বিদেশ : ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আনবার প্রদেশে শিয়া সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেস (পিএমএফ)-এর একটি ঘাঁটিতে বিমান হামলায় নিহত বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে আনবার অপারেশনের কমান্ডারও রয়েছেন। এছাড়া আহত হয়েছেন আরো প্রায় ৩০ জন। গতকাল মঙ্গলবার ভোরে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্য সূত্রের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স। পিএমএফ এক বিবৃতিতে তাদের আনবার প্রদেশের কমান্ডার সাদ আল-বাইজি এবং তার ১৪ সহযোদ্ধার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তারা এই হামলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করে বলেছে, কর্তব্যরত অবস্থায় থাকা সদস্যদের ওপর কমান্ড সদর দপ্তর লক্ষ্য করে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হয়। স্বাস্থ্য সূত্র জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক, ফলে মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে। সূত্রগুলো আরো জানায়, সিনিয়র কমান্ডারদের উপস্থিতিতে একটি নিরাপত্তা বৈঠক চলাকালে পিএমএফের সদর দপ্তরকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। পিএমএফ আরবি ভাষায় ‘হাশদ আল-শাবি’ নামে পরিচিত। এটি মূলত শিয়া আধাসামরিক গোষ্ঠীগুলোর একটি জোট। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ইরাকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর অংশ এবং এর মধ্যে ইরান-সমর্থিত বেশ কয়েকটি গোষ্ঠী রয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে তেহরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো ইরাকে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়ে আসছে, যা বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে। এই সংঘাত ইরানের সীমানা ছাড়িয়ে ছড়িয়ে পড়েছে। তেহরান ইসরায়েল ও উপসাগরীয় আরব দেশগুলো যেখানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেগুলোতে হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইসরায়েল লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ সীমান্তবর্তী এলাকায় গোলাবর্ষণ করেছে।