Dhaka ০৩:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

  • Reporter Name
  • Update Time : ০২:১৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ১ Time View

বিদেশ : জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডোতে আবারও ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (জেএমএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। জেএমএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল হোক্কাইডো দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাপ্পোরো’র ২০০ কিলোমিটার পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ৮৩ কিলোমিটার গভীরে। সংস্থাটি আরও জানায়, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত, আহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, সুনামির আশঙ্কাও নেই, তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনির কারণে হোক্কাইডোর পাহাড়গুলো থেকে বড় পাথরের পতন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। ৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পের এক ঘণ্টা আগে হোক্কাইডোর দক্ষিণাঞ্চলে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। এই ভূমিকম্পে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সামনের সপ্তাহে এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প আবারও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। গত সোমবার হোক্কাইডোর আইওয়াত জেলায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এপিসেন্টার থেকে শত শত মাইল দূরে রাজধানী টোকিওতেও অনুভূত হয় শক্তিশালী কম্পন। ভূমিকম্পে ৬ জন আহত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে জাপানে ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত এই দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প হয়। শতকরা হিসেবে বলা যায়, প্রতিবছর বিশ্বে যত ভূমিকম্প হয়, তার ১৮ শতাংশই ঘটে জাপানে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জাপান

Update Time : ০২:১৪:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

বিদেশ : জাপানের উত্তরাঞ্চলীয় দ্বীপ হোক্কাইডোতে আবারও ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। তবে এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি। সোমবার জাপানের স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ২৩ মিনিটে এই ভূমিকম্প অনুভূত হয় বলে জানিয়েছে জাপানের আবহাওয়া অধিদপ্তর (জেএমএ) এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। জেএমএ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল বা এপিসেন্টার ছিল হোক্কাইডো দ্বীপের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সাপ্পোরো’র ২০০ কিলোমিটার পূর্বে, ভূপৃষ্ঠের ৮৩ কিলোমিটার গভীরে। সংস্থাটি আরও জানায়, ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত নিহত, আহত কিংবা ক্ষয়ক্ষতির কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি, সুনামির আশঙ্কাও নেই, তবে শক্তিশালী ঝাঁকুনির কারণে হোক্কাইডোর পাহাড়গুলো থেকে বড় পাথরের পতন ও ভূমিধসের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। ৬ দশমিক ২ মাত্রার এই ভূমিকম্পের এক ঘণ্টা আগে হোক্কাইডোর দক্ষিণাঞ্চলে ৫ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছে। এই ভূমিকম্পে সুনামির কোনো আশঙ্কা নেই। তবে সামনের সপ্তাহে এমন শক্তিশালী ভূমিকম্প আবারও হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে। গত সোমবার হোক্কাইডোর আইওয়াত জেলায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছিল। এপিসেন্টার থেকে শত শত মাইল দূরে রাজধানী টোকিওতেও অনুভূত হয় শক্তিশালী কম্পন। ভূমিকম্পে ৬ জন আহত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, ভৌগলিকভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের ‘আগ্নেয় মেখলা’ অঞ্চলের ওপর অবস্থানের কারণে জাপানে ভূমিকম্প একটি নিয়মিত প্রাকৃতিক দুর্যোগ। ১২ কোটি ৫০ লাখ মানুষ অধ্যুষিত এই দেশটিতে প্রতি বছর গড়ে ১ হাজার ৫০০টি ভূমিকম্প হয়। শতকরা হিসেবে বলা যায়, প্রতিবছর বিশ্বে যত ভূমিকম্প হয়, তার ১৮ শতাংশই ঘটে জাপানে।