Dhaka ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মক্কায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শীতলীকরণ ব্যবস্থা চালু

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৫৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫
  • ২৩৮ Time View

আসন্ন হজকে সামনে রেখে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শীতলীকরণ ব্যবস্থা চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। হাজিদের স্বস্তি দিতে এটিই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বাতাস শীতলীকরণ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় মোট ১৫৫,০০০ টন থার্মাল ইউনিট পরিমাণ বাতাস শীতল করা সম্ভব হবে। গ্র্যান্ড মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং করিডোরসহ গোটা মসজিদই এই শীতলীকরণের আওতায় থাকবে। মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীর তত্বাবধানে থাকা জেনারেল অথোরিটি এই ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। এই শীতলীকরণ ব্যবস্থা নির্ভর করে মূলত দুটি স্টেশনের ওপর। একটি হচ্ছে, মক্কার হারাম থেকে ৯০০ মিটার দূরের আল-শামিয়া স্টেশন। এই স্টেশনের বাতাস শীতলীকরণ ক্ষমতা ১২০,০০০ টন। অপর স্টেশটি হচ্ছে ৫০০ মিটার দূরের আজিয়াদ স্টেশন। এই স্টেশনের বাতাস শীতলীকরণ ক্ষমতা ৩৫,০০০ টন। গোটা মসজিদ কমপ্লেক্সকে শীতল রেখে হাজিদের জন্য মাঝারি এবং স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রা নিশ্চিত করে এই দুই স্টেশন। বাতাসের মান ঠিক রাখতে এই শীতলীকরণ ব্যবস্থায় দিনে ৯ বার বাতাস বিশুদ্ধ করা হয়। এই বিশুদ্ধীকরণ প্রক্রিয়ায় অতিবেগুনীরশ্মি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে গ্র্যান্ড মসজিদ জুড়ে বাতাস ছড়িয়ে পড়ার আগে তা ৯৫ শতাংশ জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়। এতে হাজিরা পরিষ্কার এবং নিরাপদ পরিবেশে হজ পালন করতে পারে, বিশেষ করে তীব্র গরমের সময়ে। কর্তৃপক্ষ সবসময়ই এই শতলীকরণ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

মক্কায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শীতলীকরণ ব্যবস্থা চালু

Update Time : ০১:৫৬:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ জুন ২০২৫

আসন্ন হজকে সামনে রেখে মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় শীতলীকরণ ব্যবস্থা চালু করেছে কর্তৃপক্ষ। হাজিদের স্বস্তি দিতে এটিই বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ বাতাস শীতলীকরণ ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় মোট ১৫৫,০০০ টন থার্মাল ইউনিট পরিমাণ বাতাস শীতল করা সম্ভব হবে। গ্র্যান্ড মসজিদ প্রাঙ্গণ এবং করিডোরসহ গোটা মসজিদই এই শীতলীকরণের আওতায় থাকবে। মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ ও মদিনার মসজিদে নববীর তত্বাবধানে থাকা জেনারেল অথোরিটি এই ব্যবস্থা পরিচালনা করছে। এই শীতলীকরণ ব্যবস্থা নির্ভর করে মূলত দুটি স্টেশনের ওপর। একটি হচ্ছে, মক্কার হারাম থেকে ৯০০ মিটার দূরের আল-শামিয়া স্টেশন। এই স্টেশনের বাতাস শীতলীকরণ ক্ষমতা ১২০,০০০ টন। অপর স্টেশটি হচ্ছে ৫০০ মিটার দূরের আজিয়াদ স্টেশন। এই স্টেশনের বাতাস শীতলীকরণ ক্ষমতা ৩৫,০০০ টন। গোটা মসজিদ কমপ্লেক্সকে শীতল রেখে হাজিদের জন্য মাঝারি এবং স্বস্তিদায়ক তাপমাত্রা নিশ্চিত করে এই দুই স্টেশন। বাতাসের মান ঠিক রাখতে এই শীতলীকরণ ব্যবস্থায় দিনে ৯ বার বাতাস বিশুদ্ধ করা হয়। এই বিশুদ্ধীকরণ প্রক্রিয়ায় অতিবেগুনীরশ্মি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এতে গ্র্যান্ড মসজিদ জুড়ে বাতাস ছড়িয়ে পড়ার আগে তা ৯৫ শতাংশ জীবাণুমুক্ত হয়ে যায়। এতে হাজিরা পরিষ্কার এবং নিরাপদ পরিবেশে হজ পালন করতে পারে, বিশেষ করে তীব্র গরমের সময়ে। কর্তৃপক্ষ সবসময়ই এই শতলীকরণ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছে।