সর্বশেষ :
ভেনেজুয়েলা অভিযানে মোতায়েন করা রণতরি ও যুদ্ধবিমান যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে জেরুজালেমে জাতিসংঘ সংস্থার সদর দপ্তর গুঁড়িয়ে দিলো ইসরায়েল ১৫ বছর পর জাপানে চালু হচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিউজিল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা ট্রাম্পের ‘বোর্ড অফ পিস’-এ যোগ দিতে সম্মত নেতানিয়াহু পাঁচ দিনে ১৪শ’র বেশি ইন্দোনেশিয়ান কাম্বোডিয়ার প্রতারণা চক্র থেকে বেরিয়েছে : দূতাবাস জেল পালানো শত শত কারাবন্দির হদিস নেই নির্বাচনি আচরণবিধি প্রতিপালনের আহ্বান ইসির নাটোরে কলেজশিক্ষককে কুপিয়ে হত্যা, ক্ষোভের আগুনে পুড়ে মারা গেলেন বৃদ্ধা
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মার্শাল ল: ২৩ বছরের কারাদণ্ড মিলল দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিনিধি: / ২ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

বিদেশ : দক্ষিণ কোরিয়ার এক আদালত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হান ডাক-সু’কে ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলের মার্শাল ল ঘোষণা সংশ্লিষ্ট বিদ্রোহসহ একাধিক অভিযোগে গতকাল বুধবার তাকে এ সাজা দেওয়া হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ১৩ মাস আগের মার্শাল ল সংক্রান্ত ফৌজদারি অপরাধে এটাই সাবেক মন্ত্রিসভার কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে রায়। এ রায় অন্য মামলাগুলোর ক্ষেত্রেও প্রভাব ফেলবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ৭৬ বছর বয়সী হানকে দোষী সাব্যস্ত করছে কারণ, মন্ত্রিসভার সেই বৈঠক আয়োজনে সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন, যেখান থেকে মার্শাল ল’র ঘোষণা আসে, বলেছেন এক বিচারক। তিনি এ পদক্ষেপকে ‘আগাগোড়া বিদ্রোহ’ বলে অভিহিত করছেন। বিদ্রোহের অংশ হিসেবে পার্লামেন্টের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের পরিকল্পনার আলোচনায়ও হান অংশ নিয়েছিলেন, বলেছেন বিচারক। “অভিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যাকে পরোক্ষভাবে গণতান্ত্রিক বৈধতা ও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। তা সত্ত্বেও অভিযুক্ত চোখ বুজে থাকাকেই বেছে নিয়েছিলেন এবং ৩ ডিসেম্বরের বিদ্রোহে সদস্য হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। “এর ফলে দক্ষিণ কোরিয়া সেই কালো অতীতে ফিরে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছিল, যখন মৌলিক অধিকার ও জনগণের উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা লঙ্ঘিত হতো, হয়তো সেই অবস্থা থেকে মুক্তিও মিলতো না, দীর্ঘ সময় স্বৈরশাসনে থাকা লাগতো,” বলেছেন বিচারক। আদালত ‘বিদ্রোহের মূল কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার’ পাশাপাশি মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়া এবং সরকারি নথি জাল করা সংশ্লিষ্ট অপরাধেও হানকে দোষী সাব্যস্ত করেছে। “আমি সশ্রদ্ধচিত্তে বিচারকের রায় মেনে চলবো,” রায়ের পর এমনটাই বলেছেন স্যুট, সবুজ টাই পরিহিত হান। মিথ্যা সাক্ষ্য ছাড়া তিনি তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। নভেম্বরে তিনি বলেছিলেন, ইউনকে মার্শাল ল ঘোষণা থেকে বিরত রাখতে না পারায় তিনি আক্ষেপ করেন এবং তিনি কখনোই ‘এতে (মার্শাল ল) রাজি ছিলেন না কিংবা এটি জারিতে প্রেসিডেন্টকে সহায়তাও করেননি’। কৌঁসুলিরা হানের ১৫ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছিলেন। আদালত তাদের চাওয়ার চেয়েও বেশি ২৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ধরনের রায় দক্ষিণ কোরিয়ায় বেশ বিরল। গতকাল বুধবার রায়ের পর আদালতেই হানকে আটক করা হয়। তিনি এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন। হানের আইনজীবীরা বলেছেন, তারা এ মামলা সুপ্রিম কোর্টে নিয়ে যাবেন। দক্ষিণ কোরিয়ার ৫ প্রেসিডেন্টের প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করা হান মার্শাল ল জারির কারণে প্রেসিডেন্ট ইউন অভিশংসিত হওয়ার পর দেশটির ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টও হয়েছিলেন। পরে মার্শাল ল জারিতে ইউনকে সহযোগিতার অভিযোগে তিনিও অভিশংসিত হন। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সাংবিধানিক আদালত হানের অভিশংসন খারিজ করে তাকে ফের আগের পদে বসায়। এ বছরের জুনে প্রেসিডেন্ট পদে লড়ার আকাঙ্ক্ষায় তিনি ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্টের পদ ছেড়ে দেন। যদিও রক্ষণশীলদের মধ্যে বিরোধের কারণে তার শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করা হয়নি।


এই বিভাগের আরো খবর