বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...
/ সাহিত্য
জিয়া সাঈদ ছেঁড়া পালের মতো মা’র আঁচল ওড়ে যেতে যেতে ঘুরে ঘুরে দেখি বাড়ির শেষে বিচল ঝাউয়ের নিচে আরেকটা ঝাউ হয়ে মা দাঁড়িয়ে আছে নায়রের নাও থেকে দুটি ভেজা চোখ আরো....
হাসান খান মেঘলা আকাশ, গুমোট হাওয়া, হঠাৎ ঝমঝম বৃষ্টি এসে যাওয়া। টিনের চালে নুপুর বাজে, ধরা পড়ে সুরের মাঝে। পাতার কোলে জলধারা, ছোট্ট পাখির জলস্নান কারা? কাদার পথেও ছন্দ জাগে,
রেজাউল করিম রোমেল কি হবে আর মনে রেখে,- সুখেই তো আছ। সুখের সংসার,সরকারী চাকরিজীবী স্বামী, তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন নাকি তোমাকে অনেক ভালোবাসে এবং যতœ-ও করে। তোমার স্বামী-ও তোমাকে নাকি
মোশতাক আল মেহেদী কথা ছোট হতে হতে বিন্দুতে ঠেকেছে এটা মন্দ নয়, কথা বলার লোক তো নেই সবাই টাকার গল্প বলে। হুশ থাকে না কী
জিয়া সাঈদ যেখানেই থাকি – উজানে, উত্তাল পাথারে এমনকি জীবন যখন সবুজ মুখোশের অধীন বাতাসে ভায়োডিন আর মৃত্যু মৃত্যু গন্ধ তখনও তটভূমে তুমি কী দিব্যি – জ্বেলে রাখো মায়াবী
ডোরোরো সবুজে মোড়া সোনার দেশ, বাংলা মায়ের ভালোবেস। পাখির কলরব গায় গান, মাটির গন্ধে মেলে প্রাণ। পদ্মা-মেঘনা যমুনা বয়, স্মৃতির পাতায় রক্তের ক্ষয়। একুশে ফেব্রু, মুক্তির রণ, বীরের রক্তে লেখা
পল মুয়াদ্দিব তালহার জীবনে কোনো কিছু হঠাৎ আসে না। তার জীবন ছিল ঢেউহীন পুকুরের মতোÑএকঘেয়ে, নিশ্চুপ। সে ছিল চুপচাপ, বইপ্রেমিক, আকাশ দেখতে ভালোবাসত, কিন্তু বন্ধুদের আড্ডা, খেলা কিংবা প্রাণবন্ত জীবনের
মোশতাক আল মেহেদী কখনো অপেক্ষা কখনো বা ইচ্ছেঘুড়ি, এসব নিয়েই সময় দাঁড়ায় মাটির কাছাকাছি, ভালো থাকো আনন্দ