সর্বশেষ :
বাগেরহাটে ডোবা থেকে নিখোঁজের ৫ দিন পর নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার নবনির্বাচিত মোজতবা খামেনির নির্দেশে ইসরায়েলে প্রথম ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান সৌদি থেকে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের সরে যাওয়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদিন ১০০ কোটি ডলারের ইরান যুদ্ধ এখন ট্রাম্পের গলার কাঁটা: দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনা করে যুদ্ধ বন্ধের সিদ্ধান্ত নিবো, বললেন ট্রাম্প জামায়াত নেতা তাহেরের আসনের ব্যালট পেপার হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ নৌ-পুলিশের প্রধানসহ ৫ অতিরিক্ত আইজিপিকে বাধ্যতামূলক অবসর যুদ্ধের আঘাতে এখন পযর্ন্ত ৪ বাংলাদেশি নিহত হয়েছে: প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে নতুন দুই প্রসিকিউটর নিয়োগ, পদত্যাগ সাইমুম রেজার অনির্দিষ্টকালের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ৪ রুটে বিমানের ফ্লাইট স্থগিত
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
Notice :
Wellcome to our website...

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৪২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যুর শঙ্কা

প্রতিনিধি: / ৯১ দেখেছেন:
পাবলিশ: বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

উত্তর আফ্রিকার দেশ লিবিয়ার উপকূলে একটি রাবারের নৌকা ডুবে অন্তত ৪২ অভিবাসনপ্রত্যাশী নিখোঁজ হয়েছেন। ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টার সময় লিবীয় উপকূলে ডুবে যাওয়া এই নৌকার সব অভিবাসনপ্রত্যাশীর প্রাণহানি ঘটেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। গতকাল বুধবার জাতিসংঘের অভিবাসনবিষয়ক আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, লিবিয়া উপকূলে রাবারের নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ ৪২ অভিবাসনপ্রত্যাশীর সবাই মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সমুদ্রে ছয় দিন ভেসে থাকার পর ডুবে যাওয়া ওই নৌকার মাত্র সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। আইওএম বলেছে, ‘‘ডুবে যাওয়া নৌকার ৪২ আরোহী এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। নিখোঁজদের মধ্যে ২৯ জন সুদান, আটজন সোমালিয়া, তিনজন ক্যামেরুন এবং দু’জন নাইজেরিয়ার নাগরিক।’’ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, উদ্ধারকৃত সাত অভিবাসনপ্রত্যাশীর মধ্যে চারজন সুদানের, দু’জন নাইজেরিয়ার এবং একজন ক্যামেরুনের নাগরিক। লিবীয় কর্তৃপক্ষ বলেছে, ৪৯ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে নৌকাটি লিবিয়া উপকূলের আল-বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে ডুবে যায়। এরপর ছয় দিন সাগরে ভেসে থাকা সাতজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। উন্নত জীবনের আশায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অভিবাসনপ্রত্যাশীরা ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টায় লিবিয়াকে তাদের প্রস্থান পয়েন্ট হিসেবে বেছে নেন। এই পথে উত্তর আফ্রিকা থেকে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টায় অভিবাসীদের প্রাণহানির বিষয়টি অনেকটা সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। প্রায়ই লিবিয়া কিংবা তিউনিশিয়া উপকূল থেকে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের নিয়ে যাত্রা করা নৌকার ডুবে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে। ২০১১ সালে লিবিয়ার দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার আল গাদ্দাফির পতনের পর উত্তর আফ্রিকার দেশটিতে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। আর এরপর থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পৌঁছানোর চেষ্টা করা অভিবাসীদের জন্য লিবিয়া একটি প্রধান ট্রানজিট রুট হয়ে উঠেছে। যদিও লিবিয়ায় অভিবাসীরা নির্যাতন, যৌন নির্যাতন এবং মানবপাচারের ঝুঁকিতে রয়েছেন বলে বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে আসছে জাতিসংঘ ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো।


এই বিভাগের আরো খবর