Dhaka ১২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মির্জাগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • ৩০৩ Time View
মাসুম বিল্লাহ, মির্জাগঞ্জ: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় যৌথ বাহিনীর  অভিযানে অবশেষে আটক হলেন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিয়া সিকদার (৪০)। মোহাম্মদ জিয়া সিকদার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের রানীপুর গ্রামের মৃত আকছেম মৃধার জামাতা।
বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে মির্জাগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম এবং মির্জাগঞ্জ থানার পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের রানিপুর-পূর্বদেউলী চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড বাজারে জিয়া সিকদারের নিজ দোকান ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হয়।দোকানের মধ্য হতে ৪০৫ গ্রাম গাঁজা, ২ কোটা শুকনা গাঁজা, ৬টি গাঁজা স্টিক, ৭টি দিয়াশলাই, ৩টি সিরিঞ্জ, ১টি চাকু, ১টি কাঁচি এবং ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।স্থানীয়রা জানায়,দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁর গ্রেপ্তারে এলাকাবাসী কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই জিয়া সিকদার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও এবার যৌথ বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন তিনি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জিয়া সিকদার একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।
Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মির্জাগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে

Update Time : ০১:২৪:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
মাসুম বিল্লাহ, মির্জাগঞ্জ: পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলায় যৌথ বাহিনীর  অভিযানে অবশেষে আটক হলেন কুখ্যাত মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ জিয়া সিকদার (৪০)। মোহাম্মদ জিয়া সিকদার দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের রানীপুর গ্রামের মৃত আকছেম মৃধার জামাতা।
বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে মির্জাগঞ্জ আর্মি ক্যাম্প থেকে সেনাবাহিনীর একটি বিশেষ টিম এবং মির্জাগঞ্জ থানার পুলিশ যৌথভাবে এই অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নের রানিপুর-পূর্বদেউলী চৌরাস্তা বাসস্ট্যান্ড বাজারে জিয়া সিকদারের নিজ দোকান ঘিরে ফেলে তল্লাশি চালানো হয়।দোকানের মধ্য হতে ৪০৫ গ্রাম গাঁজা, ২ কোটা শুকনা গাঁজা, ৬টি গাঁজা স্টিক, ৭টি দিয়াশলাই, ৩টি সিরিঞ্জ, ১টি চাকু, ১টি কাঁচি এবং ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।স্থানীয়রা জানায়,দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তাঁর গ্রেপ্তারে এলাকাবাসী কিছুটা স্বস্তি প্রকাশ করেছে।পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই জিয়া সিকদার এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকলেও এবার যৌথ বাহিনীর হাতে ধরা পড়লেন তিনি।
মির্জাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, জিয়া সিকদার একজন পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে এবং তদন্ত চলমান রয়েছে।