সর্বশেষ :
মোরেলগঞ্জে হরিণ প্রতীকের নির্বাচনী গণসংযোগে কাজী শিপন: রাজনীতি নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত  পাইকগাছায় তীব্র শীত উপেক্ষা করে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা ন্যায় ভিত্তিক সমাজ ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে জামাত ইসলামের  বিকল্প নেই – শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ কঙ্গোতে খনি ধসে নিহত দুই শতাধিক, আটকে আছেন আরও অনেকে পাকিস্তানে একযোগে ১২ স্থানে হামলা, নিহত অন্তত ৫৮ পাকিস্তানে নিরাপত্তা বাহিনীর ১৫ সদস্যসহ নিহত ১২৫ লুটের অস্ত্র উদ্ধার না হলেও নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হবে না, দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার এনবিআর আমদানি তথ্য উন্মুক্ত করল সঞ্চয়পত্রে পাঁচ লাখ পর্যন্ত মুনাফায় উৎসে কর ৫ শতাংশই
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩৭ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ডা. এজাজ

প্রতিনিধি: / ৪৩ দেখেছেন:
পাবলিশ: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

বিনোদন:জনপ্রিয় অভিনেতা ডা. এজাজ। বৈচিত্রময় চরিত্রে অভিনয় করে তিনি জয় করে নিয়েছেন দর্শকের হৃদয়। বিশেষ করে প্রয়াত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের নির্মাণের বহু নাটক ও সিনেমায় তার মজার চরিত্রগুলো আজও নস্টালজিক করে যায়। ডুবিয়ে রাখে নিখাঁদ বিনোদনে। এই অভিনেতা সম্প্রতি জানালেন বাজে এক অভিজ্ঞতার কথা। প্রকাশ করলেন ক্ষোভও। খাঁটি-ঘি নামে একটি অনলাইন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনে যুক্ত থাকার পর ভোক্তা অধিদফতরে তলব এবং গ্রাহকদের প্রতারণার অভিযোগে হতাশ হয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন, জীবনে আর কখনও খাদ্যপণ্যের কোনো বিজ্ঞাপন করবেন না। খাঁটি-ঘি নামের অনলাইন প্রতিষ্ঠানটির ঘি কেনার পর প্রতারণার শিকার হচ্ছেন ভক্ত-ক্রেতারা। এসব অভিযোগে সরব সোশ্যাল মিডিয়া। বিষয়টি নজরে আসতেই হতাশ হয়েছেন অভিনেতা নিজেও। একজন ক্ষতিগ্রস্ত ক্রেতা গণমাধ্যমকে জানান, অনলাইনে নানা বিজ্ঞাপন দেখেও তিনি ভরসা পাননি। কিন্তু ডা. এজাজকে ঘিয়ের প্রচার করতে দেখে বিশ্বাস করে কিনেছিলেন। পরে পণ্যের মান নিম্নমানের হওয়ায় প্রতারণার শিকার হন। এমন অভিযোগ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিদফতর ডেকে পাঠায় ডা. এজাজকে। তিনি জানান, বিজ্ঞাপন করার সময় তাকে বিএসটি আই (বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন)-এর অনুমোদন দেখানো হয়েছিল। সেটির ওপরই ভরসা করে তিনি বিজ্ঞাপনে অংশ নেন। কিন্তু এখন তাদের প্রতারণার বিষয়টি জেনে তিনি ক্ষুব্দ। প্রতিষ্ঠানটি যদি ভেজাল পণ্য বিক্রি করে থাকে এটা তদন্ত করে যেন ব্যবস্থা নেওয়া হয় সেটি তিনি ভোক্তা অধিদফতরকে লিখিতভাবে জানিয়ে এসেছেন। তার ভাষ্য, ‘সব জায়গায় অসৎ মানুষের ভিড়। এই ঘটনার পর সিদ্ধান্ত নিয়েছি খাদ্যপণ্যের বিজ্ঞাপনে নিজেকে আর কখনোই যুক্ত করব না।’ অভিযোগ জানানোর পরও বিজ্ঞাপনটি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে যোগাযোগ করলেও সাড়া পাননি তিনি। বরং দ্রুত প্রচার বন্ধ ও প্রতারণা রোধে তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতা চেয়েছেন।


এই বিভাগের আরো খবর