শিরোনাম :
পালক পতাকা দেখো
জিয়া সাঈদ পালক পতাকা দেখো উড্ডীনেই উজ্জ্বল হে অনুগামী – তোমাকে তো আমি ঔজ্জ্বল্যের মর্ম , মর্যাদার কথা বলেছি ;
পাহাড় পেরুলেই
জিয়া সাঈদ কড়া নেড়ে নেড়ে কত দুয়ার থেকে ফিরে এসেছি কত সম্ভাব্যে গিয়ে হয়েছি মলিন তবু উদ্যমেই রেখেছি অন্বেষণ.. কুয়াশায়
কত পুরনো চোখ
জিয়া সাঈদ কত পুরনো চোখের সাথে আচানক হয়ে যায় আলো বিনিময় এমনও তো হয়েছে কোনো নিখোঁজ স্বরে আবার বেজে ভিজে
যদি দূরে যাই বলে যাবো
মোশতাক আল মেহেদী যদি দূরে যাই বলে যাবো আপাতত কিছুদিন নিজের ভিতরে, দিনের শুরুতে আলোটা
বাবা বাড়ি নেই
জিয়া সাঈদ বাবা বাড়ি নেই ছায়া আছে ঘরে সেই যে এক ঘোর রাতকে ঘোরতর করে চলে গেল তারপর থেকে মেঘে
কোনো কোনো দিন
হাসান জামান কোনো কোনো দিন জেগে উঠে নদী পাড়ভাঙা ঢেউ হাকালুকি হাওরে জলের প্রপাত গলে যায় নক্ষত্র বিষন্ন রাত রক্ত
গল্প: এক আদর্শ পিতা
আতাউর রাহমান নাটোর জেলার এক অজপাড়া গ্রাম বিলাশপুর। এই গ্রামে বাস করতেন আব্দুল মতিন, এক সাধারণ কৃষক, কিন্তু এক অসাধারণ
কী যে চাওয়া কী যে পাওয়া
হাসান হাফিজ নিঃসঙ্গতা জ্বেলে জ্বেলে অন্ধকারে পথ চলে কবি নৈঃসঙ্গ্যই তার ধ্যান আরাধনা সাধনার সিদ্ধি ও সুন্দর! একাকিত্ব, নিঝুম রোদন
ডাকবাক্স নেই
মোশতাক আল মেহেদী লাল ডাকবাক্স নেই ডাক পিয়নের হাতে সুন্দর খামের প্রেমপত্র নেই, তবু সুকান্তর কবিতা আছে গগন হরকরার বাউল




















