সর্বশেষ :
৬ লাখ ৬২ হাজার ১৯১ ভোটার ব্যালট পেল নির্বাচনী দায়িত্বে ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ ৯০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিতে আগ্রহী, আ.লীগের ৪৮ শতাংশ সমর্থন বিএনপিতে: গবেষণা ৯ তলা থেকে তিন বোনের লাফ, মূহুর্তেই ৩ লাশ! ১২ ফেব্রুয়ারির আগে শেরপুরে নতুন তফসিল নয়: ইসি মাছউদ কচুয়ায় মৎস্য ঘেরের সীমানা নিয়ে সংঘর্ষে বৃদ্ধ নিহত বাগেরহাটে স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা, অফিসে তালা ও ভাংচুর মোরেলগঞ্জে হরিণ প্রতীকের নির্বাচনী গণসংযোগে কাজী শিপন: রাজনীতি নিয়ে ব্যবসা করা যাবে না জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে নবম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত  পাইকগাছায় তীব্র শীত উপেক্ষা করে বোরো ধানের চারা রোপনে ব্যস্ত চাষিরা
বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৮:১৪ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

প্রতিনিধি: / ৬৪ দেখেছেন:
পাবলিশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও হুমকি-ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। গতকাল রোববার মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১০ নভেম্বর মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। তবে তারা আদালতে হাজির হননি। এ জন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজ দেব, কালকে দেব বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপণ করেন। পরে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪-৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। তারা বলেন, এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব। এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি-ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়। এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।


এই বিভাগের আরো খবর