সর্বশেষ :
নবনির্বাচিত মোজতবা খামেনির নির্দেশে ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সৌদি থেকে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলারের ইরান যুদ্ধ এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা: দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবো, বললেন ট্রাম্প জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর যুদ্ধের আঘাতে এখন পযর্ন্ত ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর নিয়োগ, পদত্যাগ সাইমুম রেজার অনির্দিষ্টকালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত নিউ জিল্যান্ড উড়িয়ে টানা দ্বিতীয়বার টি-টোয়েন্টি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারত
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৫:৩৩ পূর্বাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নবনির্বাচিত মোজতবা খামেনির নির্দেশে ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

প্রতিনিধি: / ৩৯ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ৯ মার্চ, ২০২৬

ইরানের নবনির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাঈদ মোজতবা খামেনির সরাসরি নির্দেশে আজ সোমবার ভোরে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনী। 

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশন চ্যানেল আইআরআইবি-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার ভোরে এক গুচ্ছ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। আইআরআইবি তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, (নতুন) সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাঈদ মোজতবা খামেনির নির্দেশে সোমবার ভোরের দিকে দখলদার জায়নবাদী শক্তিকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়েছে। এটি নতুন নেতার অধীনে পরিচালিত প্রথম আক্রমণ।

টেলিভিশন স্ক্রিনে একটি ক্ষেপণাস্ত্রের ছবি প্রদর্শন করে সেখানে ক্যাপশন হিসেবে লেখা ছিল- ‘আপনার নির্দেশের অপেক্ষায়, সাঈদ মোজতবা’।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুরু হওয়া সংঘাতের প্রথম দিনেই ইরানের তৎকালীন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। তার মৃত্যুর ৯ দিন পর গত সপ্তাহে ইরানের প্রভাবশালী সংস্থা ‘দ্য অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস’ তার পুত্র মোজতবা খামেনিকে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।

ইরানের রাজনৈতিক ও সামরিক কাঠামোতে সর্বোচ্চ নেতার অবস্থান সবার উপরে। তিনি দেশটির প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান বা চিফ অব কমান্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সামরিক নীতি নির্ধারণ ছাড়াও গোয়েন্দা সংস্থা, অর্থনীতি এবং পার্লামেন্টসহ রাষ্ট্রের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হয়।


এই বিভাগের আরো খবর