বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...
/ সাহিত্য
মোশতাক আল মেহেদী চোখ আমার রোদের প্রখরতা সহ্য করেনা সে কারণে আমি ঘর মুখো তবে ভালোবাসি আলো, বাগানের আলো ছায়া নিয়ে খেলা করে জানালার ওপাশে আরো....
মোশতাক আল মেহেদী কেমন আছো এ কথাটা নিজের সঙ্গে বলি তাতে কারো লাভক্ষতি নেই এখন তো দেখি মানুষেরা হিসাব নিকাশে সময়
জিয়া সাঈদ যেতে যেতে সম্মুখে শুধু দাগ থাকে ফাঁকা হতে থাকে সারি পাশ থেকেও হঠাৎ কেউ পড়ে যায় খাদে সঙ্গীসাথী কাঁদে বিমূঢ় বিথান থাকে কিছুদিন তারপর দায় দাবি – পৃথিবীর
হুমায়ূন আহমেদ স্যার, আমি পিশাচ-সাধনা করি। আমি কৌতূহল নিয়ে পিশাচ-সাধকের দিকে তাকালাম। মামুলি চেহারা। মুখভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি। মাথায় চুল নেই। শরীরের তুলনায় মাথা বেশ ছোট। সেই মাথা শারীরিক কোনো
সত্য কুম্ভকার দীর্ঘশ্বাসের বাতাসে ভেসে শীতল হয় আমার গা, পুরোনো বাড়ির চিলেকোঠায় কাঁপে একটা থোলা ছায়া। ভাঙা জানলা, ধুলোয় মাখা, আবছা চাঁদের আলো, ফিসফিসিয়ে কে যেন ডাকে, “তুমি কি আমায়
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল সড়কের মড়কে মরছে মানুষ নিত্য চলতে গিয়ে সড়ক পথে ভয়ে কাঁপে চিত্ত, সড়কের অপর নাম মৃত্যুফাঁদ বলা চলে আমরা বাঁচব কি করে সচেতন না হলে?
মোশতাক আল মেহেদী পাখি আসে পাখি যায় পাখির খাবার আছে বারান্দায়, তবু কেন পাতার আড়ালে ঘুঘুরা ঘুমায়? কিছু কিছু অচেনা পাখির নাম শোনা যায় তবু কতো পাখি দেখি নাই, পাখি
সানযিয়া  অর্নি যতই চেষ্টা করো অন্ধকার ঢালতে, আলো কখনো নিভবে না আল্লাহর রহমতের বাতাসে। তোমাদের ষড়যন্ত্র ভেঙে যাবে ধূলির মতো, কারণ আমার পরিবার আছে সেই রবের আশ্রয়ে, যিনি সব জানেন।