Dhaka ০৬:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালিদ গোপালগঞ্জে চিরনিদ্রায় শায়িত

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪
  • ৩২২ Time View

বিনোদন: ‘হয়নি যাবার বেলা’সহ অসংখ্য গানের রূপকার খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পান্থপথের কমফোর্ট হাসপাতালে মারা গেছেন গত সোমবার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। গোপালগঞ্জে পৌঁছেছে তার নিথর দেহ, চিরনিদ্রায় সেখানে শায়িত হয়েছেন তিনি। খালিদের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছিলেন গীতিকবি ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। তিনি মঙ্গলবার তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ঘুমাও তুমি ঘুমাও, গোপালগঞ্জ, খালিদ ভাই’র কাছে।’ জননন্দিত এই গায়কের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। প্রিয়জনের হঠাৎ এই মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া পড়ে গেছে তার এলাকায়। অশ্রুতে বুক ভাসিয়েছেন তার সহপাঠীরা। রাজধানীর গ্রিন রোড জামে মসজিদে সোমবার রাত ১১টায় খালিদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার লাশ নিয়ে রাতেই গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করা হয়। রাত সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছায় খালিদের নিথর দেহ। মঙ্গলবার বাদ জোহর গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে শহরের গেটপাড়ার কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, আশি ও নব্বইয়ের দশকে জনপ্রিয় সব গান গেয়ে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন খালিদ। তিনি ‘চাইম’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ছিলেন। ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’–এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন খালিদ। গোপালগঞ্জে তার জন্ম। সোনালি দিনের এই শিল্পী ১৯৮১ সালে গানের জগতে যাত্রা করেন। ১৯৮৩ সালে ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

ফকিরহাটে ৪০ ড্রাম রেনুপোনা জব্দের ৪ ঘন্টা পর ছেড়ে দেয়া হয়েছে

খালিদ গোপালগঞ্জে চিরনিদ্রায় শায়িত

Update Time : ১১:১৭:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মার্চ ২০২৪

বিনোদন: ‘হয়নি যাবার বেলা’সহ অসংখ্য গানের রূপকার খালিদ আনোয়ার সাইফুল্লাহ। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পান্থপথের কমফোর্ট হাসপাতালে মারা গেছেন গত সোমবার। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৬ বছর। গোপালগঞ্জে পৌঁছেছে তার নিথর দেহ, চিরনিদ্রায় সেখানে শায়িত হয়েছেন তিনি। খালিদের মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছিলেন গীতিকবি ও সুরকার প্রিন্স মাহমুদ। তিনি মঙ্গলবার তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ঘুমাও তুমি ঘুমাও, গোপালগঞ্জ, খালিদ ভাই’র কাছে।’ জননন্দিত এই গায়কের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। প্রিয়জনের হঠাৎ এই মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া পড়ে গেছে তার এলাকায়। অশ্রুতে বুক ভাসিয়েছেন তার সহপাঠীরা। রাজধানীর গ্রিন রোড জামে মসজিদে সোমবার রাত ১১টায় খালিদের প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার লাশ নিয়ে রাতেই গোপালগঞ্জের গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা করা হয়। রাত সাড়ে ৩টায় গোপালগঞ্জ শহরের বাসায় পৌঁছায় খালিদের নিথর দেহ। মঙ্গলবার বাদ জোহর গোপালগঞ্জ কোর্ট মসজিদে তার জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে শহরের গেটপাড়ার কবরস্থানে তার বাবা-মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। প্রসঙ্গত, আশি ও নব্বইয়ের দশকে জনপ্রিয় সব গান গেয়ে তুমুল জনপ্রিয়তা অর্জন করেন খালিদ। তিনি ‘চাইম’ ব্যান্ডের ভোকালিস্ট ছিলেন। ‘সরলতার প্রতিমা’, ‘যতটা মেঘ হলে বৃষ্টি নামে’, ‘কোনো কারণেই ফেরানো গেল না তাকে’, ‘হয়নি যাবারও বেলা’, ‘যদি হিমালয় হয়ে দুঃখ আসে’, ‘তুমি নেই তাই’–এর মতো বহু জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়ে শ্রোতাদের হৃদয়ে জায়গা করে নেন খালিদ। গোপালগঞ্জে তার জন্ম। সোনালি দিনের এই শিল্পী ১৯৮১ সালে গানের জগতে যাত্রা করেন। ১৯৮৩ সালে ‘চাইম’ ব্যান্ডে যোগ দেন।