Dhaka ০১:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেষ ষোলো নিশ্চিত করলো পিএসজি

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪৪ Time View

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমে ইতিহাস গড়ে শিরোপা জেতা পিএসজি এবার প্লে-অফ থেকে কোনোমতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। আরেক ফরাসি প্রতিদ্বন্দ্বী মোনাকোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করলেও প্রথম লেগের ৩-২ গোলের জয় বাঁচিয়ে দিয়েছে লুইস এনরিকের দলকে। দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজি ৫-৪ অ্যাগ্রিগেটে এগিয়ে রয়েছে। অবশ্য তাতে ভূমিকা রেখেছে মাত্র ৫৮ মিনিটে মোনাকো মিডফিল্ডার মামাদু কুলিবালি’র লাল কার্ড। যার পুরো সুবিধাই নিয়েছে প্যারিসিয়ানরা। অবশ্য ম্যাচজুড়েই পিএসজির দাপট ছিল। তাদের দখলে বল ছিল ৬৮ শতাংশ, পাশাপাশি ২১ শট নিয়ে লক্ষ্যে ছিল ৭টি। বিপরীতে ৯ শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে মোনাকো। প্রথমার্ধেই তারা লিড নিয়েছিল মাঘনেশ অ্যাকলিউশের গোলে, মোনাকো ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর পিএসজি খেলায় ফেরে। মার্কিনিয়োস সমতা ফেরানোর পর লিড এনে দেন খিচা কাভারৎস্খেলিয়া। যোগ করা সময়ে মোনাকোর জর্ডান তেজে গোল করে অবশ্য এনরিকেদের ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে ২-২ ড্র নিয়ে তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হলো। কাভারৎস্খেলিয়াকে ফাউল করায় মোনাকোর ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কুলিবালিকে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। এর আগপর্যন্ত খেলার নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই তাদের হাতে ছিল। বিপরীতে, একজন কমে যাওয়া প্রতিপক্ষের ওপর দাপট দেখাতে সময় নেয়নি পিএসজি। পরের মিনিটেই ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন মার্কিনিয়োস। ৬ মিনিট বাদে কাভারৎস্খেলিয়া স্কোরশিট ২-১ করেন। এরপর স্টপেজ টাইমে তেজের গোলটি বড্ড দেরিতে হয়েছে, তখন রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতে বেশি বাকি ছিল না। কুলিবালির লাল কার্ড-ই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে বলে খেলা শেষে জানান মোনাকো কোচ সেভাস্তিয়েন পোকোগনলি, ‘আমার মতে সেটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট, যদিও আমার কাছে সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে হয়নি। ৫ মিনিটের ব্যবধানেই দ্রুততার সঙ্গে দুটি হলুদ কার্ড দেখানো হলো। দ্বিতীয়টি ছিল বেশি কঠিন সিদ্ধান্ত। আমরা ওদের কাছে নিজেদের চিনিয়েছি। তাদের হারানোর (ফরাসি লিগে ১-০) রেকর্ডও আছে এবং ১০ জন নিয়ে ড্র-ও করেছি। আমরা তাদের অনেক প্রতিভার মাঝেও দুর্বলতা খুঁজেছি, সেটি ভালোভাবেই করতে পেরেছি মনে হয়।’ গত বছর নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল পিএসজি, এর আগের শেষ আট বছরে পাঁচবার বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। গতকালের ম্যাচেও কুলিবালি মাঠ ছাড়ার আগপর্যন্ত ছন্দে ছিল না এনরিকের দল। ফলে এবার তারা শেষ ষোলোর আগেই বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সেরা ১৬ দলের মধ্যে নাম তুলেছে পিএসজি। ম্যাচ শেষে কোচ এনরিকে জানান, ‘আমরা দলকে এই অবস্থায় দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম না, যেভাবে আমরা খেলেছি। প্রথমার্ধ আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। কিন্তু আমরা মৌসুমজুড়েই দেখিয়েছি কীভাবে প্রতিরোধ এবং ঘুরে দাঁড়াতে হয়।’

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

শেষ ষোলো নিশ্চিত করলো পিএসজি

Update Time : ১১:১৯:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমে ইতিহাস গড়ে শিরোপা জেতা পিএসজি এবার প্লে-অফ থেকে কোনোমতে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে। আরেক ফরাসি প্রতিদ্বন্দ্বী মোনাকোর সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করলেও প্রথম লেগের ৩-২ গোলের জয় বাঁচিয়ে দিয়েছে লুইস এনরিকের দলকে। দুই লেগ মিলিয়ে পিএসজি ৫-৪ অ্যাগ্রিগেটে এগিয়ে রয়েছে। অবশ্য তাতে ভূমিকা রেখেছে মাত্র ৫৮ মিনিটে মোনাকো মিডফিল্ডার মামাদু কুলিবালি’র লাল কার্ড। যার পুরো সুবিধাই নিয়েছে প্যারিসিয়ানরা। অবশ্য ম্যাচজুড়েই পিএসজির দাপট ছিল। তাদের দখলে বল ছিল ৬৮ শতাংশ, পাশাপাশি ২১ শট নিয়ে লক্ষ্যে ছিল ৭টি। বিপরীতে ৯ শটের মধ্যে ৩টি লক্ষ্যে রাখতে পারে মোনাকো। প্রথমার্ধেই তারা লিড নিয়েছিল মাঘনেশ অ্যাকলিউশের গোলে, মোনাকো ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ার পর পিএসজি খেলায় ফেরে। মার্কিনিয়োস সমতা ফেরানোর পর লিড এনে দেন খিচা কাভারৎস্খেলিয়া। যোগ করা সময়ে মোনাকোর জর্ডান তেজে গোল করে অবশ্য এনরিকেদের ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলেন। তবে ২-২ ড্র নিয়ে তাদের সন্তুষ্ট থাকতে হলো। কাভারৎস্খেলিয়াকে ফাউল করায় মোনাকোর ২১ বছর বয়সী মিডফিল্ডার কুলিবালিকে ৫৮ মিনিটে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়। এর আগপর্যন্ত খেলার নিয়ন্ত্রণ অনেকটাই তাদের হাতে ছিল। বিপরীতে, একজন কমে যাওয়া প্রতিপক্ষের ওপর দাপট দেখাতে সময় নেয়নি পিএসজি। পরের মিনিটেই ফ্রি-কিক থেকে গোল করেন মার্কিনিয়োস। ৬ মিনিট বাদে কাভারৎস্খেলিয়া স্কোরশিট ২-১ করেন। এরপর স্টপেজ টাইমে তেজের গোলটি বড্ড দেরিতে হয়েছে, তখন রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতে বেশি বাকি ছিল না। কুলিবালির লাল কার্ড-ই ম্যাচে ব্যবধান গড়ে দিয়েছে বলে খেলা শেষে জানান মোনাকো কোচ সেভাস্তিয়েন পোকোগনলি, ‘আমার মতে সেটাই ছিল টার্নিং পয়েন্ট, যদিও আমার কাছে সেটি সঠিক সিদ্ধান্ত মনে হয়নি। ৫ মিনিটের ব্যবধানেই দ্রুততার সঙ্গে দুটি হলুদ কার্ড দেখানো হলো। দ্বিতীয়টি ছিল বেশি কঠিন সিদ্ধান্ত। আমরা ওদের কাছে নিজেদের চিনিয়েছি। তাদের হারানোর (ফরাসি লিগে ১-০) রেকর্ডও আছে এবং ১০ জন নিয়ে ড্র-ও করেছি। আমরা তাদের অনেক প্রতিভার মাঝেও দুর্বলতা খুঁজেছি, সেটি ভালোভাবেই করতে পেরেছি মনে হয়।’ গত বছর নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছিল পিএসজি, এর আগের শেষ আট বছরে পাঁচবার বিদায় নেয় শেষ ষোলো থেকে। গতকালের ম্যাচেও কুলিবালি মাঠ ছাড়ার আগপর্যন্ত ছন্দে ছিল না এনরিকের দল। ফলে এবার তারা শেষ ষোলোর আগেই বিদায়ের শঙ্কায় পড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত সেরা ১৬ দলের মধ্যে নাম তুলেছে পিএসজি। ম্যাচ শেষে কোচ এনরিকে জানান, ‘আমরা দলকে এই অবস্থায় দেখতে অভ্যস্ত ছিলাম না, যেভাবে আমরা খেলেছি। প্রথমার্ধ আমাদের জন্য খুব কঠিন ছিল। কিন্তু আমরা মৌসুমজুড়েই দেখিয়েছি কীভাবে প্রতিরোধ এবং ঘুরে দাঁড়াতে হয়।’