Dhaka ০৬:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোরেলগঞ্জে প্রধান শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিজেও কাঁদলেন, সহকর্মী, শিক্ষার্থীদেরকেও কাঁদালেন

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৮:৩৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৪৬ Time View

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:  দীর্ঘ ৪০ বছর কর্মস্থল থেকে অবসর গ্রহন করায় সম্মাননা বিদায় জানালেন সহকর্মী শিক্ষক মন্ডলী, শিক্ষার্থী অভিভাবক সুধিসমাজের সকলের ভালোবসায় সিক্ত হয়ে নিজেও কাঁদলেন সকলকে কাঁদালেন প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদার।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ২০৪নং বেতকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদারকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১০টি ইউনিয়নের  ৬শতাধিক শিক্ষক মন্ডলি ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের উপস্থিতিতে তাকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বেতকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার মো. শেফাইনুর আরেফিন।
অবসরপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সামসুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আসাদুজ্জামান।

স্বাগত বক্তৃতা করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সুলাইমান তালুকদার। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান তালুকদার, প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশীদ, তালুকদার ওমর ফারুক, সেলিমাবাদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক পিযুস কুমার সাহা, গাজী মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ২০৭ নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সুমন আকন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদার বক্তাব্যকালে অজোঁরে কেঁদে বলেন ৪০ বছর কর্মময় জীবন কখন শেষ হয়েছে বুঝতে পারেনি। বিদায় বেলায় শেষ চাওয়া ঈমানের সহিদ যেনো পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারি একজন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে সকলের ভালোবাসায় সিক্ত হলাম। এ সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা শত শত ক্রেষ্ট, ফুলের তোড়া, উপহার সামগ্রী মানপত্র প্রদান করেন। কর্মস্থল বিদ্যালয় থেকে রাস্তার দু’পাড়ে শিক্ষার্থীরা ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে অবস্থান নিয়ে দীর্ঘপথ পায় হেটে সহকর্মী, শিক্ষার্থীরা শত শত মানুষ তার বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মোরেলগঞ্জে প্রধান শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নিজেও কাঁদলেন, সহকর্মী, শিক্ষার্থীদেরকেও কাঁদালেন

Update Time : ০৮:৩৬:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:  দীর্ঘ ৪০ বছর কর্মস্থল থেকে অবসর গ্রহন করায় সম্মাননা বিদায় জানালেন সহকর্মী শিক্ষক মন্ডলী, শিক্ষার্থী অভিভাবক সুধিসমাজের সকলের ভালোবসায় সিক্ত হয়ে নিজেও কাঁদলেন সকলকে কাঁদালেন প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদার।
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ২০৪নং বেতকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সদ্য বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদারকে বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ১০টি ইউনিয়নের  ৬শতাধিক শিক্ষক মন্ডলি ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেনীপেশার মানুষের উপস্থিতিতে তাকে বিদায় সংবর্ধনা জানানো হয়।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় বেতকাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এ বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খন্দকার মো. শেফাইনুর আরেফিন।
অবসরপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক সামসুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির আলোচনা করেন সহকারী শিক্ষা অফিসার মো. আসাদুজ্জামান।

স্বাগত বক্তৃতা করেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. সুলাইমান তালুকদার। অন্যান্যের মধ্যে আলোচনা করেন জেলা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. লুৎফর রহমান তালুকদার, প্রধান শিক্ষক মো. হারুন অর রশীদ, তালুকদার ওমর ফারুক, সেলিমাবাদ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মো. শহিদুল ইসলাম, প্রধান শিক্ষক পিযুস কুমার সাহা, গাজী মিজানুর রহমান, প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ২০৭ নং গাবগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক সুমন আকন।
অনুষ্ঠানে বিদায়ী প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেন তালুকদার বক্তাব্যকালে অজোঁরে কেঁদে বলেন ৪০ বছর কর্মময় জীবন কখন শেষ হয়েছে বুঝতে পারেনি। বিদায় বেলায় শেষ চাওয়া ঈমানের সহিদ যেনো পৃথিবী থেকে বিদায় নিতে পারি একজন মানুষ গড়ার কারিগর হিসেবে সকলের ভালোবাসায় সিক্ত হলাম। এ সময় বিদায়ী প্রধান শিক্ষককে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা শত শত ক্রেষ্ট, ফুলের তোড়া, উপহার সামগ্রী মানপত্র প্রদান করেন। কর্মস্থল বিদ্যালয় থেকে রাস্তার দু’পাড়ে শিক্ষার্থীরা ফুলের শুভেচ্ছা জানিয়ে অবস্থান নিয়ে দীর্ঘপথ পায় হেটে সহকর্মী, শিক্ষার্থীরা শত শত মানুষ তার বাড়ি পর্যন্ত পৌছে দেন।