কপিলমুনি (খুলনা) অফিসঃ কপিলমুনিতে প্রতিটা মোড়ে মোড়ে অদক্ষ আনকোরা বাইক মিস্ত্রি সেজে গ্যারেজ খুলে বসে
আছে। যাদের নেই কোন নূন্যতম অভিজ্ঞতা আনাড়ি গ্যারেজে দুই পাঁচ দিন কাজ করে নিজেই
গ্যারেজ খুলে বসে আছে। আর সেখানে একের পর এক বাইকারদের ঠকানো হচ্ছে। করা হচ্ছে
তাদের সাথে চরম প্রতারণা। এদের কর্মকাণ্ডে তদারকি না থাকার কারণে এরা বেপরোয়া হয়ে
উঠেছে। না জেনে অনেক বাইকাররা তাদের বাইকের টুকিটাকি সমস্যা নিয়ে এসব
মেকানিকের ফাঁদে পা দিলে লুফে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। অথচ বাইকের কাজের কাজ
কিছুই হচ্ছে না বরং সমস্যা আরো দ্বিগুণ সৃষ্টি হচ্ছে। এরা অধিকাংশ নেশাখোর ও মাদক
বিক্রেতা। শুধু তাই নয় অধিকাংশ বাইকারদের তাদের বাইক রেখে যেতে বলে। আর এই সুযোগে
বাইকে থাকা মূল্যবান পার্টস খুলে নিয়ে ডুব্লিকেট পার্টস লাগিয়ে দেয় । আর এই
পার্টস তারা অন্য বাইকারদের কাছে চড়া দামে বিক্রয় করে। এমন ঘটনা প্রতিনিয়ত ঘটছে
এমনটাই দাবি করছেন একাধীক ভূক্তভোগী । প্রতারণার কারণে বাইকাররা তাদের দিক থেকে মুখ
ফিরিয়ে নিচ্ছে। অনেক ভুক্তভুগি বাইকাররা তাদের এই অভিযোগের কথা জানিয়েছেন। তবে
একটি সূত্র জানিয়েছেন, মেকানিকের ব্যবসা মন্দা গেলেও পাশাপাশি অধিকাংশ বাইক
মেকানিকরা মাদক কারবারে ঝুকে পড়েছে। সমপ্রতি কপিলমুনি কলেজ রোডে রাসেলের গ্যারেজে
থাকা সেতু নামে এক কর্মচারী মাদক সহ পুলিশের কাছে ধরা পড়লেও রাসেল পালিয়ে যেতে সক্ষম
হয়। বেশ কিছুদিন পালিয়ে থাকার পর কলেজ রোডের দোকানটি ছেড়ে দিয়ে কপোতাক্ষ নদীর ধারে
ঘর নিয়ে সেখানেই চলছে হরদম মাদক সেবন ও মাদকের ব্যবসা। আর এই মামলায় সেতু বেশ
কিছুদিন জেল হজতে খেটে জামিনে বেরিয়ে এসে আবারো মাদক ব্যবসা শুরু করেছে বলে
জানিয়েছেন এলাকাবাসি। তবে একটি বিশস্ত সূত্রে জানায় কপিলমুনি কলেজ
রোড,শ্রীরামপুর মোড়, কপিলমুনি মেইন রোড সহ যে কয়টি মটর বাইক গ্যারেজ আছে
অধিকাংশ মেকানিকদের একটা বড় সিন্ডিকেট চোরাই মটর সাইকেল সহ মাদকের কারবারে
জড়িত। এদের গ্যারেজের ভিতরে গোপন রুমে চলে এসব কর্মকাণ্ড। এদের বিরুদ্ধে জরুরী
ভিত্তিতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসি।