শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

‘বিশ্বের সবচেয়ে বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান এফ-৪৭’

প্রতিনিধি: / ৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ : সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বার্ষিক সভায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর ষষ্ঠ প্রজন্মের স্টেলথ ফাইটার জেট এফ-৪৭ কে এখন পর্যন্ত তৈরি হওয়া সবচেয়ে ‘বিধ্বংসী যুদ্ধবিমান’ হিসেবে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বক্তব্যে ট্রাম্প এফ-৪৭ নামকরণ নিয়েও রসিকতা করেন। তিনি বলেন, ‘ওরা (মার্কিন বাহিনী) এর নাম রেখেছে ৪৭। ভাবছি, কেন নামটা ৪৭ রাখা হয়েছে। তবে যদি আমার ভালো না লাগে, আমি এই ৪৭ সরিয়ে দেব।’এফ-৪৭ যুদ্ধবিমানের বৈশিষ্ট্য : এফ-৪৭ যুদ্ধবিমানটি উন্নত স্টেলথ প্রযুক্তিতে নির্মিত, যা রাডারকে ফাঁকি দিতে সক্ষম। এর অত্যাধুনিক সেন্সর সিস্টেমের মাধ্যমে পাইলট আরো দ্রুত ও কার্যকরভাবে লক্ষ্য শনাক্ত করে আঘাত হানতে পারবেন। বিমানটিতে ককপিটের সামনে ছোট ডানা যুক্ত ক্যানার্ড নকশা ব্যবহার করা হয়েছে, যা উড্ডয়নের সময় স্থিতিশীলতা বাড়ায় এবং নিখুঁত বাঁক ও কৌশলগত ম্যানুভার নিশ্চিত করে। দীর্ঘপাল্লার যুদ্ধের জন্য নকশা করা এই যুদ্ধবিমান উন্নত ক্ষেপণাস্ত্রের মাধ্যমে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। পাশাপাশি এটি কাছাকাছি আকাশযুদ্ধ বা ডগফাইটেও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। এ ছাড়া এফ-৪৭ স্বয়ংক্রিয় ড্রোনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে। সামরিক অভিযানে সহায়তা করা এসব ড্রোনকে ‘কলাবরেটিভ কমব্যাট এয়ারক্রাফট’ বলা হয়। বিমানের নকশায় বোয়িংয়ের পরীক্ষামূলক প্রকল্প ওয়াইএফ-১১৮জি বার্ড অব প্রে-এর কিছু অংশ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্থিতিশীলতার জন্য কৌণিক ডানা এবং বাতাসের বাধা দূর করার জন্য উন্নত বাঁকানো নাকের নকশা। পুরনো প্রজন্মের তুলনায় এফ-৪৭ যুদ্ধবিমান দূরপাল্লার হামলা, দ্রুত মোতায়েনযোগ্য এবং বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধপরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে সক্ষম। ২০২৫ সালের মার্চ মাসে বোয়িংকে এফ-৪৭ নির্মাণের দায়িত্ব দেয় মার্কিন বিমান বাহিনী। বিমানবাহিনীর মতে, ভবিষ্যৎ যেকোনো বড় সংঘাতে বিশেষ করে—প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘর্ষে আকাশে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখতে এই যুদ্ধবিমান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বিমানবাহিনী জানিয়েছে, তারা অন্তত ১৮৫টি এফ-৪৭ তৈরি করার পরিকল্পনা করেছে। এসব যুদ্ধবিমানের প্রথম ব্যাচ চলতি দশকের শেষ দিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর