মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:০৮ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে চায় যুক্তরাজ্য

প্রতিনিধি: / ৭ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের কূটনৈতিক তৎপরতায় গতি এসেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুকের বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী নতুন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ইন্দো-প্যাসিফিকবিষয়ক ব্রিটিশ মন্ত্রী সীমা মালহোত্রাকে পাঠানোর জন্য যুক্তরাজ্যকে ধন্যবাদ জানান। দুই পক্ষই গভীর ঐতিহাসিক সম্পর্ক, দৃঢ় জনসম্পৃক্ততা এবং যুক্তরাজ্যে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন।

শিক্ষা, অভিবাসন, নিরাপত্তা সহযোগিতা, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এবং জনগণের মধ্যে সম্পর্ক জোরদারে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র অনুসন্ধান নিয়েও আলোচনা হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও টেকসই প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামে যুক্তরাজ্যকে নেতৃত্বমূলক ভূমিকা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

২০২৬ থেকে ২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রার্থিতার প্রতি সমর্থনও কামনা করেন তিনি। জবাবে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের প্রার্থীর যোগ্যতার বিষয়টি তিনি নিজ দেশের সদর দফতরে অবহিত করবেন এবং যুক্তরাজ্য বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সারাহ কুক বলেন, “যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে আমরা অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চাই।” তিনি জানান, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। দেশের এই নতুন অধ্যায়ে আমরা একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী।”

এর আগে ব্রিটিশ হাইকমিশনার নবনিযুক্ত পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রী দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন, স্বাস্থ্যখাত, শিক্ষা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠক শেষে উভয়পক্ষ বাংলাদেশ-যুক্তরাজ্য সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রা নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।


এই বিভাগের আরো খবর