Dhaka ১২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 মোরেলগঞ্জে বিদুৎতের বেহাল দশা, রোগীদের ভোগান্তি চরমে 

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:৩২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৬ Time View

এম. পলাশ শরীফ, চিফ রিপোর্টারঃ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় দফায় দফায় বিদ্যুতের লোডসেডের কারনে মানুষের জীবন যাত্রা চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। েএদিকে হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগীদের ভোগান্তি এখন চরমে।
মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। শরণখোলা উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। এখানে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে এক লাখ ত্রিশ হাজারের বেশি। পল্লী বিদ্যুৎ আঞ্চলিক অফিস মোরেলগঞ্জে ২ টি উপজেলা নিয়ত্রন করে থাকে। অফিস সূত্রে জানাগেছে,  দুই উপজেলায় প্রতিদিন ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতর প্রয়োজন। সেখানে  ১১ থেকে ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এই বিদ্যুৎ দিয়ে আমাদের চালাতে হচ্ছে।
গুলিশাখালি গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাতে ৪ ঘন্টা আর দিন ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেয়ে থাকি। সেটা একটানা নয়। এই ৬ ঘন্টা বিভিন্ন সময়। খাউলিয়া গ্রামের রুহুল আমিন বলেন, ২৪ ঘন্টায় ৪/৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেয়েথাকি। রাতে ৩ ঘন্টা বিভিন্ন সময় এবং দিনের বেলায় ১/২ ঘন্টা বিভিন্ন সময়। বিদ্যুৎ সরবরাহ নাথাকা ক্ষদ্র ও মাঝারি শিল্পে ভিশন তির সম্মুখে পড়তে যাচ্ছে। মিল ও কল কারখানা দিনের অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকায় তাদে ব্যবসায় লোকসান গুনতে হবে।

Tag :
About Author Information

 মোরেলগঞ্জে বিদুৎতের বেহাল দশা, রোগীদের ভোগান্তি চরমে 

Update Time : ১১:৩২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

এম. পলাশ শরীফ, চিফ রিপোর্টারঃ বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় দফায় দফায় বিদ্যুতের লোডসেডের কারনে মানুষের জীবন যাত্রা চরম ভাবে ব্যহত হচ্ছে। েএদিকে হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে রোগীদের ভোগান্তি এখন চরমে।
মোরেলগঞ্জ উপজেলায় ১টি পৌরসভা ও ১৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। শরণখোলা উপজেলায় ৪টি ইউনিয়ন রয়েছে। এখানে বিদ্যুতের গ্রাহক সংখ্যা রয়েছে এক লাখ ত্রিশ হাজারের বেশি। পল্লী বিদ্যুৎ আঞ্চলিক অফিস মোরেলগঞ্জে ২ টি উপজেলা নিয়ত্রন করে থাকে। অফিস সূত্রে জানাগেছে,  দুই উপজেলায় প্রতিদিন ২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুতর প্রয়োজন। সেখানে  ১১ থেকে ১২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। এই বিদ্যুৎ দিয়ে আমাদের চালাতে হচ্ছে।
গুলিশাখালি গ্রামের বিদ্যুৎ গ্রাহক মো. আলতাফ হোসেন বলেন, ২৪ ঘন্টার মধ্যে রাতে ৪ ঘন্টা আর দিন ২ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেয়ে থাকি। সেটা একটানা নয়। এই ৬ ঘন্টা বিভিন্ন সময়। খাউলিয়া গ্রামের রুহুল আমিন বলেন, ২৪ ঘন্টায় ৪/৫ ঘন্টা বিদ্যুৎ পেয়েথাকি। রাতে ৩ ঘন্টা বিভিন্ন সময় এবং দিনের বেলায় ১/২ ঘন্টা বিভিন্ন সময়। বিদ্যুৎ সরবরাহ নাথাকা ক্ষদ্র ও মাঝারি শিল্পে ভিশন তির সম্মুখে পড়তে যাচ্ছে। মিল ও কল কারখানা দিনের অধিকাংশ সময় বন্ধ থাকায় তাদে ব্যবসায় লোকসান গুনতে হবে।