Dhaka ০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খুলনা -৬ পাইকগাছা-কয়রা আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২:৫২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬৪ Time View

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,(খুলনা): আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে খুলনা-৬ (পাইকগাছা–কয়রা) আসন একেবারেই নির্বাচনী উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই দলগুলো সরাসরি নির্বাচনী মাঠে হাজির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে।

বিএনপি মনোনীত এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। দলের নেতা-কর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, যা নির্বাচনী উত্তাপকে আরও তীব্র করেছে।

একই দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. আবুল কালাম আজাদও মনোনয়নপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জমা দেন। দলের নেতৃবৃন্দ এবং সমর্থকরা উপস্থিত থেকে প্রার্থীর পাশে থাকার দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি (জাপা) শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী মাঠে হাজির হয়ে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। দলের নেতাকর্মীদের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা নির্বাচনী উত্তাপকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট প্রশান্ত কুমার মণ্ডল উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। উপস্থিত ছিলেন কমরেড শেখ আব্দুল হান্নানসহ পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ( চরমোনাই ) মনোনীত হাফেজ মাওলানা আছাদুল্লাহ আল গালীব এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাসও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রার্থীরা সরাসরি ভোটার ও নেতা-কর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, যা ভোটারদের মধ্যে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খুলনা-৬-এর এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটারদের কাছে বিকল্প সৃষ্টি করছে এবং নির্বাচনী উত্তাপকে তীব্র করছে। দলের সক্রিয়তা, প্রার্থীর উপস্থিতি এবং ভোটারের আগ্রহ প্রতিদিনের নির্বাচনী চিত্রকে আরও জমিয়ে তুলেছে।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনসহ ৬ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন।

ফলশ্রুতিতে, খুলনা-৬ শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান নয়, এটি নির্বাচনী উত্তাপ, রাজনৈতিক চমক এবং জনমত যাচাইয়ের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, প্রার্থীদের প্রস্তুতি এবং নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন হওয়া আসনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

খুলনা -৬ পাইকগাছা-কয়রা আসনে ৬ প্রার্থীর মনোনয়ন জমা

Update Time : ১২:৫২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫

ইমদাদুল হক,পাইকগাছা,(খুলনা): আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬-এর মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে খুলনা-৬ (পাইকগাছা–কয়রা) আসন একেবারেই নির্বাচনী উত্তাপের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। সকাল থেকেই দলগুলো সরাসরি নির্বাচনী মাঠে হাজির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আনুষ্ঠানিক সূচনা করেছে।

বিএনপি মনোনীত এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী) জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে পৌঁছে মনোনয়নপত্র জমা দেন। দলের নেতা-কর্মীরা তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন, যা নির্বাচনী উত্তাপকে আরও তীব্র করেছে।

একই দিনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মো. আবুল কালাম আজাদও মনোনয়নপত্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয় জমা দেন। দলের নেতৃবৃন্দ এবং সমর্থকরা উপস্থিত থেকে প্রার্থীর পাশে থাকার দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন।

জাতীয় পার্টি (জাপা) শেষ মুহূর্তে নির্বাচনী মাঠে হাজির হয়ে উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেয়। মো. মোস্তফা কামাল জাহাঙ্গীর পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে প্রার্থিতা ঘোষণা করেন। দলের নেতাকর্মীদের উৎসাহ এবং উদ্দীপনা নির্বাচনী উত্তাপকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

অন্যদিকে, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) প্রার্থী অ্যাডভোকেট প্রশান্ত কুমার মণ্ডল উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। উপস্থিত ছিলেন কমরেড শেখ আব্দুল হান্নানসহ পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলার অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ( চরমোনাই ) মনোনীত হাফেজ মাওলানা আছাদুল্লাহ আল গালীব এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আছাদুল বিশ্বাসও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। প্রার্থীরা সরাসরি ভোটার ও নেতা-কর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন, যা ভোটারদের মধ্যে প্রত্যাশা ও উত্তেজনা বাড়িয়েছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, খুলনা-৬-এর এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ভোটারদের কাছে বিকল্প সৃষ্টি করছে এবং নির্বাচনী উত্তাপকে তীব্র করছে। দলের সক্রিয়তা, প্রার্থীর উপস্থিতি এবং ভোটারের আগ্রহ প্রতিদিনের নির্বাচনী চিত্রকে আরও জমিয়ে তুলেছে।

বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি ও ইসলামী আন্দোলনসহ ৬ প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেন।

ফলশ্রুতিতে, খুলনা-৬ শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতার ময়দান নয়, এটি নির্বাচনী উত্তাপ, রাজনৈতিক চমক এবং জনমত যাচাইয়ের কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত হচ্ছে। ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, প্রার্থীদের প্রস্তুতি এবং নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন হওয়া আসনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।