ব। এক্ষেত্রেও পারস্পারিক বোঝাপড়াটা জরুরি। যেকোনো সম্পর্কেই দ্ব›দ্ব বা সমস্যা মেটানোর জন্য প্রয়োজন দু’পক্ষের মধ্যকার যোগাযোগ। নিজেদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আলোচনায় বসুন। হয়তো পরীক্ষায় খারাপ ফল করার জন্য মা একটু বেশিই বকাঝকা করে ফেললেন। কিংবা আপনার কোনো পছন্দের সঙ্গে মায়ের পছন্দ মোটেও মিলছে না। সেসব ক্ষেত্রে কিছুটা সময় নিন। তারপর মাকে বুঝিয়ে বলুন। যোগাযোগই এই দূরত্ব কমিয়ে আনতে পারে। আপনি হয়তো ভাবছে যে ‘মা কেন এই সামান্য বিষয়টা বুঝতে পারছে না?’ হয়তো মাও একই কথা ভাবছেন। আপনাকে নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তা করেন কিন্তু মা-ই। তাই ধৈর্য্যহারা না হয়ে একে অপরকে বুঝতে চেষ্টা করুন এসব পরিস্থিতিতে। কখনও রাগের মাথায় মাকে অসম্মান করে কিছু বলে বসবেন না। মাঝে মাঝে নীরব থাকার চেষ্টা করাও জরুরি। পরে সুবিধা মতো সময়ে মাকে বুঝিয়ে বলুন।