Dhaka ০২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বোর্নমাউথ ইতিহাস গড়ে জয় ছিনিয়ে নিলো

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • ১৫৪ Time View

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চলতি মৌসুমের শেষের দিনগুলোও ভালো যাচ্ছে না আর্সেনালের। গত শনিবার রাতে গানারদের ঘরের মাঠ থেকেও জয় ছিনিয়ে নিয়েছে এএফসি বোর্নমাউথ। ইতিহাসে এই প্রথম আর্সেনালের মাঠে জয় পেল বোর্নমাউথ। এমিরেটস স্টেডিয়ামে শুরুতে গোল করেছিল আর্সেনালই। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত কামব্যাকে ২-১ ব্যবধানের জয় পায় বোর্নমাউথ। ৩৪ মিনিটে ডেকলান রাইস আর্সেনালকে এগিয়ে দেন। মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত রিভার্স পাসে দৌড়ে কেপা আরিজাবালাগাকে কাটিয়ে গোল করেন তিনি। এটি ছিল আর্সেনালের হয়ে তার ১০০তম ম্যাচে এক পরিপূর্ণ ফিনিশিং। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ১০ মিনিট পর স্কোরলাইন ২-০ করার সুযোগ পায় আর্সেনাল। কিন্তু দারুণ সুযোগ মিস করেন বুকায়ো সাকা। বল কেটে ভিতরে ঢ়ুকে অল্পের জন্য বাইরে মারেন ইংলিশ তারকা ফরোয়ার্ড। এরপর বোর্নমাউথ হঠাৎ করেই দুই গোল করে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয়। ৬৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আন্তোনিও সেমেনিওর লম্বা থ্রো থেকে মাথা ছুঁইয়ে বল নিচের কর্নারে পাঠিয়ে বোর্নমাউথকে সমতায় ফেরান ডিন হুইসেন। ৮ মিনিট পর কর্নার থেকে গোল করে এভানিলসন বোর্নমাউথের জন্য জয় নিশ্চিত করেন। আর্সেনাল ওই সময় হ্যান্ডবলের আবেদন করে। তবে ভিএআরে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের পরও বল হাতে লাগার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যে কারণে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বোর্নমাউথ। ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে বলেন আর্সেনাল অধিনায়ক ওডেগার্ড বলেন, ‘আমরা গোল করলাম এবং মনে হচ্ছিল আমরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছি। কিন্তু ওরা গোল করলো এবং আমরা খেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললামৃ । দ্বিতীয়ার্ধ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ এই জয়ে প্রথমবারের মতো আর্সেনালের বিপক্ষে ডাবল (দুই ম্যাচেই জয়) করল বোর্নমাউথ। ৩৫ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে দলটি। যা আগামী মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। আর্সেনাল ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুলের পর টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে। ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে গানাররা। তারা যদি বাকি তিন ম্যাচ থেকে ছয় পয়েন্ট পায়, তবে শীর্ষ পাঁচ নিশ্চিত হবে এবং পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে। লিভারপুল গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় চলতি মৌসুমে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের একমাত্র সুযোগ এখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এই প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালের প্রথম লেগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) কাছে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে গানাররা। অ্যাওয়ে লেগে সেই ঘাটতি পুষিয়ে তুলতে হবে মিকেল আরতেতার দলকে। সেটিই দেখায় অপেক্ষায় আর্সেনালভক্তরা।

ছবি:০৭
শেষ মুহূর্তের গোলে পয়েন্ট খোয়ালো বায়ার্ন
জিতলেই চলতি মৌসুমে বুন্দেসলিগার শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যেতো বায়ার্ন মিউনিখের। রেড বুল অ্যারেনায় দেখা যেতো আনন্দময় আর উৎসবমুখর এক সন্ধ্যা। হ্যারি কেইনের হাতে শোভা পেতো ক্যারিয়ারের প্রথম কোনো শিরোপা। কিন্তু বায়ার্নের কাঙ্ক্ষিত কোনো কিছুই ঘটেনি। বায়ার্নের শিরোপা উদযাপনে অপেক্ষা বাড়িয়েছে আরবি লাইপজিগ। গত শনিবার জার্মান বুন্দেসলিগায় ম্যাচের ৯৪ মিনিট পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বায়ার্ন। কিন্তু এরপরই গোল করেন লাইপজিগ। ৩-৩ গোলে ড্র করে পূর্ণ তিন পয়েন্ট আদায়ে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন। লাইপজিগের ঘরের মাঠে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বায়ার্ন। একের পর এক আক্রমণে আসতে থাকে স্বাগতিকরা। প্রথমে দুটি সুযোগ মিস করে লাইপজিগ। তবে লিড নিতে বেশি দেরি করেনি। ১১ মিনিটে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে জাভি সিমন্সের সহায়তায় গোল করেন বেঞ্জামিন সেশকো। ফলে ১-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লাইপজিগ। বুন্দেসলিগার শীর্ষ গোলদাতা হ্যারি কেইন ক্যারিয়ারের প্রথম বড় শিরোপা জয়ের আশায় থাকলেও সাসপেনশনের কারণে গ্যালারি থেকে খেলা দেখছিলেন। এই ফরোয়ার্ড দলে থাকায় বায়ার্ন আক্রমণভাগে ছিল নিস্তেজ। বিরতির ছয় মিনিট আগে আবারও গোল করে লাইপজিগ। ডেভিড রাউমের ফ্রি কিক থেকে হেডে বল জালে ফেলেন লুকাস ক্লোস্টারমান। এতে লাইপজিগের লিড দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। ৬২ মিনিটে মাইকেল ওলিসের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন এরিক ডায়ার। পরের মিনিটেই ওলিস জোরালো শটে সমতা ফেরান (২-২)। লেরয় সানে খেলার ৭ মিনিট বাকি থাকতে গোল করেন। এতে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে বায়ার্ন ভেবেছিল, তারা আজই শিরোপা উদযাপন করতে পারবে। হ্যারি কেইন গ্যালারি থেকে নেমে সাইডলাইনে এসে সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনের জন্য প্রস্তুতিও নেন। কিন্তু লাইপজিগের ইউসুফ পুলসেন সেই আনন্দে ছেদ টানেন। ৯৪ মিনিটে বায়ার্ন গোলরক্ষক জোনাস উরবিগকে চিপ করে বল জালে জড়িয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি। বায়ার্ন পরের সপ্তাহে ঘরের মাঠে বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখকে আতিথ্য দেবে। সেখানে তাদের লিগ শিরোপা নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে। বুন্দেসলিগায় এখনো দুই ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭৬। টেবিলের শীর্ষে থাকা বায়ার্ন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লেভারকুসেনের (৩১ ম্যাচে) চেয়ে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে। বায়ার্ন যদি বাকি দুই ম্যাচে হেরে যায় এবং লেভারকুসেন তিন ম্যাচ জিতলে দুই দলের পয়েন্টই সমান হবে। তবে গোল ব্যবধানে অনেকটা এগিয়ে থাকবে বার্য়ান। সে হিসেবে বায়ার্নের ঘরেই উঠবে বুন্দেসলিগার ৩৪তম শিরোপা। অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে কেইনের। এই ড্র লাইপজিগকেও শীর্ষ চারে থেকে পরের মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার দৌড়ে টিকিয়ে রেখেছে। তারা বর্তমানে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।

Tag :
About Author Information

জনপ্রিয়

বোর্নমাউথ ইতিহাস গড়ে জয় ছিনিয়ে নিলো

Update Time : ০১:১৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে চলতি মৌসুমের শেষের দিনগুলোও ভালো যাচ্ছে না আর্সেনালের। গত শনিবার রাতে গানারদের ঘরের মাঠ থেকেও জয় ছিনিয়ে নিয়েছে এএফসি বোর্নমাউথ। ইতিহাসে এই প্রথম আর্সেনালের মাঠে জয় পেল বোর্নমাউথ। এমিরেটস স্টেডিয়ামে শুরুতে গোল করেছিল আর্সেনালই। তবে দ্বিতীয়ার্ধে দুর্দান্ত কামব্যাকে ২-১ ব্যবধানের জয় পায় বোর্নমাউথ। ৩৪ মিনিটে ডেকলান রাইস আর্সেনালকে এগিয়ে দেন। মার্টিন ওডেগার্ডের নিখুঁত রিভার্স পাসে দৌড়ে কেপা আরিজাবালাগাকে কাটিয়ে গোল করেন তিনি। এটি ছিল আর্সেনালের হয়ে তার ১০০তম ম্যাচে এক পরিপূর্ণ ফিনিশিং। ১-০ গোলে এগিয়ে বিরতিতে যায় আর্সেনাল। দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরুর ১০ মিনিট পর স্কোরলাইন ২-০ করার সুযোগ পায় আর্সেনাল। কিন্তু দারুণ সুযোগ মিস করেন বুকায়ো সাকা। বল কেটে ভিতরে ঢ়ুকে অল্পের জন্য বাইরে মারেন ইংলিশ তারকা ফরোয়ার্ড। এরপর বোর্নমাউথ হঠাৎ করেই দুই গোল করে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নেয়। ৬৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় আন্তোনিও সেমেনিওর লম্বা থ্রো থেকে মাথা ছুঁইয়ে বল নিচের কর্নারে পাঠিয়ে বোর্নমাউথকে সমতায় ফেরান ডিন হুইসেন। ৮ মিনিট পর কর্নার থেকে গোল করে এভানিলসন বোর্নমাউথের জন্য জয় নিশ্চিত করেন। আর্সেনাল ওই সময় হ্যান্ডবলের আবেদন করে। তবে ভিএআরে সূক্ষ্ম বিশ্লেষণের পরও বল হাতে লাগার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি। যে কারণে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় বোর্নমাউথ। ম্যাচ শেষে স্কাই স্পোর্টসকে বলেন আর্সেনাল অধিনায়ক ওডেগার্ড বলেন, ‘আমরা গোল করলাম এবং মনে হচ্ছিল আমরা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছি। কিন্তু ওরা গোল করলো এবং আমরা খেলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললামৃ । দ্বিতীয়ার্ধ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।’ এই জয়ে প্রথমবারের মতো আর্সেনালের বিপক্ষে ডাবল (দুই ম্যাচেই জয়) করল বোর্নমাউথ। ৩৫ ম্যাচে ৫৩ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে দলটি। যা আগামী মৌসুমে ইউরোপীয় প্রতিযোগিতার জন্য যথেষ্ট হতে পারে। আর্সেনাল ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে লিভারপুলের পর টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে। ম্যানচেস্টার সিটির চেয়ে ৩ পয়েন্ট এগিয়ে গানাররা। তারা যদি বাকি তিন ম্যাচ থেকে ছয় পয়েন্ট পায়, তবে শীর্ষ পাঁচ নিশ্চিত হবে এবং পরের মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলতে পারবে। লিভারপুল গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় চলতি মৌসুমে আর্সেনালের শিরোপা জয়ের একমাত্র সুযোগ এখন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এই প্রতিযোগিতায় সেমিফাইনালের প্রথম লেগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইয়ের (পিএসজি) কাছে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়েছে গানাররা। অ্যাওয়ে লেগে সেই ঘাটতি পুষিয়ে তুলতে হবে মিকেল আরতেতার দলকে। সেটিই দেখায় অপেক্ষায় আর্সেনালভক্তরা।

ছবি:০৭
শেষ মুহূর্তের গোলে পয়েন্ট খোয়ালো বায়ার্ন
জিতলেই চলতি মৌসুমে বুন্দেসলিগার শিরোপা নিশ্চিত হয়ে যেতো বায়ার্ন মিউনিখের। রেড বুল অ্যারেনায় দেখা যেতো আনন্দময় আর উৎসবমুখর এক সন্ধ্যা। হ্যারি কেইনের হাতে শোভা পেতো ক্যারিয়ারের প্রথম কোনো শিরোপা। কিন্তু বায়ার্নের কাঙ্ক্ষিত কোনো কিছুই ঘটেনি। বায়ার্নের শিরোপা উদযাপনে অপেক্ষা বাড়িয়েছে আরবি লাইপজিগ। গত শনিবার জার্মান বুন্দেসলিগায় ম্যাচের ৯৪ মিনিট পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল বায়ার্ন। কিন্তু এরপরই গোল করেন লাইপজিগ। ৩-৩ গোলে ড্র করে পূর্ণ তিন পয়েন্ট আদায়ে ব্যর্থ হয় বায়ার্ন। লাইপজিগের ঘরের মাঠে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বায়ার্ন। একের পর এক আক্রমণে আসতে থাকে স্বাগতিকরা। প্রথমে দুটি সুযোগ মিস করে লাইপজিগ। তবে লিড নিতে বেশি দেরি করেনি। ১১ মিনিটে দ্রুত কাউন্টার অ্যাটাক থেকে জাভি সিমন্সের সহায়তায় গোল করেন বেঞ্জামিন সেশকো। ফলে ১-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় লাইপজিগ। বুন্দেসলিগার শীর্ষ গোলদাতা হ্যারি কেইন ক্যারিয়ারের প্রথম বড় শিরোপা জয়ের আশায় থাকলেও সাসপেনশনের কারণে গ্যালারি থেকে খেলা দেখছিলেন। এই ফরোয়ার্ড দলে থাকায় বায়ার্ন আক্রমণভাগে ছিল নিস্তেজ। বিরতির ছয় মিনিট আগে আবারও গোল করে লাইপজিগ। ডেভিড রাউমের ফ্রি কিক থেকে হেডে বল জালে ফেলেন লুকাস ক্লোস্টারমান। এতে লাইপজিগের লিড দ্বিগুণ হয়। দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ায় বায়ার্ন। ৬২ মিনিটে মাইকেল ওলিসের কর্নার থেকে হেডে গোল করেন এরিক ডায়ার। পরের মিনিটেই ওলিস জোরালো শটে সমতা ফেরান (২-২)। লেরয় সানে খেলার ৭ মিনিট বাকি থাকতে গোল করেন। এতে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে গিয়ে বায়ার্ন ভেবেছিল, তারা আজই শিরোপা উদযাপন করতে পারবে। হ্যারি কেইন গ্যালারি থেকে নেমে সাইডলাইনে এসে সতীর্থদের সঙ্গে উদযাপনের জন্য প্রস্তুতিও নেন। কিন্তু লাইপজিগের ইউসুফ পুলসেন সেই আনন্দে ছেদ টানেন। ৯৪ মিনিটে বায়ার্ন গোলরক্ষক জোনাস উরবিগকে চিপ করে বল জালে জড়িয়ে ম্যাচে সমতা ফেরান তিনি। বায়ার্ন পরের সপ্তাহে ঘরের মাঠে বরুশিয়া মনশেনগ্লাডবাখকে আতিথ্য দেবে। সেখানে তাদের লিগ শিরোপা নিশ্চিত করার সুযোগ থাকবে। বুন্দেসলিগায় এখনো দুই ম্যাচ বাকি বায়ার্নের। ৩২ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৭৬। টেবিলের শীর্ষে থাকা বায়ার্ন বর্তমান চ্যাম্পিয়ন লেভারকুসেনের (৩১ ম্যাচে) চেয়ে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে। বায়ার্ন যদি বাকি দুই ম্যাচে হেরে যায় এবং লেভারকুসেন তিন ম্যাচ জিতলে দুই দলের পয়েন্টই সমান হবে। তবে গোল ব্যবধানে অনেকটা এগিয়ে থাকবে বার্য়ান। সে হিসেবে বায়ার্নের ঘরেই উঠবে বুন্দেসলিগার ৩৪তম শিরোপা। অপেক্ষার প্রহর শেষ হবে কেইনের। এই ড্র লাইপজিগকেও শীর্ষ চারে থেকে পরের মৌসুমের চ্যাম্পিয়নস লিগে খেলার দৌড়ে টিকিয়ে রেখেছে। তারা বর্তমানে ৫০ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে।